বাংলাদেশে মানুষের গড় আয়ু বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রবীণ জনগোষ্ঠীর সংখ্যাও বাড়ছে। তাঁদের বড় একটি অংশ বাস করেন গ্রামাঞ্চলে, যেখানে স্বাস্থ্যসেবা, অর্থনৈতিক পরিষেবা ও কাজের সুযোগ তুলনামূলক কম। ফলে প্রবীণদের প্রয়োজনীয় যত্ন ও সহায়তা নিশ্চিত করা দেশের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠছে। এর সঙ্গে যোগ হচ্ছে একাকী জীবনযাপন করা প্রবীণ মানুষের সংখ্যাও।
একটি গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, দেশের ৯৫ শতাংশ প্রবীণ ব্যক্তির বেশির ভাগই একাধিক স্বাস্থ্য জটিলতায় ভুগছেন। এতে স্বাস্থ্যব্যবস্থার ওপরও চাপ তৈরি হচ্ছে। আবার স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার পরও অনেকে একাকিত্বের মধ্যে জীবন কাটিয়ে মৃত্যুবরণ করেন। ফলে প্রবীণদের শারীরিক স্বাস্থ্যের পাশাপাশি তাঁদের সামাজিক ও মানসিক বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া জরুরি।
দেশে কত প্রবীণ
চিকিৎসাব্যবস্থার উন্নতি, পুষ্টিকর খাবার ও জীবনযাপনে পরিবর্তনসহ নানা কারণে মানুষের গড় আয়ু বাড়ছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর ২০২৩ সালের প্রতিবেদনে দেশের মানুষের গড় আয়ু ৭২ দশমিক ৪ বছর বলা হয়েছে।
অন্যদিকে ২০২৫ সালে জাতিসংঘের জনসংখ্যা তহবিলের এক প্রতিবেদনে বাংলাদেশের পুরুষদের গড় আয়ু ৭৪ এবং নারীদের ৭৭ বছর উল্লেখ করা হয়েছে।
দেশে ৬৫ বছরের বেশি বয়সী মানুষের হার এখন ৭ শতাংশে পৌঁছেছে। তবে ৬০ বছর বয়স থেকেই প্রবীণ হিসেবে গণনা করা হলে এই জনগোষ্ঠীর হার ৯ দশমিক ৫ শতাংশ। সে হিসাবে দেশে প্রবীণ মানুষের সংখ্যা ১ কোটি ৬৬ লাখের বেশি।
প্রবীণদের সুরক্ষা, বার্ধক্যজনিত সমস্যা ও অধিকার নিয়ে সচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে জাতিসংঘের উদ্যোগে ১৯৯১ সাল থেকে ১ অক্টোবর আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস হিসেবে পালিত হচ্ছে। বাংলাদেশে এ বছরের প্রতিপাদ্য ‘দীর্ঘ জীবনের জন্য নতুন ভাবনা’।
সাধারণ চিকিৎসার বাইরে বিশেষ যত্ন
এত বিপুলসংখ্যক প্রবীণকে সুস্থ রাখতে প্রয়োজন বিশেষ ধরনের স্বাস্থ্যসেবা। এ কারণে বয়স্কদের জন্য জেরিয়াট্রিক কেয়ার বা প্রবীণ স্বাস্থ্যসেবা এখন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
জেরিয়াট্রিক সিনড্রোম বলতে মানবদেহের সামগ্রিক কার্যক্ষমতা ধীরে ধীরে কমে যাওয়ার অবস্থাকে বোঝায়। বয়স বাড়ার সঙ্গে ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, কিডনি বৈকল্য, শ্বাসযন্ত্রের রোগ, হৃদ্রোগ, স্ট্রোক, হাড়ক্ষয়, স্মৃতিভ্রষ্টতা, ইনফেকশন, অপুষ্টি, ক্যানসার এবং প্রস্রাব-পায়খানা ধরে রাখতে না পারার মতো বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিতে পারে।
এ কারণে প্রবীণদের চিকিৎসায় সাধারণ রোগীদের মতো একই পদ্ধতি যথেষ্ট নয়। তাঁদের জন্য প্রয়োজন বিশেষায়িত সেবা, যত্ন ও সহমর্মিতা।
২০২১ সালে প্রকাশিত বিবিসি বাংলার একটি তালিকায় বলা হয়েছে, বাংলাদেশে প্রবীণদের মৃত্যুর প্রধান কারণ হৃদ্রোগ। এরপর রয়েছে ব্রেন স্ট্রোক, শ্বাসতন্ত্রের অসুখ, ডায়াবেটিস এবং কিডনি-সংক্রান্ত জটিলতা।
নিয়ম মেনে চলা জরুরি
বয়স বাড়ার সঙ্গে দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় নিয়ম মেনে চলার গুরুত্বও বাড়ে। সুষম ও সহজপাচ্য খাবারের পাশাপাশি পরিমিত শরীরচর্চা, প্রতিদিন ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা ঘুম এবং নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা জরুরি।
পুষ্টিবিদদের পরামর্শ অনুযায়ী খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ফিজিওথেরাপিতেও গুরুত্ব দিতে হবে। প্রবীণদের ক্ষেত্রে ঘুমের ওষুধ যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, কারণ এতে জটিলতা বাড়তে পারে।
খাবারে পুষ্টির ভারসাম্য
বয়স বাড়লে পেশিক্ষয় ঠেকাতে পর্যাপ্ত প্রোটিন প্রয়োজন। এ জন্য খাদ্যতালিকায় মাছ, ডিম, সবজি, ফলমূল, আঁশজাতীয় খাবার, বাদাম ও ভিটামিনসমৃদ্ধ খাবার রাখা দরকার।
অতিরিক্ত শর্করা ও চর্বিজাতীয় খাবার এড়িয়ে চলার পাশাপাশি হাড়ের ক্ষয় ঠেকাতে ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি গ্রহণের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। দুধ বা টক দই খাওয়া এবং প্রতিদিন বেলা ১১টা থেকে ২টার মধ্যে সূর্যের আলোতে থাকা উপকারী বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
একাকিত্বও গুরুত্বের সঙ্গে দেখতে হবে
প্রবীণদের যত্ন শুধু ওষুধ বা চিকিৎসার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। পরিবারের ব্যস্ততার কারণে অনেক সময় ঘরে থাকা বয়স্ক মা-বাবার সঙ্গে কথা বলার বা তাঁদের সময় দেওয়ার সুযোগ হয় না। এতে দীর্ঘদিন ধরে একাকিত্ব তৈরি হতে পারে।
তাই নিয়মিত ওষুধ এনে দেওয়ার পাশাপাশি প্রবীণ ব্যক্তিরা যেন নিজেদের অবহেলিত মনে না করেন, সেটিও নিশ্চিত করা প্রয়োজন। পারিবারিক ও সামাজিক সম্পর্ক দৃঢ় থাকলে মানসিক অবসাদ কমে।
বন্ধু, আত্মীয়স্বজন ও শিশুদের সঙ্গে সময় কাটানোর সুযোগ তৈরি করা যেতে পারে। তাঁদের সঙ্গে প্রতিদিন কিছু সময় কথা বলা, শিশুদের প্রবীণদের সঙ্গে সময় কাটাতে উৎসাহ দেওয়া এবং তাঁদের প্রয়োজনের কথা শোনা গুরুত্বপূর্ণ।
শহরের পার্ক বা ছাদবাগানে নিয়মিত নিয়ে যাওয়ার মতো অভ্যাসও প্রবীণদের ভালো রাখতে সহায়ক হতে পারে।
একই সঙ্গে নিয়মিত স্বাস্থ্যসেবা, কেয়ার হোম ও হসপিস সেন্টারের মাধ্যমে সমন্বিত জেরিয়াট্রিক কেয়ার সার্ভিস দেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে।
নিরাপদ রাখতে হবে বসবাসের জায়গা
প্রবীণদের আবাসস্থল নিরাপদ করাও দুর্ঘটনা এড়ানোর গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাঁদের ঘরে পর্যাপ্ত আলো-বাতাসের ব্যবস্থা থাকা প্রয়োজন।
ঘরের মেঝে ও সিঁড়ি পিচ্ছিল রাখা যাবে না। টয়লেটে রেলিং ব্যবহার করা যেতে পারে এবং মেঝে শুকনো রাখতে হবে। প্রয়োজনে অ্যান্টি-স্লিপ ম্যাট ব্যবহার করা যেতে পারে।
প্রবীণ জনগোষ্ঠীর সংখ্যা যখন বাড়ছে, তখন তাঁদের শারীরিক চিকিৎসার পাশাপাশি পুষ্টি, মানসিক সুস্থতা, পারিবারিক সংযোগ ও নিরাপদ জীবনযাপনের বিষয়গুলোতেও সমান গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।

বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ অক্টোবর ২০২৬
বাংলাদেশে মানুষের গড় আয়ু বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রবীণ জনগোষ্ঠীর সংখ্যাও বাড়ছে। তাঁদের বড় একটি অংশ বাস করেন গ্রামাঞ্চলে, যেখানে স্বাস্থ্যসেবা, অর্থনৈতিক পরিষেবা ও কাজের সুযোগ তুলনামূলক কম। ফলে প্রবীণদের প্রয়োজনীয় যত্ন ও সহায়তা নিশ্চিত করা দেশের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠছে। এর সঙ্গে যোগ হচ্ছে একাকী জীবনযাপন করা প্রবীণ মানুষের সংখ্যাও।
একটি গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, দেশের ৯৫ শতাংশ প্রবীণ ব্যক্তির বেশির ভাগই একাধিক স্বাস্থ্য জটিলতায় ভুগছেন। এতে স্বাস্থ্যব্যবস্থার ওপরও চাপ তৈরি হচ্ছে। আবার স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার পরও অনেকে একাকিত্বের মধ্যে জীবন কাটিয়ে মৃত্যুবরণ করেন। ফলে প্রবীণদের শারীরিক স্বাস্থ্যের পাশাপাশি তাঁদের সামাজিক ও মানসিক বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া জরুরি।
দেশে কত প্রবীণ
চিকিৎসাব্যবস্থার উন্নতি, পুষ্টিকর খাবার ও জীবনযাপনে পরিবর্তনসহ নানা কারণে মানুষের গড় আয়ু বাড়ছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর ২০২৩ সালের প্রতিবেদনে দেশের মানুষের গড় আয়ু ৭২ দশমিক ৪ বছর বলা হয়েছে।
অন্যদিকে ২০২৫ সালে জাতিসংঘের জনসংখ্যা তহবিলের এক প্রতিবেদনে বাংলাদেশের পুরুষদের গড় আয়ু ৭৪ এবং নারীদের ৭৭ বছর উল্লেখ করা হয়েছে।
দেশে ৬৫ বছরের বেশি বয়সী মানুষের হার এখন ৭ শতাংশে পৌঁছেছে। তবে ৬০ বছর বয়স থেকেই প্রবীণ হিসেবে গণনা করা হলে এই জনগোষ্ঠীর হার ৯ দশমিক ৫ শতাংশ। সে হিসাবে দেশে প্রবীণ মানুষের সংখ্যা ১ কোটি ৬৬ লাখের বেশি।
প্রবীণদের সুরক্ষা, বার্ধক্যজনিত সমস্যা ও অধিকার নিয়ে সচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে জাতিসংঘের উদ্যোগে ১৯৯১ সাল থেকে ১ অক্টোবর আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস হিসেবে পালিত হচ্ছে। বাংলাদেশে এ বছরের প্রতিপাদ্য ‘দীর্ঘ জীবনের জন্য নতুন ভাবনা’।
সাধারণ চিকিৎসার বাইরে বিশেষ যত্ন
এত বিপুলসংখ্যক প্রবীণকে সুস্থ রাখতে প্রয়োজন বিশেষ ধরনের স্বাস্থ্যসেবা। এ কারণে বয়স্কদের জন্য জেরিয়াট্রিক কেয়ার বা প্রবীণ স্বাস্থ্যসেবা এখন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
জেরিয়াট্রিক সিনড্রোম বলতে মানবদেহের সামগ্রিক কার্যক্ষমতা ধীরে ধীরে কমে যাওয়ার অবস্থাকে বোঝায়। বয়স বাড়ার সঙ্গে ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, কিডনি বৈকল্য, শ্বাসযন্ত্রের রোগ, হৃদ্রোগ, স্ট্রোক, হাড়ক্ষয়, স্মৃতিভ্রষ্টতা, ইনফেকশন, অপুষ্টি, ক্যানসার এবং প্রস্রাব-পায়খানা ধরে রাখতে না পারার মতো বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিতে পারে।
এ কারণে প্রবীণদের চিকিৎসায় সাধারণ রোগীদের মতো একই পদ্ধতি যথেষ্ট নয়। তাঁদের জন্য প্রয়োজন বিশেষায়িত সেবা, যত্ন ও সহমর্মিতা।
২০২১ সালে প্রকাশিত বিবিসি বাংলার একটি তালিকায় বলা হয়েছে, বাংলাদেশে প্রবীণদের মৃত্যুর প্রধান কারণ হৃদ্রোগ। এরপর রয়েছে ব্রেন স্ট্রোক, শ্বাসতন্ত্রের অসুখ, ডায়াবেটিস এবং কিডনি-সংক্রান্ত জটিলতা।
নিয়ম মেনে চলা জরুরি
বয়স বাড়ার সঙ্গে দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় নিয়ম মেনে চলার গুরুত্বও বাড়ে। সুষম ও সহজপাচ্য খাবারের পাশাপাশি পরিমিত শরীরচর্চা, প্রতিদিন ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা ঘুম এবং নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা জরুরি।
পুষ্টিবিদদের পরামর্শ অনুযায়ী খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ফিজিওথেরাপিতেও গুরুত্ব দিতে হবে। প্রবীণদের ক্ষেত্রে ঘুমের ওষুধ যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, কারণ এতে জটিলতা বাড়তে পারে।
খাবারে পুষ্টির ভারসাম্য
বয়স বাড়লে পেশিক্ষয় ঠেকাতে পর্যাপ্ত প্রোটিন প্রয়োজন। এ জন্য খাদ্যতালিকায় মাছ, ডিম, সবজি, ফলমূল, আঁশজাতীয় খাবার, বাদাম ও ভিটামিনসমৃদ্ধ খাবার রাখা দরকার।
অতিরিক্ত শর্করা ও চর্বিজাতীয় খাবার এড়িয়ে চলার পাশাপাশি হাড়ের ক্ষয় ঠেকাতে ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি গ্রহণের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। দুধ বা টক দই খাওয়া এবং প্রতিদিন বেলা ১১টা থেকে ২টার মধ্যে সূর্যের আলোতে থাকা উপকারী বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
একাকিত্বও গুরুত্বের সঙ্গে দেখতে হবে
প্রবীণদের যত্ন শুধু ওষুধ বা চিকিৎসার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। পরিবারের ব্যস্ততার কারণে অনেক সময় ঘরে থাকা বয়স্ক মা-বাবার সঙ্গে কথা বলার বা তাঁদের সময় দেওয়ার সুযোগ হয় না। এতে দীর্ঘদিন ধরে একাকিত্ব তৈরি হতে পারে।
তাই নিয়মিত ওষুধ এনে দেওয়ার পাশাপাশি প্রবীণ ব্যক্তিরা যেন নিজেদের অবহেলিত মনে না করেন, সেটিও নিশ্চিত করা প্রয়োজন। পারিবারিক ও সামাজিক সম্পর্ক দৃঢ় থাকলে মানসিক অবসাদ কমে।
বন্ধু, আত্মীয়স্বজন ও শিশুদের সঙ্গে সময় কাটানোর সুযোগ তৈরি করা যেতে পারে। তাঁদের সঙ্গে প্রতিদিন কিছু সময় কথা বলা, শিশুদের প্রবীণদের সঙ্গে সময় কাটাতে উৎসাহ দেওয়া এবং তাঁদের প্রয়োজনের কথা শোনা গুরুত্বপূর্ণ।
শহরের পার্ক বা ছাদবাগানে নিয়মিত নিয়ে যাওয়ার মতো অভ্যাসও প্রবীণদের ভালো রাখতে সহায়ক হতে পারে।
একই সঙ্গে নিয়মিত স্বাস্থ্যসেবা, কেয়ার হোম ও হসপিস সেন্টারের মাধ্যমে সমন্বিত জেরিয়াট্রিক কেয়ার সার্ভিস দেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে।
নিরাপদ রাখতে হবে বসবাসের জায়গা
প্রবীণদের আবাসস্থল নিরাপদ করাও দুর্ঘটনা এড়ানোর গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাঁদের ঘরে পর্যাপ্ত আলো-বাতাসের ব্যবস্থা থাকা প্রয়োজন।
ঘরের মেঝে ও সিঁড়ি পিচ্ছিল রাখা যাবে না। টয়লেটে রেলিং ব্যবহার করা যেতে পারে এবং মেঝে শুকনো রাখতে হবে। প্রয়োজনে অ্যান্টি-স্লিপ ম্যাট ব্যবহার করা যেতে পারে।
প্রবীণ জনগোষ্ঠীর সংখ্যা যখন বাড়ছে, তখন তাঁদের শারীরিক চিকিৎসার পাশাপাশি পুষ্টি, মানসিক সুস্থতা, পারিবারিক সংযোগ ও নিরাপদ জীবনযাপনের বিষয়গুলোতেও সমান গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।

আপনার মতামত লিখুন