সংবাদ

আইফোন ডুওর স্ক্রিন ভাঙলে খরচ কত ?


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৩৮ পিএম

আইফোন ডুওর স্ক্রিন ভাঙলে খরচ কত ?

ভাঁজ করা আইফোন কেনার আগ্রহ থাকলেও দামি এই ডিভাইস দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত হলে মেরামতের খরচ নিয়ে চিন্তা থাকতেই পারে। তাই অ্যাপলের প্রথম ফোল্ডেবল আইফোন হিসেবে আলোচনায় থাকা ‘আইফোন ডুও’ কেনার ক্ষেত্রে ফোনের দামের পাশাপাশি অ্যাপল কেয়ার+ পরিষেবার খরচ ও সুবিধা জানা গুরুত্বপূর্ণ।

২০২৬ সালের অক্টোবরে ভারতে আইফোন ডুও বিক্রি শুরু হওয়ার কথা। ফোনটির প্রারম্ভিক দাম ধরা হয়েছে ২ লাখ ৯৯ হাজার ৯০০ টাকা। এ অবস্থায় দুর্ঘটনাজনিত ক্ষতির পর মেরামতের ব্যয়ও ক্রেতাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

কেয়ার+ নিতে খরচ প্রায় ৫১ হাজার টাকা

আইফোন ডুও কেনার সময় অতিরিক্ত প্রায় ৫১ হাজার টাকা দিয়ে অ্যাপল কেয়ার+ নেওয়ার সুযোগ থাকবে। এই পরিষেবার আওতায় দুর্ঘটনাজনিত ক্ষতি বা নির্দিষ্ট সমস্যায় তুলনামূলক কম খরচে মেরামতের সুবিধা পাওয়া যাবে।

ফোনটিতে রয়েছে দুটি ডিসপ্লে—একটি বাইরের এবং অন্যটি ফোন খুললে সামনে থাকা বড় স্ক্রিন। কেয়ার+ থাকলে ক্ষতির ধরন অনুযায়ী মেরামতের খরচও নির্ধারিত থাকবে।

ডিসপ্লে ক্ষতিগ্রস্ত হলে

অ্যাপল কেয়ার+ থাকলে আইফোন ডুওর বাইরের ডিসপ্লে ক্ষতিগ্রস্ত হলে মেরামতে খরচ হতে পারে প্রায় ২ হাজার ৫০০ টাকা।

অন্যদিকে, ফোনের ভেতরের বড় ডিসপ্লেতে সমস্যা হলে সেটি পরিবর্তনে খরচ নির্ধারিত রয়েছে প্রায় ৮ হাজার ৯০০ টাকা।

অন্য অংশের ক্ষতিতেও সুবিধা

শুধু ডিসপ্লে নয়, দুর্ঘটনায় ফোনের অন্যান্য অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হলেও নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে অ্যাপল কেয়ার+ কাজে আসতে পারে। কভারেজের আওতায় থাকা দুর্ঘটনাজনিত ক্ষতির ক্ষেত্রে প্রায় ৮ হাজার ৯০০ টাকায় মেরামতের সুবিধা পাওয়া যাবে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ছাড়া ফোনের পেছনের কাচ ভেঙে গেলেও প্রায় ২ হাজার ৫০০ টাকা খরচে মেরামতের সুযোগ থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

ফোন হারিয়ে গেলে বা চুরি হলে

আইফোন ডুও হারিয়ে গেলে কিংবা চুরি হয়ে গেলেও অ্যাপল কেয়ার+ থেকে অতিরিক্ত সুবিধা পাওয়ার সুযোগ থাকতে পারে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এমন পরিস্থিতিতে প্রায় ১৫ হাজার টাকা দিয়ে নতুন একটি ডিভাইস পাওয়ার সুযোগ থাকবে। তবে এ সুবিধার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট শর্ত প্রযোজ্য হতে পারে।

কেয়ার+ না থাকলে খরচ বাড়তে পারে

অ্যাপল কেয়ার+ ছাড়া আইফোন ডুওর মেরামতের ব্যয় তুলনামূলকভাবে বেশি হতে পারে। বিশেষ করে ফোল্ডেবল ফোনের গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যয়বহুল অংশ ডিসপ্লে ক্ষতিগ্রস্ত হলে খরচ অনেকটা বেড়ে যেতে পারে।

প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, কেয়ার+ ছাড়া ডিসপ্লে মেরামতে প্রায় দেড় লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ হতে পারে। তবে এই অঙ্কের বিষয়ে অ্যাপলের আনুষ্ঠানিক নিশ্চিত তথ্য এখনো প্রকাশিত হয়নি।

শুধু ফোনের দাম নয়, সেবার খরচও বিবেচনায়

আইফোন ডুওর প্রারম্ভিক দাম প্রায় ৩ লাখ টাকা হলেও বিক্রি-পরবর্তী মেরামত ও সুরক্ষা পরিষেবার খরচও ক্রেতাদের বিবেচনায় রাখতে হবে। বিশেষ করে দুর্ঘটনায় ফোল্ডেবল ডিসপ্লে ক্ষতিগ্রস্ত হলে ব্যয়ের পার্থক্য উল্লেখযোগ্য হতে পারে। তাই ফোন কেনার আগে অ্যাপল কেয়ার+ নেওয়ার খরচ ও এর আওতাভুক্ত সুবিধাগুলো জানা গুরুত্বপূর্ণ।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬


আইফোন ডুওর স্ক্রিন ভাঙলে খরচ কত ?

প্রকাশের তারিখ : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

ভাঁজ করা আইফোন কেনার আগ্রহ থাকলেও দামি এই ডিভাইস দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত হলে মেরামতের খরচ নিয়ে চিন্তা থাকতেই পারে। তাই অ্যাপলের প্রথম ফোল্ডেবল আইফোন হিসেবে আলোচনায় থাকা ‘আইফোন ডুও’ কেনার ক্ষেত্রে ফোনের দামের পাশাপাশি অ্যাপল কেয়ার+ পরিষেবার খরচ ও সুবিধা জানা গুরুত্বপূর্ণ।

২০২৬ সালের অক্টোবরে ভারতে আইফোন ডুও বিক্রি শুরু হওয়ার কথা। ফোনটির প্রারম্ভিক দাম ধরা হয়েছে ২ লাখ ৯৯ হাজার ৯০০ টাকা। এ অবস্থায় দুর্ঘটনাজনিত ক্ষতির পর মেরামতের ব্যয়ও ক্রেতাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

কেয়ার+ নিতে খরচ প্রায় ৫১ হাজার টাকা

আইফোন ডুও কেনার সময় অতিরিক্ত প্রায় ৫১ হাজার টাকা দিয়ে অ্যাপল কেয়ার+ নেওয়ার সুযোগ থাকবে। এই পরিষেবার আওতায় দুর্ঘটনাজনিত ক্ষতি বা নির্দিষ্ট সমস্যায় তুলনামূলক কম খরচে মেরামতের সুবিধা পাওয়া যাবে।

ফোনটিতে রয়েছে দুটি ডিসপ্লে—একটি বাইরের এবং অন্যটি ফোন খুললে সামনে থাকা বড় স্ক্রিন। কেয়ার+ থাকলে ক্ষতির ধরন অনুযায়ী মেরামতের খরচও নির্ধারিত থাকবে।

ডিসপ্লে ক্ষতিগ্রস্ত হলে

অ্যাপল কেয়ার+ থাকলে আইফোন ডুওর বাইরের ডিসপ্লে ক্ষতিগ্রস্ত হলে মেরামতে খরচ হতে পারে প্রায় ২ হাজার ৫০০ টাকা।

অন্যদিকে, ফোনের ভেতরের বড় ডিসপ্লেতে সমস্যা হলে সেটি পরিবর্তনে খরচ নির্ধারিত রয়েছে প্রায় ৮ হাজার ৯০০ টাকা।

অন্য অংশের ক্ষতিতেও সুবিধা

শুধু ডিসপ্লে নয়, দুর্ঘটনায় ফোনের অন্যান্য অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হলেও নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে অ্যাপল কেয়ার+ কাজে আসতে পারে। কভারেজের আওতায় থাকা দুর্ঘটনাজনিত ক্ষতির ক্ষেত্রে প্রায় ৮ হাজার ৯০০ টাকায় মেরামতের সুবিধা পাওয়া যাবে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ছাড়া ফোনের পেছনের কাচ ভেঙে গেলেও প্রায় ২ হাজার ৫০০ টাকা খরচে মেরামতের সুযোগ থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

ফোন হারিয়ে গেলে বা চুরি হলে

আইফোন ডুও হারিয়ে গেলে কিংবা চুরি হয়ে গেলেও অ্যাপল কেয়ার+ থেকে অতিরিক্ত সুবিধা পাওয়ার সুযোগ থাকতে পারে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এমন পরিস্থিতিতে প্রায় ১৫ হাজার টাকা দিয়ে নতুন একটি ডিভাইস পাওয়ার সুযোগ থাকবে। তবে এ সুবিধার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট শর্ত প্রযোজ্য হতে পারে।

কেয়ার+ না থাকলে খরচ বাড়তে পারে

অ্যাপল কেয়ার+ ছাড়া আইফোন ডুওর মেরামতের ব্যয় তুলনামূলকভাবে বেশি হতে পারে। বিশেষ করে ফোল্ডেবল ফোনের গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যয়বহুল অংশ ডিসপ্লে ক্ষতিগ্রস্ত হলে খরচ অনেকটা বেড়ে যেতে পারে।

প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, কেয়ার+ ছাড়া ডিসপ্লে মেরামতে প্রায় দেড় লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ হতে পারে। তবে এই অঙ্কের বিষয়ে অ্যাপলের আনুষ্ঠানিক নিশ্চিত তথ্য এখনো প্রকাশিত হয়নি।

শুধু ফোনের দাম নয়, সেবার খরচও বিবেচনায়

আইফোন ডুওর প্রারম্ভিক দাম প্রায় ৩ লাখ টাকা হলেও বিক্রি-পরবর্তী মেরামত ও সুরক্ষা পরিষেবার খরচও ক্রেতাদের বিবেচনায় রাখতে হবে। বিশেষ করে দুর্ঘটনায় ফোল্ডেবল ডিসপ্লে ক্ষতিগ্রস্ত হলে ব্যয়ের পার্থক্য উল্লেখযোগ্য হতে পারে। তাই ফোন কেনার আগে অ্যাপল কেয়ার+ নেওয়ার খরচ ও এর আওতাভুক্ত সুবিধাগুলো জানা গুরুত্বপূর্ণ।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত