রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলায় ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির এক প্রতিনিধির বিরুদ্ধে সাধারণ গ্রাহকদের ২০ লক্ষাধিক টাকা আত্মসাৎ ও প্রতারণার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। প্রতারণার শিকার ভুক্তভোগী গ্রাহকেরা এ ঘটনার প্রতিকার ও টাকা উদ্ধারের দাবিতে মানববন্ধন এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ও বালিয়াকান্দি থানা বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের নারায়ণপুর গ্রামের শফিকুল ইসলাম দীর্ঘ ১০ বছর ধরে ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের প্রতিনিধি সেজে এলাকার মানুষের কাছ থেকে বীমার কিস্তির টাকা সংগ্রহ করে আসছিলেন। সম্প্রতি গ্রাহকদের বীমার মেয়াদ পূর্ণ হলেও তিনি জমানো টাকা বুঝিয়ে না দিয়ে তালবাহানা শুরু করেন।
ভুক্তভোগীরা জানান, গত এক সপ্তাহ ধরে ওই প্রতিনিধি আত্মগোপনে রয়েছেন এবং তার বাড়িতে গিয়েও কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না। তিলে তিলে সঞ্চয় করা কষ্টের টাকা ফেরত না পেয়ে বর্তমানে অক্ষয় চন্দ্র বিশ্বাস, বিনা বেগম, রেজিয়া, মনজিলা ও কিয়ামুদ্দিনসহ একাধিক ভুক্তভোগী চরম অসহায় ও দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। তারা অবিলম্বে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ ও টাকা উদ্ধারে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।
এ বিষয়ে বালিয়াকান্দি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুর রব তালুকদার জানান, লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে এবং বিষয়টি গুরুত্বের সাথে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলায় ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির এক প্রতিনিধির বিরুদ্ধে সাধারণ গ্রাহকদের ২০ লক্ষাধিক টাকা আত্মসাৎ ও প্রতারণার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। প্রতারণার শিকার ভুক্তভোগী গ্রাহকেরা এ ঘটনার প্রতিকার ও টাকা উদ্ধারের দাবিতে মানববন্ধন এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ও বালিয়াকান্দি থানা বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের নারায়ণপুর গ্রামের শফিকুল ইসলাম দীর্ঘ ১০ বছর ধরে ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের প্রতিনিধি সেজে এলাকার মানুষের কাছ থেকে বীমার কিস্তির টাকা সংগ্রহ করে আসছিলেন। সম্প্রতি গ্রাহকদের বীমার মেয়াদ পূর্ণ হলেও তিনি জমানো টাকা বুঝিয়ে না দিয়ে তালবাহানা শুরু করেন।
ভুক্তভোগীরা জানান, গত এক সপ্তাহ ধরে ওই প্রতিনিধি আত্মগোপনে রয়েছেন এবং তার বাড়িতে গিয়েও কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না। তিলে তিলে সঞ্চয় করা কষ্টের টাকা ফেরত না পেয়ে বর্তমানে অক্ষয় চন্দ্র বিশ্বাস, বিনা বেগম, রেজিয়া, মনজিলা ও কিয়ামুদ্দিনসহ একাধিক ভুক্তভোগী চরম অসহায় ও দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। তারা অবিলম্বে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ ও টাকা উদ্ধারে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।
এ বিষয়ে বালিয়াকান্দি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুর রব তালুকদার জানান, লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে এবং বিষয়টি গুরুত্বের সাথে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন