প্রায় ১০ হাজার শিক্ষার্থীর গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (গোবিপ্রবি) কোনো স্থায়ী কাউন্সেলিং ব্যবস্থা নেই। মানসিক চাপ, উদ্বেগ বা ব্যক্তিগত সমস্যায় পড়া শিক্ষার্থীদের পরামর্শ দিতে বিশ্ববিদ্যালয়ে নেই কোনো পেশাদার কাউন্সেলর বা মনোরোগ বিশেষজ্ঞ। বিভাগভিত্তিক ছাত্র উপদেষ্টা থাকলেও মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ে বিশেষজ্ঞ সেবা মিলছে না।
শিক্ষার্থীরা জানান, পড়াশোনার চাপ, পরীক্ষা, চাকরির চিন্তা, আর্থিক সংকট ও পারিবারিক সমস্যায় অনেকেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। কিন্তু প্রয়োজনে পেশাদার মানসিক স্বাস্থ্যসেবা না পাওয়ায় জটিলতা বাড়ছে। চিকিৎসাকেন্দ্রে শারীরিক চিকিৎসার ব্যবস্থা থাকলেও মানসিক সমস্যার সুযোগ নেই, যা তাঁদের বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে সেবা নিতে বাধ্য করছে।
সামাজিক সংগঠন ‘আঁচল ফাউন্ডেশন’-এর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে দেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৪০৩ জন শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেন, যার ২০ শতাংশেরও বেশি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের।
গোবিপ্রবির মেডিকেল অফিসার ডা. লিখন চন্দ্র বালা জানান, শিক্ষার্থীরা প্রায়ই মানসিক সমস্যা নিয়ে আসেন, তবে তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা ছাড়া বিশেষ সহায়তা দেওয়ার সুযোগ থাকে না। এজন্য সাইকিয়াট্রিস্ট প্রয়োজন। মনোবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান সানজিদা কবিরও জানান, বিষয়টি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে একাধিকবার জানানো হয়েছে।
ছাত্র উপদেষ্টা ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক সহযোগী অধ্যাপক গাজী মাহবুব জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ে এ ধরনের পদ না থাকায় প্রশাসনিক জটিলতা রয়েছে। তবে শিক্ষার্থীরা চাইলে বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলা হবে।
জরুরি ভিত্তিতে গোপনীয়তা রক্ষা করে পরামর্শ নেওয়ার জন্য নির্দিষ্ট কাউন্সেলিং কক্ষ ও বিশেষজ্ঞ নিয়োগের দাবি জানিয়েছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রায় ১০ হাজার শিক্ষার্থীর গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (গোবিপ্রবি) কোনো স্থায়ী কাউন্সেলিং ব্যবস্থা নেই। মানসিক চাপ, উদ্বেগ বা ব্যক্তিগত সমস্যায় পড়া শিক্ষার্থীদের পরামর্শ দিতে বিশ্ববিদ্যালয়ে নেই কোনো পেশাদার কাউন্সেলর বা মনোরোগ বিশেষজ্ঞ। বিভাগভিত্তিক ছাত্র উপদেষ্টা থাকলেও মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ে বিশেষজ্ঞ সেবা মিলছে না।
শিক্ষার্থীরা জানান, পড়াশোনার চাপ, পরীক্ষা, চাকরির চিন্তা, আর্থিক সংকট ও পারিবারিক সমস্যায় অনেকেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। কিন্তু প্রয়োজনে পেশাদার মানসিক স্বাস্থ্যসেবা না পাওয়ায় জটিলতা বাড়ছে। চিকিৎসাকেন্দ্রে শারীরিক চিকিৎসার ব্যবস্থা থাকলেও মানসিক সমস্যার সুযোগ নেই, যা তাঁদের বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে সেবা নিতে বাধ্য করছে।
সামাজিক সংগঠন ‘আঁচল ফাউন্ডেশন’-এর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে দেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৪০৩ জন শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেন, যার ২০ শতাংশেরও বেশি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের।
গোবিপ্রবির মেডিকেল অফিসার ডা. লিখন চন্দ্র বালা জানান, শিক্ষার্থীরা প্রায়ই মানসিক সমস্যা নিয়ে আসেন, তবে তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা ছাড়া বিশেষ সহায়তা দেওয়ার সুযোগ থাকে না। এজন্য সাইকিয়াট্রিস্ট প্রয়োজন। মনোবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান সানজিদা কবিরও জানান, বিষয়টি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে একাধিকবার জানানো হয়েছে।
ছাত্র উপদেষ্টা ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক সহযোগী অধ্যাপক গাজী মাহবুব জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ে এ ধরনের পদ না থাকায় প্রশাসনিক জটিলতা রয়েছে। তবে শিক্ষার্থীরা চাইলে বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলা হবে।
জরুরি ভিত্তিতে গোপনীয়তা রক্ষা করে পরামর্শ নেওয়ার জন্য নির্দিষ্ট কাউন্সেলিং কক্ষ ও বিশেষজ্ঞ নিয়োগের দাবি জানিয়েছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

আপনার মতামত লিখুন