সংবাদ

বালিয়াকান্দিতে এক পরিবারের পাঁচজনই প্রতিবন্ধী, বাঁচতে আকুতি


প্রতিনিধি, রাজবাড়ী
প্রতিনিধি, রাজবাড়ী
প্রকাশ: ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৪০ পিএম

বালিয়াকান্দিতে এক পরিবারের পাঁচজনই প্রতিবন্ধী, বাঁচতে আকুতি
ছবি : সংবাদ

রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার জঙ্গল ইউনিয়নের বন্যাতৈল গ্রামে একই পরিবারের পাঁচ সদস্যই নানামুখী প্রতিবন্ধকতা নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। অর্থাভাব, চিকিৎসা ও বাসস্থানের সংকটে প্রতিদিন বেঁচে থাকার কঠিন সংগ্রাম চালাতে হচ্ছে এই পরিবারটিকে।

পরিবারটির সদস্যরা হলেন - দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী কাশিনাথ চৌধুরী (৭০), শারীরিক প্রতিবন্ধী সুহাগী চৌধুরী (৬৮), বিরল রোগে আক্রান্ত ও শারীরিক প্রতিবন্ধী বুদ্ধিশ্বর মন্ডল (৬৫), বাকপ্রতিবন্ধী দ্রপতি চৌধুরী (৬০) এবং শারীরিক প্রতিবন্ধী উত্তরা মন্ডল (৩৫)। বর্তমানে তাঁরা একটি ছোট সরকারি ঘরে গাদাগাদি করে বসবাস করছেন।

পাঁচ সদস্যের মধ্যে মাত্র তিনজন প্রতিবন্ধী ভাতা পান, যা দিয়ে এই দুর্মূল্যের বাজারে খাবার ও চিকিৎসার খরচ চালানো একেবারেই অসম্ভব। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি বুদ্ধিশ্বর মন্ডল বাজারে ঝাড়ুদারের কাজ করে সামান্য আয় করেন, তা দিয়েই কোনোমতে পরিবারের মুখে খাবার তুলে দেওয়ার চেষ্টা করছেন।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান কল্লোল কুমার বসু পরিবারটির খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন। এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগী পরিবারটি সরকারি সহায়তার পাশাপাশি সমাজের সামর্থ্যবান ব্যক্তি ও মানবিক প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে সহায়তার আবেদন জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬


বালিয়াকান্দিতে এক পরিবারের পাঁচজনই প্রতিবন্ধী, বাঁচতে আকুতি

প্রকাশের তারিখ : ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার জঙ্গল ইউনিয়নের বন্যাতৈল গ্রামে একই পরিবারের পাঁচ সদস্যই নানামুখী প্রতিবন্ধকতা নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। অর্থাভাব, চিকিৎসা ও বাসস্থানের সংকটে প্রতিদিন বেঁচে থাকার কঠিন সংগ্রাম চালাতে হচ্ছে এই পরিবারটিকে।

পরিবারটির সদস্যরা হলেন - দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী কাশিনাথ চৌধুরী (৭০), শারীরিক প্রতিবন্ধী সুহাগী চৌধুরী (৬৮), বিরল রোগে আক্রান্ত ও শারীরিক প্রতিবন্ধী বুদ্ধিশ্বর মন্ডল (৬৫), বাকপ্রতিবন্ধী দ্রপতি চৌধুরী (৬০) এবং শারীরিক প্রতিবন্ধী উত্তরা মন্ডল (৩৫)। বর্তমানে তাঁরা একটি ছোট সরকারি ঘরে গাদাগাদি করে বসবাস করছেন।

পাঁচ সদস্যের মধ্যে মাত্র তিনজন প্রতিবন্ধী ভাতা পান, যা দিয়ে এই দুর্মূল্যের বাজারে খাবার ও চিকিৎসার খরচ চালানো একেবারেই অসম্ভব। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি বুদ্ধিশ্বর মন্ডল বাজারে ঝাড়ুদারের কাজ করে সামান্য আয় করেন, তা দিয়েই কোনোমতে পরিবারের মুখে খাবার তুলে দেওয়ার চেষ্টা করছেন।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান কল্লোল কুমার বসু পরিবারটির খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন। এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগী পরিবারটি সরকারি সহায়তার পাশাপাশি সমাজের সামর্থ্যবান ব্যক্তি ও মানবিক প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে সহায়তার আবেদন জানিয়েছেন।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত