সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রায় ৬০ লাখ টাকা ব্যয়ে স্থাপন করা এস্কেলেটরটি আট বছরেও চালু হয়নি। দীর্ঘদিন অব্যবহৃত থাকায় এখন যন্ত্রটির বিভিন্ন অংশ নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। একই হাসপাতালে ১০টি লিফটের মধ্যে তিনটি অচল। যে কারণে সেখানে সেবা নিতে আসা মানুষকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। এ নিয়ে সংবাদ-এ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।
২০১৮ সালের দিকে রোগী, স্বজন, চিকিৎসক ও দর্শনার্থীদের চলাচলের সুবিধার জন্য এস্কেলেটর ও ১০টি লিফট স্থাপন করা হয়। এস্কেলেটরটি স্থাপনের পর এক দিনও ব্যবহার করা যায়নি। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সমস্যার সমাধানের জন্য স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরকে একাধিকবার চিঠি দিয়েছে। তারপরও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
৫০০ শয্যার এই হাসপাতালে প্রতিদিন দেড় থেকে দুই হাজার মানুষ যাতায়াত করেন। ভবনটি ১০ তলা হওয়ায় লিফটের ওপর নির্ভরতা বেশি। তিনটি লিফট বন্ধ থাকায় সচল লিফটগুলোতে চাপ বাড়ছে। এতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়ছেন গুরুতর অসুস্থ রোগী, বয়স্ক ও প্রতিবন্ধী মানুষ। চিকিৎসক, নার্স ও কর্মচারীদেরও সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।
হাসপাতালটিতে ১০টি লিফট থাকার পরও প্রায় সাড়ে ৫৯ লাখ টাকা ব্যয়ে এস্কেলেটর স্থাপন করা হয়েছিল। স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তা নিজেই বলেছেন, এতগুলো লিফট থাকা অবস্থায় এস্কেলেটরটি তুলনামূলকভাবে অপ্রয়োজনীয় ছিল। তাহলে কেন এটি স্থাপন করা হলো, সেই প্রশ্নের উত্তর জানা দরকার।
সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের এস্কেলেটরটি দ্রুত পরীক্ষা করে সম্ভব হলে চালু করতে হবে। বিকল লিফটগুলোও দ্রুত মেরামত করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে কেন এত বছর ধরে একটি মূল্যবান যন্ত্র অব্যবহৃত পড়ে রইল, তার কারণ খুঁজে বের করতে হবে।

বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ অক্টোবর ২০২৬
সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রায় ৬০ লাখ টাকা ব্যয়ে স্থাপন করা এস্কেলেটরটি আট বছরেও চালু হয়নি। দীর্ঘদিন অব্যবহৃত থাকায় এখন যন্ত্রটির বিভিন্ন অংশ নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। একই হাসপাতালে ১০টি লিফটের মধ্যে তিনটি অচল। যে কারণে সেখানে সেবা নিতে আসা মানুষকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। এ নিয়ে সংবাদ-এ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।
২০১৮ সালের দিকে রোগী, স্বজন, চিকিৎসক ও দর্শনার্থীদের চলাচলের সুবিধার জন্য এস্কেলেটর ও ১০টি লিফট স্থাপন করা হয়। এস্কেলেটরটি স্থাপনের পর এক দিনও ব্যবহার করা যায়নি। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সমস্যার সমাধানের জন্য স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরকে একাধিকবার চিঠি দিয়েছে। তারপরও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
৫০০ শয্যার এই হাসপাতালে প্রতিদিন দেড় থেকে দুই হাজার মানুষ যাতায়াত করেন। ভবনটি ১০ তলা হওয়ায় লিফটের ওপর নির্ভরতা বেশি। তিনটি লিফট বন্ধ থাকায় সচল লিফটগুলোতে চাপ বাড়ছে। এতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়ছেন গুরুতর অসুস্থ রোগী, বয়স্ক ও প্রতিবন্ধী মানুষ। চিকিৎসক, নার্স ও কর্মচারীদেরও সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।
হাসপাতালটিতে ১০টি লিফট থাকার পরও প্রায় সাড়ে ৫৯ লাখ টাকা ব্যয়ে এস্কেলেটর স্থাপন করা হয়েছিল। স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তা নিজেই বলেছেন, এতগুলো লিফট থাকা অবস্থায় এস্কেলেটরটি তুলনামূলকভাবে অপ্রয়োজনীয় ছিল। তাহলে কেন এটি স্থাপন করা হলো, সেই প্রশ্নের উত্তর জানা দরকার।
সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের এস্কেলেটরটি দ্রুত পরীক্ষা করে সম্ভব হলে চালু করতে হবে। বিকল লিফটগুলোও দ্রুত মেরামত করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে কেন এত বছর ধরে একটি মূল্যবান যন্ত্র অব্যবহৃত পড়ে রইল, তার কারণ খুঁজে বের করতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন