দেশের সীমিত সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করে কম সময় ও খরচে উৎপাদন বাড়াতে উদ্ভাবন, জ্ঞান ও দক্ষতার সুসমন্বয় ঘটানোর আহ্বান জানিয়েছেন শিল্প সচিব আব্দুন নাসের খান।
শুক্রবার (২ অক্টোবর) রাজধানীর মিরপুরে বিসিআইসি কলেজ প্রাঙ্গণে ‘জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে আয়োজিত শিক্ষার্থীদের ‘উদ্ভাবনী মেলা’র শুভ উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
শিল্প সচিব বলেন, বিদ্যমান সম্পদকে নিখুঁতভাবে কাজে লাগিয়ে কম খরচে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য অর্জন করাই হলো প্রকৃত উৎপাদনশীলতা। তরুণ প্রজন্মের মেধা ও সৃজনশীলতাকে কাজে লাগিয়ে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে হবে। মেলায় প্রদর্শিত শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন প্রজেক্টের প্রশংসা করে তিনি বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রয়োগ, বর্জ্য পুনর্ব্যবহার, বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও জৈব সার তৈরির মতো আইডিয়াগুলো দেশের মৌলিক সমস্যা সমাধানের সুনির্দিষ্ট বার্তা দিচ্ছে।
আব্দুন নাসের খান আরও উল্লেখ করেন, বর্তমান প্রজন্মের মূল দায়িত্ব হলো ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সঠিক পথ তৈরি করে দেওয়া। নতুনদের এমন একটি প্ল্যাটফর্ম বা সিঁড়ি তৈরি করে দিতে হবে, যা ব্যবহার করে তারা দেশকে আরও উন্নত অবস্থানে নিয়ে যেতে পারে।
অনুষ্ঠানে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. নুরুজ্জামান, বিসিক চেয়ারম্যান বেনজীর আহমেদসহ বিসিআইসি, বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশনের চেয়ারম্যান এবং কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। মেলায় শিক্ষার্থীদের তৈরি ৫০টি ভিন্নধর্মী উদ্ভাবনী স্টল স্থান পায়, যা উদ্বোধনের পর ঘুরে দেখেন অতিথিগণ।
/

শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ অক্টোবর ২০২৬
দেশের সীমিত সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করে কম সময় ও খরচে উৎপাদন বাড়াতে উদ্ভাবন, জ্ঞান ও দক্ষতার সুসমন্বয় ঘটানোর আহ্বান জানিয়েছেন শিল্প সচিব আব্দুন নাসের খান।
শুক্রবার (২ অক্টোবর) রাজধানীর মিরপুরে বিসিআইসি কলেজ প্রাঙ্গণে ‘জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে আয়োজিত শিক্ষার্থীদের ‘উদ্ভাবনী মেলা’র শুভ উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
শিল্প সচিব বলেন, বিদ্যমান সম্পদকে নিখুঁতভাবে কাজে লাগিয়ে কম খরচে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য অর্জন করাই হলো প্রকৃত উৎপাদনশীলতা। তরুণ প্রজন্মের মেধা ও সৃজনশীলতাকে কাজে লাগিয়ে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে হবে। মেলায় প্রদর্শিত শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন প্রজেক্টের প্রশংসা করে তিনি বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রয়োগ, বর্জ্য পুনর্ব্যবহার, বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও জৈব সার তৈরির মতো আইডিয়াগুলো দেশের মৌলিক সমস্যা সমাধানের সুনির্দিষ্ট বার্তা দিচ্ছে।
আব্দুন নাসের খান আরও উল্লেখ করেন, বর্তমান প্রজন্মের মূল দায়িত্ব হলো ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সঠিক পথ তৈরি করে দেওয়া। নতুনদের এমন একটি প্ল্যাটফর্ম বা সিঁড়ি তৈরি করে দিতে হবে, যা ব্যবহার করে তারা দেশকে আরও উন্নত অবস্থানে নিয়ে যেতে পারে।
অনুষ্ঠানে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. নুরুজ্জামান, বিসিক চেয়ারম্যান বেনজীর আহমেদসহ বিসিআইসি, বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশনের চেয়ারম্যান এবং কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। মেলায় শিক্ষার্থীদের তৈরি ৫০টি ভিন্নধর্মী উদ্ভাবনী স্টল স্থান পায়, যা উদ্বোধনের পর ঘুরে দেখেন অতিথিগণ।
/

আপনার মতামত লিখুন