বান্দরবানে উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা। পাহাড়ি এই জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৩৫ জন রোগী। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বান্দরবান সদর হাসপাতালেই ডেঙ্গু নিয়ে ভর্তি হয়েছেন ১৯ জন। এ নিয়ে চলতি বছরে জেলার রুমা, রোয়াংছড়ি, থানচি, লামা, আলীকদম ও নাইক্ষ্যংছড়িসহ সাত উপজেলায় মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল ১ হাজার ২৪ জনে।
এদিকে হঠাৎ রোগীর চাপ বেড়ে যাওয়ায় বান্দরবান সদর হাসপাতালসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চরম শয্যাসংকট দেখা দিয়েছে। হাসপাতালে সিট না থাকায় বাধ্য হয়ে অনেক রোগীকে মেঝেতে রেখেই চিকিৎসা দিতে হচ্ছে। পাশাপাশি পর্যাপ্ত চিকিৎসক না থাকায় অতিরিক্ত রোগীর চিকিৎসা সেবা সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এতে চিকিৎসা নিতে আসা সাধারণ রোগীদের মারাত্মক ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে।
স্বাস্থ্য বিভাগের চিকিৎসকেরা জানান, পাহাড়ি অঞ্চলে থেমে থেমে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় এডিস মশার প্রজনন ব্যাপকভাবে বেড়েছে। ফলে প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ নতুন করে ডেঙ্গু ভাইরাসে আক্রান্ত হচ্ছেন। চিকিৎসকদের পরামর্শ, ডেঙ্গু নিয়ে আতঙ্কিত না হয়ে সবাইকে বাড়ির চারপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে এবং কোথাও পানি জমতে দেওয়া যাবে না। সেই সঙ্গে জ্বরসহ ডেঙ্গুর কোনো লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা নেওয়ার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে।

মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বান্দরবানে উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা। পাহাড়ি এই জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৩৫ জন রোগী। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বান্দরবান সদর হাসপাতালেই ডেঙ্গু নিয়ে ভর্তি হয়েছেন ১৯ জন। এ নিয়ে চলতি বছরে জেলার রুমা, রোয়াংছড়ি, থানচি, লামা, আলীকদম ও নাইক্ষ্যংছড়িসহ সাত উপজেলায় মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল ১ হাজার ২৪ জনে।
এদিকে হঠাৎ রোগীর চাপ বেড়ে যাওয়ায় বান্দরবান সদর হাসপাতালসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চরম শয্যাসংকট দেখা দিয়েছে। হাসপাতালে সিট না থাকায় বাধ্য হয়ে অনেক রোগীকে মেঝেতে রেখেই চিকিৎসা দিতে হচ্ছে। পাশাপাশি পর্যাপ্ত চিকিৎসক না থাকায় অতিরিক্ত রোগীর চিকিৎসা সেবা সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এতে চিকিৎসা নিতে আসা সাধারণ রোগীদের মারাত্মক ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে।
স্বাস্থ্য বিভাগের চিকিৎসকেরা জানান, পাহাড়ি অঞ্চলে থেমে থেমে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় এডিস মশার প্রজনন ব্যাপকভাবে বেড়েছে। ফলে প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ নতুন করে ডেঙ্গু ভাইরাসে আক্রান্ত হচ্ছেন। চিকিৎসকদের পরামর্শ, ডেঙ্গু নিয়ে আতঙ্কিত না হয়ে সবাইকে বাড়ির চারপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে এবং কোথাও পানি জমতে দেওয়া যাবে না। সেই সঙ্গে জ্বরসহ ডেঙ্গুর কোনো লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা নেওয়ার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন