টাঙ্গাইলের নাগরপুরে নিজের ঘরে চুরি ঠেকাতে গিয়ে চোরের উপর্যুপরি ছুরিকাঘাতে মজনু মিয়া (৫০) নামের এক গৃহস্থ নিহত হয়েছেন। এ সময় চোরকে বাধা দিতে গিয়ে আলতাফ ও নাজমুল নামের আরও দুই প্রতিবেশী আহত হয়েছেন। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ভোর রাতে উপজেলার বারাপুষা গ্রামে এই নৃশংস ঘটনা ঘটে। পরে জনতা ধাওয়া করে ঘাতক চোর ছামিনুর মিয়াকে (২৮) আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে।
নিহত মজনু মিয়া বারাপুষা গ্রামের মৃত বেল্লাল মিয়ার ছেলে। তিনি পেশায় ঢালাই মিস্ত্রির সহকারী ও তিন সন্তানের জনক ছিলেন।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বুধবার ভোর রাত সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার গয়হাটা গ্রামের মুন্নাফ মিয়ার ছেলে ছামিনুর মিয়া বারাপুষা গ্রামে মজনু মিয়ার বাড়িতে চুরি করতে ঢোকে। এ সময় গৃহকর্তার ছোট মেয়ে জুলেখা প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে ঘর থেকে বের হয়ে চোরকে দেখে চিৎকার দেয়। চোর ছামিনুর তখন একটি খড়ের গাদার পেছনে লুকানোর চেষ্টা করলে গৃহস্থ মজনু মিয়া তাকে জাপটে ধরেন। এ সময় ছামিনুর তার কাছে থাকা ধারালো ছুরি দিয়ে মজনুর ঘাড়ে ও গলায় এলোপাতাড়ি আঘাত করে। চিৎকার শুনে প্রতিবেশী আলতাফ ও নাজমুল বাঁচাতে এগিয়ে এলে চোর তাদেরও কুপিয়ে জখম করে। পরে আশপাশের লোকজন এসে আহতদের উদ্ধার করে নাগরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মজনু মিয়াকে মৃত ঘোষণা করেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ভারপ্রাপ্ত আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. মীর রকিবুল ইসলাম লীন জানান, চোরের চাকুর আঘাতে মজনু মিয়ার ‘ক্যারোটিড আর্টারি’ (গলার প্রধান রক্তনালি) কেটে যাওয়ায় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়েছে। অপর দুজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জহুরুল ইসলাম সংবাদকে বলেন, ‘ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। গণপিটুনিতে আহত ঘাতক চোর ছামিনুর মিয়াকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ পাহারায় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এ ঘটনায় একটি হত্যা মামলা দায়েরের আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।’

বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
টাঙ্গাইলের নাগরপুরে নিজের ঘরে চুরি ঠেকাতে গিয়ে চোরের উপর্যুপরি ছুরিকাঘাতে মজনু মিয়া (৫০) নামের এক গৃহস্থ নিহত হয়েছেন। এ সময় চোরকে বাধা দিতে গিয়ে আলতাফ ও নাজমুল নামের আরও দুই প্রতিবেশী আহত হয়েছেন। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ভোর রাতে উপজেলার বারাপুষা গ্রামে এই নৃশংস ঘটনা ঘটে। পরে জনতা ধাওয়া করে ঘাতক চোর ছামিনুর মিয়াকে (২৮) আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে।
নিহত মজনু মিয়া বারাপুষা গ্রামের মৃত বেল্লাল মিয়ার ছেলে। তিনি পেশায় ঢালাই মিস্ত্রির সহকারী ও তিন সন্তানের জনক ছিলেন।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বুধবার ভোর রাত সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার গয়হাটা গ্রামের মুন্নাফ মিয়ার ছেলে ছামিনুর মিয়া বারাপুষা গ্রামে মজনু মিয়ার বাড়িতে চুরি করতে ঢোকে। এ সময় গৃহকর্তার ছোট মেয়ে জুলেখা প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে ঘর থেকে বের হয়ে চোরকে দেখে চিৎকার দেয়। চোর ছামিনুর তখন একটি খড়ের গাদার পেছনে লুকানোর চেষ্টা করলে গৃহস্থ মজনু মিয়া তাকে জাপটে ধরেন। এ সময় ছামিনুর তার কাছে থাকা ধারালো ছুরি দিয়ে মজনুর ঘাড়ে ও গলায় এলোপাতাড়ি আঘাত করে। চিৎকার শুনে প্রতিবেশী আলতাফ ও নাজমুল বাঁচাতে এগিয়ে এলে চোর তাদেরও কুপিয়ে জখম করে। পরে আশপাশের লোকজন এসে আহতদের উদ্ধার করে নাগরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মজনু মিয়াকে মৃত ঘোষণা করেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ভারপ্রাপ্ত আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. মীর রকিবুল ইসলাম লীন জানান, চোরের চাকুর আঘাতে মজনু মিয়ার ‘ক্যারোটিড আর্টারি’ (গলার প্রধান রক্তনালি) কেটে যাওয়ায় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়েছে। অপর দুজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জহুরুল ইসলাম সংবাদকে বলেন, ‘ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। গণপিটুনিতে আহত ঘাতক চোর ছামিনুর মিয়াকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ পাহারায় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এ ঘটনায় একটি হত্যা মামলা দায়েরের আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।’

আপনার মতামত লিখুন