গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (গোবিপ্রবি) প্রায় ৯ হাজার শিক্ষার্থীর কাছ থেকে বছরে দুবার সেমিস্টার ফি বাবদ মোট ৩৬ লাখ টাকা মেডিকেল ফি নেওয়া হলেও কাঙ্ক্ষিত সেবা না পাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। পর্যাপ্ত ওষুধ না মেলা এবং বিকেল চারটার পর সেবা বন্ধ থাকার প্রতিবাদে আয়-ব্যয়ের স্বচ্ছ হিসাব প্রকাশ ও বাধ্যতামূলক ফি বাতিলসহ ছয় দফা দাবি জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ফি ও সরকারি বরাদ্দ থাকা সত্ত্বেও মেডিকেল সেন্টারে গেলে শুধু সীমিতসংখ্যক ওষুধ বা প্যারাসিটামল দেওয়া হয়। ফলে রাতে বা জরুরি মুহূর্তে বাধ্য হয়ে বাইরের হাসপাতালে যেতে হয়। তারা আয়-ব্যয়ের হিসাব প্রকাশ, নিয়মিত ওষুধ সরবরাহ, ৫-১০ টাকার টিকিটে চিকিৎসা নতুবা ফি ঐচ্ছিক করার দাবি জানান। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দাবি পূরণ না হলে তথ্য অধিকার আইনে আবেদন ও কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দেন তারা।
তবে ওষুধ সংকটের কথা অস্বীকার করে মেডিকেল কর্মকর্তা নিখন চন্দ্র বালা জানান, সেন্টারে ১৫ ধরনের ওষুধ রয়েছে। মেডিকেল টিমের কর্মকর্তা সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. আসলাম জানান, ফি ফেরতের সুযোগ না থাকলেও শীঘ্রই স্বল্পমূল্যে ডেঙ্গুসহ বিভিন্ন পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এ বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. সোহেল হাসান জানান, মেডিকেল টিমের সঙ্গে কথা বলে চিহ্নিত সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (গোবিপ্রবি) প্রায় ৯ হাজার শিক্ষার্থীর কাছ থেকে বছরে দুবার সেমিস্টার ফি বাবদ মোট ৩৬ লাখ টাকা মেডিকেল ফি নেওয়া হলেও কাঙ্ক্ষিত সেবা না পাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। পর্যাপ্ত ওষুধ না মেলা এবং বিকেল চারটার পর সেবা বন্ধ থাকার প্রতিবাদে আয়-ব্যয়ের স্বচ্ছ হিসাব প্রকাশ ও বাধ্যতামূলক ফি বাতিলসহ ছয় দফা দাবি জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ফি ও সরকারি বরাদ্দ থাকা সত্ত্বেও মেডিকেল সেন্টারে গেলে শুধু সীমিতসংখ্যক ওষুধ বা প্যারাসিটামল দেওয়া হয়। ফলে রাতে বা জরুরি মুহূর্তে বাধ্য হয়ে বাইরের হাসপাতালে যেতে হয়। তারা আয়-ব্যয়ের হিসাব প্রকাশ, নিয়মিত ওষুধ সরবরাহ, ৫-১০ টাকার টিকিটে চিকিৎসা নতুবা ফি ঐচ্ছিক করার দাবি জানান। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দাবি পূরণ না হলে তথ্য অধিকার আইনে আবেদন ও কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দেন তারা।
তবে ওষুধ সংকটের কথা অস্বীকার করে মেডিকেল কর্মকর্তা নিখন চন্দ্র বালা জানান, সেন্টারে ১৫ ধরনের ওষুধ রয়েছে। মেডিকেল টিমের কর্মকর্তা সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. আসলাম জানান, ফি ফেরতের সুযোগ না থাকলেও শীঘ্রই স্বল্পমূল্যে ডেঙ্গুসহ বিভিন্ন পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এ বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. সোহেল হাসান জানান, মেডিকেল টিমের সঙ্গে কথা বলে চিহ্নিত সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন