ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে পূর্ববিরোধের জেরে দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। রক্তক্ষয় এড়াতে ও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকাল সাতটা থেকে ১০টা পর্যন্ত প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে উপজেলার ইছাপুরা ইউনিয়নে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে আক্তার ও বকুল গ্রুপের মধ্যে এ সংঘর্ষ চলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার স্থানীয় বাজারে আক্তার গ্রুপের এনামের সঙ্গে বকুল গ্রুপের রুবেলের কথা-কাটাকাটি হয়। এর জেরে ওই দিনই প্রথম দফায় দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়ায় এবং রুবেল মিয়ার বাড়িতে ভাঙচুর চালানোর অভিযোগ ওঠে। এই ঘটনার রেশ ধরে রোববার সকালে উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ফের মুখোমুখি সংঘর্ষে লিপ্ত হন। টানা তিন ঘণ্টা চলা ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ায় এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয় এবং অন্তত ২০ জন আহত হন।
খবর পেয়ে বিজয়নগর থানা-পুলিশের পাশাপাশি জেলা পুলিশ লাইনস থেকে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্যরা গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে গত কয়েক বছরে এই আক্তার ও বকুল গ্রুপের মধ্যে একাধিকবার রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
বিজয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আহসান উল্লাহ বলেন, ‘পূর্বশত্রুতার জেরে এই সংঘর্ষ ঘটেছে। খবর পাওয়া মাত্রই পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকা শান্ত রয়েছে এবং ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।’

রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে পূর্ববিরোধের জেরে দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। রক্তক্ষয় এড়াতে ও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকাল সাতটা থেকে ১০টা পর্যন্ত প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে উপজেলার ইছাপুরা ইউনিয়নে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে আক্তার ও বকুল গ্রুপের মধ্যে এ সংঘর্ষ চলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার স্থানীয় বাজারে আক্তার গ্রুপের এনামের সঙ্গে বকুল গ্রুপের রুবেলের কথা-কাটাকাটি হয়। এর জেরে ওই দিনই প্রথম দফায় দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়ায় এবং রুবেল মিয়ার বাড়িতে ভাঙচুর চালানোর অভিযোগ ওঠে। এই ঘটনার রেশ ধরে রোববার সকালে উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ফের মুখোমুখি সংঘর্ষে লিপ্ত হন। টানা তিন ঘণ্টা চলা ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ায় এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয় এবং অন্তত ২০ জন আহত হন।
খবর পেয়ে বিজয়নগর থানা-পুলিশের পাশাপাশি জেলা পুলিশ লাইনস থেকে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্যরা গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে গত কয়েক বছরে এই আক্তার ও বকুল গ্রুপের মধ্যে একাধিকবার রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
বিজয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আহসান উল্লাহ বলেন, ‘পূর্বশত্রুতার জেরে এই সংঘর্ষ ঘটেছে। খবর পাওয়া মাত্রই পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকা শান্ত রয়েছে এবং ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।’

আপনার মতামত লিখুন