বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলায় জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের অভিযানে ২ হাজার ৪২টি মেয়াদোত্তীর্ণ ও অবৈধভাবে মজুত করা গ্যাস সিলিন্ডার জব্দ করা হয়েছে। জব্দ করা এসব গ্যাস সিলিন্ডারের আনুমানিক বাজারমূল্য ২১ লাখ ৮১ হাজার ২০০ টাকা।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার মোড়ে অবস্থিত ‘মেসার্স রোহান এন্টারপ্রাইজ’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানে অবৈধভাবে সিলিন্ডার মজুত ও মেয়াদোত্তীর্ণ সিলিন্ডার রাখার অপরাধে এই অভিযান চালানো হয়। ঘটনাটি নিশ্চিত করেছেন চিতলমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট খাদিজা আক্তার।
অভিযানকালে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটির মালিক মো. রিয়াদ মুন্সীকে দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
ইউএনও খাদিজা আক্তার জানান, মঙ্গলবার বিকেলে ডিবির সংবাদের ভিত্তিতে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, প্রতিষ্ঠানটির লাইসেন্স অনুযায়ী মাত্র ৪০টি গ্যাস সিলিন্ডার মজুত রাখার অনুমোদন রয়েছে। তবে তারা আইন লঙ্ঘন করে ২ হাজার ৪২টি সিলিন্ডার মজুত করে রেখেছিল। এর মধ্যে ১৭৪টি পূর্ণ এবং ১ হাজার ৮৬৮টি খালি সিলিন্ডার।
তিনি আরও জানান, বিপুল পরিমাণ সিলিন্ডার রাখার বিষয়ে সন্তোষজনক কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি ব্যবসায়ী। এছাড়া উদ্ধার সিলিন্ডারগুলোর মধ্যে অনেকের মেয়াদ ২০২২ ও ২০২৪ সালেই শেষ হয়ে গেছে। নিয়ম অনুযায়ী কোম্পানি থেকে রিফিল করে আনার কথা থাকলেও বাইরে থেকে অবৈধভাবে সিলিন্ডার রিফিল করা হতো। এসব অপরাধে পেট্রোলিয়াম আইন-২০১৬ এর ২০(১) ধারায় ব্যবসায়ীকে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।
চিতলমারী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মিলন কুমার ঘোষ জানান, অনুমোদনপ্রাপ্ত ৪০টি বাদে অতিরিক্ত সব সিলিন্ডার জব্দ করে থানায় আনা হয়েছে। সাজাপ্রাপ্ত অসাধু ব্যবসায়ী রিয়াদ মুন্সীকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
অভিযান পরিচালনাকালে চিতলমারী উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. নাঈম আশরাফ, চিতলমারী থানার এসআই সুজয় এবং চিতলমারী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন কর্মকর্তা মো. আবদুল ওয়াদুদ উপস্থিত ছিলেন।

বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ অক্টোবর ২০২৬
বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলায় জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের অভিযানে ২ হাজার ৪২টি মেয়াদোত্তীর্ণ ও অবৈধভাবে মজুত করা গ্যাস সিলিন্ডার জব্দ করা হয়েছে। জব্দ করা এসব গ্যাস সিলিন্ডারের আনুমানিক বাজারমূল্য ২১ লাখ ৮১ হাজার ২০০ টাকা।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার মোড়ে অবস্থিত ‘মেসার্স রোহান এন্টারপ্রাইজ’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানে অবৈধভাবে সিলিন্ডার মজুত ও মেয়াদোত্তীর্ণ সিলিন্ডার রাখার অপরাধে এই অভিযান চালানো হয়। ঘটনাটি নিশ্চিত করেছেন চিতলমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট খাদিজা আক্তার।
অভিযানকালে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটির মালিক মো. রিয়াদ মুন্সীকে দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
ইউএনও খাদিজা আক্তার জানান, মঙ্গলবার বিকেলে ডিবির সংবাদের ভিত্তিতে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, প্রতিষ্ঠানটির লাইসেন্স অনুযায়ী মাত্র ৪০টি গ্যাস সিলিন্ডার মজুত রাখার অনুমোদন রয়েছে। তবে তারা আইন লঙ্ঘন করে ২ হাজার ৪২টি সিলিন্ডার মজুত করে রেখেছিল। এর মধ্যে ১৭৪টি পূর্ণ এবং ১ হাজার ৮৬৮টি খালি সিলিন্ডার।
তিনি আরও জানান, বিপুল পরিমাণ সিলিন্ডার রাখার বিষয়ে সন্তোষজনক কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি ব্যবসায়ী। এছাড়া উদ্ধার সিলিন্ডারগুলোর মধ্যে অনেকের মেয়াদ ২০২২ ও ২০২৪ সালেই শেষ হয়ে গেছে। নিয়ম অনুযায়ী কোম্পানি থেকে রিফিল করে আনার কথা থাকলেও বাইরে থেকে অবৈধভাবে সিলিন্ডার রিফিল করা হতো। এসব অপরাধে পেট্রোলিয়াম আইন-২০১৬ এর ২০(১) ধারায় ব্যবসায়ীকে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।
চিতলমারী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মিলন কুমার ঘোষ জানান, অনুমোদনপ্রাপ্ত ৪০টি বাদে অতিরিক্ত সব সিলিন্ডার জব্দ করে থানায় আনা হয়েছে। সাজাপ্রাপ্ত অসাধু ব্যবসায়ী রিয়াদ মুন্সীকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
অভিযান পরিচালনাকালে চিতলমারী উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. নাঈম আশরাফ, চিতলমারী থানার এসআই সুজয় এবং চিতলমারী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন কর্মকর্তা মো. আবদুল ওয়াদুদ উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন