যান্ত্রিক ত্রুটি সারিয়ে দীর্ঘ ১২ দিন পর আবারও উৎপাদনে সরকারি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান চট্টগ্রাম ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিমিটেড (সিইউএফএল)। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টার দিকে কারখানাটিতে পুনরায় সার উৎপাদন শুরু হয়েছে।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি সংবাদমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন সিইউএফএলের উৎপাদন বিভাগের মহাব্যবস্থাপক (জিএম) উত্তম চৌধুরী।
সিইউএফএল সূত্র জানায়, গ্যাস সংকটের কারণে চলতি বছরের ৪ মার্চ থেকে দীর্ঘ ছয় মাস কারখানাটির উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ ছিল। পরবর্তীতে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হলে গত ১৫ সেপ্টেম্বর পুনরায় উৎপাদন শুরু হয়। তবে চালুর মাত্র ৪৮ ঘণ্টার মাথায় যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ১৭ সেপ্টেম্বর ভোরে কারখানাটি আবার বন্ধ হয়ে যায়। টানা ১২ দিন ধরে মেরামত ও ত্রুটি নিরসনের কাজ শেষে মঙ্গলবার বিকেলে সার উৎপাদন ফের চালু করতে সক্ষম হয় কর্তৃপক্ষ।
সিইউএফএল কর্তৃপক্ষ জানায়, ৪০ বছরের পুরোনো এই কারখানাটি চালু থাকলে প্রতিদিন প্রায় ৫০০ টন অ্যামোনিয়া এবং ১ হাজার ৭০০ মেট্রিক টন ইউরিয়া সার উৎপাদনের সক্ষমতা রয়েছে। দীর্ঘ দিন উৎপাদন বন্ধ থাকায় প্রতিদিন সরকারের ৩ কোটি টাকার বেশি লোকসান হয়েছে।
উৎপাদন বিভাগের মহাব্যবস্থাপক উত্তম চৌধুরী বলেন, ‘চলতি বছরের ৪ মার্চ গ্যাস সংকটের কারণে কারখানাটির উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। দীর্ঘদিন পর গ্যাস পেয়ে এবং প্রাথমিক ত্রুটি কাটিয়ে ১৫ সেপ্টেম্বর উৎপাদন শুরু করেছিলাম। প্রথমে অ্যামোনিয়া এবং পরে ধাপে ধাপে ইউরিয়া প্ল্যান্ট চালু করা হয়। কিন্তু দুদিন পরেই যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ১৭ সেপ্টেম্বর ভোরে আবারও উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। দীর্ঘ ১২ দিন কারিগরি দল কাজ করে ত্রুটি নিরসন করার পর মঙ্গলবার বিকেলে আমরা উৎপাদনে ফিরেছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘সিইউএফএল ৪০ বছরের পুরোনো একটি কারখানা। ফলে কখন কী ধরনের যান্ত্রিক গোলযোগ দেখা দেবে, তার আগাম নিশ্চয়তা দেওয়া কঠিন। কারখানাটির কিছু নিজস্ব কারিগরি সমস্যা রয়েছে, যা ধাপে ধাপে সমাধানের চেষ্টা চলছে। গ্যাস সরবরাহ ঠিক থাকলে এবং নিরবচ্ছিন্ন উৎপাদন ধরে রাখতে পারলে চলতি অর্থবছরে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছানো সম্ভব হবে।’
কারখানা সূত্র আরও জানায়, পুরোনো হওয়ায় গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলেও আকস্মিক যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিয়ে উৎপাদন থমকে যায় এবং তা মেরামত করে উৎপাদনে ফিরতে বেশ সময় লেগে যায়। এছাড়া সময়ের সঙ্গে সঙ্গে কারখানাটির সার্বিক উৎপাদন সক্ষমতাও আগের তুলনায় কিছুটা হ্রাস পেয়েছে।

বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
যান্ত্রিক ত্রুটি সারিয়ে দীর্ঘ ১২ দিন পর আবারও উৎপাদনে সরকারি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান চট্টগ্রাম ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিমিটেড (সিইউএফএল)। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টার দিকে কারখানাটিতে পুনরায় সার উৎপাদন শুরু হয়েছে।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি সংবাদমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন সিইউএফএলের উৎপাদন বিভাগের মহাব্যবস্থাপক (জিএম) উত্তম চৌধুরী।
সিইউএফএল সূত্র জানায়, গ্যাস সংকটের কারণে চলতি বছরের ৪ মার্চ থেকে দীর্ঘ ছয় মাস কারখানাটির উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ ছিল। পরবর্তীতে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হলে গত ১৫ সেপ্টেম্বর পুনরায় উৎপাদন শুরু হয়। তবে চালুর মাত্র ৪৮ ঘণ্টার মাথায় যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ১৭ সেপ্টেম্বর ভোরে কারখানাটি আবার বন্ধ হয়ে যায়। টানা ১২ দিন ধরে মেরামত ও ত্রুটি নিরসনের কাজ শেষে মঙ্গলবার বিকেলে সার উৎপাদন ফের চালু করতে সক্ষম হয় কর্তৃপক্ষ।
সিইউএফএল কর্তৃপক্ষ জানায়, ৪০ বছরের পুরোনো এই কারখানাটি চালু থাকলে প্রতিদিন প্রায় ৫০০ টন অ্যামোনিয়া এবং ১ হাজার ৭০০ মেট্রিক টন ইউরিয়া সার উৎপাদনের সক্ষমতা রয়েছে। দীর্ঘ দিন উৎপাদন বন্ধ থাকায় প্রতিদিন সরকারের ৩ কোটি টাকার বেশি লোকসান হয়েছে।
উৎপাদন বিভাগের মহাব্যবস্থাপক উত্তম চৌধুরী বলেন, ‘চলতি বছরের ৪ মার্চ গ্যাস সংকটের কারণে কারখানাটির উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। দীর্ঘদিন পর গ্যাস পেয়ে এবং প্রাথমিক ত্রুটি কাটিয়ে ১৫ সেপ্টেম্বর উৎপাদন শুরু করেছিলাম। প্রথমে অ্যামোনিয়া এবং পরে ধাপে ধাপে ইউরিয়া প্ল্যান্ট চালু করা হয়। কিন্তু দুদিন পরেই যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ১৭ সেপ্টেম্বর ভোরে আবারও উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। দীর্ঘ ১২ দিন কারিগরি দল কাজ করে ত্রুটি নিরসন করার পর মঙ্গলবার বিকেলে আমরা উৎপাদনে ফিরেছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘সিইউএফএল ৪০ বছরের পুরোনো একটি কারখানা। ফলে কখন কী ধরনের যান্ত্রিক গোলযোগ দেখা দেবে, তার আগাম নিশ্চয়তা দেওয়া কঠিন। কারখানাটির কিছু নিজস্ব কারিগরি সমস্যা রয়েছে, যা ধাপে ধাপে সমাধানের চেষ্টা চলছে। গ্যাস সরবরাহ ঠিক থাকলে এবং নিরবচ্ছিন্ন উৎপাদন ধরে রাখতে পারলে চলতি অর্থবছরে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছানো সম্ভব হবে।’
কারখানা সূত্র আরও জানায়, পুরোনো হওয়ায় গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলেও আকস্মিক যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিয়ে উৎপাদন থমকে যায় এবং তা মেরামত করে উৎপাদনে ফিরতে বেশ সময় লেগে যায়। এছাড়া সময়ের সঙ্গে সঙ্গে কারখানাটির সার্বিক উৎপাদন সক্ষমতাও আগের তুলনায় কিছুটা হ্রাস পেয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন