সংবাদ

রম্যগদ্য: “কুলি কলঙ্কিনির কোলাকুলি...”


জাঁ-নেসার ওসমান
জাঁ-নেসার ওসমান
প্রকাশ: ২ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৪৪ পিএম

রম্যগদ্য: “কুলি কলঙ্কিনির কোলাকুলি...”

এইটা আবার কি বলচেন যে, কলঙ্কিনি তো কুলিকেও কলঙ্কিত করবে, তায়লে ওরা আবার কোলাকুলি করে কি প্রকারে! এমুন তাজ্জাবের কতাতো আমার বাপ দাদার চৌদ্দগুষ্টিও শোনেনি যে!

তোর বাপ দাদা চৌদ্দ্গুষ্টি কী শুনেছেন তা আমি জানি না। তবে এইটুকু জানি যে বর্তমানে কুলি আর কলঙ্কিনি মহানন্দে কোলাকুলি করে সারা বিশ্বে সাড়া ফেলেছে।

ভাই কলঙ্কিনি যদি কুলিরে ব্যাড়ায় ধরি কুলাকুলি করে, তায়লে কুলিওতো সারা দুনিয়ায় কলঙ্কিনির দোসর বইলা পরিচিত হোইবো! তায়লে কেউ ইচ্ছা করিনি কলঙ্কিনির বোঝা মাথায় লোইবো?

ভাইরে তোর যত আদিখ্যেতা! এই যে দেখিসনি ১৯৭১ সালের পরে, পাকিস্তান আমলের ট্রেনের হকার, মাইয়া গ্রুপের চা আনতো যে ছ্যারা মানে টি’বয়, তারপর “ডোরিনা” দর্জির দোকান দখলকারী, পর্দার দোকানের ফ্লোর মোছুনির

সন্তান, সব রাতারাতি ধনী হয়ে উঠলো...

যুদ্ধের পরে কিছু পাবলিক হক্কল টাইমেই কিছু সুবিধা পাইছে। এই লোই আন্নের মাতনের কিছু নাই। আন্নে দেখেন ন’, আন্নের ২০২৪-এর, অগাস্টের পর পাবলিকে ৬০০ কুটি ট্যাকার সুদ মাপ করি লোইছে! কতগুলার একটা সাইকেল আছিলো না, হ্যারা প্রাডো লোই ঘুরের! আর ১৯৭১ আছিলো যুদ্ধ। কিছু ওলট-পালট তো হোইবোই। 

আরে উড়ঝুড়ে বাঙাল, যেখানে দারিদ্রে তোর দেশের প্রায় ৫০ লক্ষ জনসাধারণ মারা পড়লো, আর একজন পৃথিবীর হ্যানো কোনো দুস্ককর্ম নেই যে করেনি, চুরি, ডাকাতি, গুম, খুন-জখম, রাহাজানি, ধর্ষণ-সমকামিতা, কোনো কিছুই বাদ দিসনি, সেই তোরা যখন ধনী হয়ে টাকার গরমে একে অপরের সাথে কোলাকুলি করে, দু’জনে লোক দ্যাখানো বন্ধুত্বের আড়ালে, শুভবুদ্ধির মানুষের উপর চোখ রাঙাস তখন ক্যামনটা লাগে!

আন্নে মিয়া জীবনে মানুষ হোইতেন ন’! এই যে, নেপালে বরফের বন্যা আসি ব্যাবাগতেরে পানির মইধ্যে চুবাইলো, হেই বন্যা কি, সৎ-অসৎ, কুবুদ্ধি-সুবুদ্ধি দেখিনি চুবনি দিছে! রাস্তার মইধ্যে যারে পাইছে হ্যাতেরে ধরি কোপাইছে, সিম্পেল। আন্নে ১৯৭১-এর যুদ্ধের পরে, পাকিস্তান আমলের ট্রেনের হকার, মাইয়া গ্রুপের, টি’বয়, তারপর, দোকান দখলকারী, পর্দার দোকানের ফ্লোর মোছুনির পোলা সব রাতারাতি বড়লোক। তো, এইসব বড়লোকরা যদি এক হোই, কুলাকুলি করি আন্নের তথাকথিত শুভোবুদ্ধি সম্পন্ন..., তো এইডার মইধ্যে আঁই তো কুনো দোষ দেখি না!

বাহ্ তাই বলে নৈতিকতা, পাড়া প্রতিবেশি, আত্মীয় স্বজন, জাতিভাই দেশবাসী কাউকেউ তুই ছাড় দিবি না, তোর নিজের স্বার্থে শত শত, হাজার হাজার, লক্ষ লক্ষ, কোটি কোটি মানুষের জীবন নিয়ে ছেলেখেলা কোরবি! 

ওম্মারে মা, এই কোইলেন, পাকিস্তান আমলের ট্রেনের হকার, মাইয়া গ্রুপের, টি’বয়, দোকান দখলকারী, পর্দার দোকানের ফ্লোর মোছুনির পোলা...

সত্যিকথা বলবো না? বাস্তবে তো তাই ঘটেছে...

“সত্যি কথা বলবো না? বাস্তবে তো তাই ঘটেছে...” আরে মিয়া আন্নেই কন ট্রেনের হকার, টি’বয়, দোকান দখলকারী, পর্দার দোকানের ফ্লোর মোছুনির পোলা, পাকিস্তান আমলে তো এইসব পোলাপানের কোনো শিক্ষাদীক্ষা আছিলোনা, এক এক লুকের সাত আটটা পোলা, হ্যেরা কুত্তার মতুন রাস্তা ঘাটে জন্মাইছে, হ্যেগো আবার নৈতিকতা, শুভবুদ্ধি, মানুষের প্রতি মানুষের ভালোবাসা! ফালতু কথা কোইতে লজ্জা করে না মিয়া! এইসব বগামিয়া, কালুমিয়া, লালুমিয়ার পোলারা ট্যাকা কামায়া ধনী হোইলে হ্যেরা তো কেবল, ডবল ডব্লিউ লয়া মৌজ ফুর্তি করবো, হ্যেগো টাইম কোই, পাড়া প্রতিবেশি, আত্মীয় স্বজন, জাতিভাই দেশবাসীর কথা চিন্তা করনের। যাগো সত্যিকার অর্থে দেশের চিন্তা করনের কথা, হ্যেরা তো মাল পায়াই খাল কাটতে ছুটলো, হ্যারাইতো আজ দেশের, দশের, জাতির বারটা বাজাইছে! হ্যাগোরে কিছু কয়া পারেন না, দোষ খালি ট্রেনের হকার, টি’বয়, দোকান দখলকারীর, পর্দার দোকানের ফ্লোর মোছুনির পোলার! 

বুঝিস না ক্যানো, সব জমিদারের ছেলেরা বামা পার্টি বানিয়ে গরীবের উপকারের নাম করে নিজেদের হারানো জমিদারি ফেরতেরে সুযোগ খুঁজছিলো, তাই যেই মন্ত্রিত্বের লোভ পেলো ব্যাস সাথে সাথে বিড়ালের নরম থাবার আড়ালের তীক্ষœ নখর বের করার মতো পুরো দলটার অস্তিত্ব বিলীন করে সুড়সুড়িয়ে ক্ষমতার ভোগ দখলে মত্ত। কিসের বামা পার্টি, কিসের উই শ্যাল ওভারকাম সাম ডে...মাল কামামু টু’ডে, বলে স্বৈরাচারের বাপ হয়ে জনগনকে দংশন শুরু।

কিন্তু গুরু আপনের বামা পার্টি হুনছি কোন মন্দিরের জমি দুই’দলে ভাগকরি হিন্দু-মুসলমানে মিলিমিশি খাইছে?

আরে মন্দিরের জমি দুই’দলে মিলিমিশি খাইছে, বলেইতো পাবলিক আজ সমাজ থেকে ওদের ঝেঁটিয়ে বিদায় করে, আস্তাকুঁড়ে মানে ডাষ্টবিনে ফেলেছে!

মাইনে বুজছেননি, বামা পার্টি কন আর বুর্জুয়া ক্যাপিটালিস্ট কন, মাল দেখলেই সব বেটায় টাল। হ্যাইডা, ট্রনের হকার, টি’বয়, দোকান দখলকারী, পর্দার দোকানের ফ্লোর মোছুনির পোলা যেই হোক, বিশ্বের ব্যেবাগতে মালের কাছে ধরা। মাল পাইলে শত শত পাবলিক পগারপার, আর মাল না পাইলে কেরানিগঞ্জের ঝাড়ুদার। মাল মাল করি আরে হ্যাতারা পুরা জাতিটারে, যাঁতাকলের তলে ফেলি ময়দা ডলন ডলের! শরম শরম...

শরম বল আর লজ্জা বল, কুন্ঠা বা হায়া, শরমভরম, ব্রীড়াবনত, মাথাহেঁট যে নামেই ডাকিস এই তথাকথিত নেতাগুলো, আমাদের দেশের, সহজ-সরল জনগনের অশিক্ষার কুশিক্ষার সুযোগে কেবলই নিজের আখের গুছিয়েছে আর আমাদের বংশ পরম্পরায়ে গুহার আঁধারে ঠেলে দিয়েছে, ধিক ধিক...

আমি আপনেরে কোইলাম, বাঙালরি মনে ধিকি ধিকি আগুন জ্বলের, বাঙালি আর একবার এক হোইলে আর কুনোদিনও মালের গন্ধে মাতাল হোইতো ন’। এইবার বাঙালি চান্স পাইলে এই স্বার্থপর নেতাগো লাত্থিমারি, ভাষানের দিন, মা-দূর্গার লগে বঙ্গপোসাগরে ভাসায় দিবো। 

সেই আশায় বসে থাকি, দেখি আবার কবে তোর সকল বাঙালি, ঘুষ, চুরি, ডাকাতি,গুম, খুন-জখম, রাহাজানি, ধর্ষণ-সমকামিতা, অ্যাসিড নিক্ষেপ, সকল অন্যায়ের বিরুদ্ধে এক হয় পঁচিশে মার্চের রাত্রির মতো...     

[লেখক: চলচ্চিত্রকার]

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬


রম্যগদ্য: “কুলি কলঙ্কিনির কোলাকুলি...”

প্রকাশের তারিখ : ০২ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

এইটা আবার কি বলচেন যে, কলঙ্কিনি তো কুলিকেও কলঙ্কিত করবে, তায়লে ওরা আবার কোলাকুলি করে কি প্রকারে! এমুন তাজ্জাবের কতাতো আমার বাপ দাদার চৌদ্দগুষ্টিও শোনেনি যে!

তোর বাপ দাদা চৌদ্দ্গুষ্টি কী শুনেছেন তা আমি জানি না। তবে এইটুকু জানি যে বর্তমানে কুলি আর কলঙ্কিনি মহানন্দে কোলাকুলি করে সারা বিশ্বে সাড়া ফেলেছে।

ভাই কলঙ্কিনি যদি কুলিরে ব্যাড়ায় ধরি কুলাকুলি করে, তায়লে কুলিওতো সারা দুনিয়ায় কলঙ্কিনির দোসর বইলা পরিচিত হোইবো! তায়লে কেউ ইচ্ছা করিনি কলঙ্কিনির বোঝা মাথায় লোইবো?

ভাইরে তোর যত আদিখ্যেতা! এই যে দেখিসনি ১৯৭১ সালের পরে, পাকিস্তান আমলের ট্রেনের হকার, মাইয়া গ্রুপের চা আনতো যে ছ্যারা মানে টি’বয়, তারপর “ডোরিনা” দর্জির দোকান দখলকারী, পর্দার দোকানের ফ্লোর মোছুনির

সন্তান, সব রাতারাতি ধনী হয়ে উঠলো...

যুদ্ধের পরে কিছু পাবলিক হক্কল টাইমেই কিছু সুবিধা পাইছে। এই লোই আন্নের মাতনের কিছু নাই। আন্নে দেখেন ন’, আন্নের ২০২৪-এর, অগাস্টের পর পাবলিকে ৬০০ কুটি ট্যাকার সুদ মাপ করি লোইছে! কতগুলার একটা সাইকেল আছিলো না, হ্যারা প্রাডো লোই ঘুরের! আর ১৯৭১ আছিলো যুদ্ধ। কিছু ওলট-পালট তো হোইবোই। 

আরে উড়ঝুড়ে বাঙাল, যেখানে দারিদ্রে তোর দেশের প্রায় ৫০ লক্ষ জনসাধারণ মারা পড়লো, আর একজন পৃথিবীর হ্যানো কোনো দুস্ককর্ম নেই যে করেনি, চুরি, ডাকাতি, গুম, খুন-জখম, রাহাজানি, ধর্ষণ-সমকামিতা, কোনো কিছুই বাদ দিসনি, সেই তোরা যখন ধনী হয়ে টাকার গরমে একে অপরের সাথে কোলাকুলি করে, দু’জনে লোক দ্যাখানো বন্ধুত্বের আড়ালে, শুভবুদ্ধির মানুষের উপর চোখ রাঙাস তখন ক্যামনটা লাগে!

আন্নে মিয়া জীবনে মানুষ হোইতেন ন’! এই যে, নেপালে বরফের বন্যা আসি ব্যাবাগতেরে পানির মইধ্যে চুবাইলো, হেই বন্যা কি, সৎ-অসৎ, কুবুদ্ধি-সুবুদ্ধি দেখিনি চুবনি দিছে! রাস্তার মইধ্যে যারে পাইছে হ্যাতেরে ধরি কোপাইছে, সিম্পেল। আন্নে ১৯৭১-এর যুদ্ধের পরে, পাকিস্তান আমলের ট্রেনের হকার, মাইয়া গ্রুপের, টি’বয়, তারপর, দোকান দখলকারী, পর্দার দোকানের ফ্লোর মোছুনির পোলা সব রাতারাতি বড়লোক। তো, এইসব বড়লোকরা যদি এক হোই, কুলাকুলি করি আন্নের তথাকথিত শুভোবুদ্ধি সম্পন্ন..., তো এইডার মইধ্যে আঁই তো কুনো দোষ দেখি না!

বাহ্ তাই বলে নৈতিকতা, পাড়া প্রতিবেশি, আত্মীয় স্বজন, জাতিভাই দেশবাসী কাউকেউ তুই ছাড় দিবি না, তোর নিজের স্বার্থে শত শত, হাজার হাজার, লক্ষ লক্ষ, কোটি কোটি মানুষের জীবন নিয়ে ছেলেখেলা কোরবি! 

ওম্মারে মা, এই কোইলেন, পাকিস্তান আমলের ট্রেনের হকার, মাইয়া গ্রুপের, টি’বয়, দোকান দখলকারী, পর্দার দোকানের ফ্লোর মোছুনির পোলা...

সত্যিকথা বলবো না? বাস্তবে তো তাই ঘটেছে...

“সত্যি কথা বলবো না? বাস্তবে তো তাই ঘটেছে...” আরে মিয়া আন্নেই কন ট্রেনের হকার, টি’বয়, দোকান দখলকারী, পর্দার দোকানের ফ্লোর মোছুনির পোলা, পাকিস্তান আমলে তো এইসব পোলাপানের কোনো শিক্ষাদীক্ষা আছিলোনা, এক এক লুকের সাত আটটা পোলা, হ্যেরা কুত্তার মতুন রাস্তা ঘাটে জন্মাইছে, হ্যেগো আবার নৈতিকতা, শুভবুদ্ধি, মানুষের প্রতি মানুষের ভালোবাসা! ফালতু কথা কোইতে লজ্জা করে না মিয়া! এইসব বগামিয়া, কালুমিয়া, লালুমিয়ার পোলারা ট্যাকা কামায়া ধনী হোইলে হ্যেরা তো কেবল, ডবল ডব্লিউ লয়া মৌজ ফুর্তি করবো, হ্যেগো টাইম কোই, পাড়া প্রতিবেশি, আত্মীয় স্বজন, জাতিভাই দেশবাসীর কথা চিন্তা করনের। যাগো সত্যিকার অর্থে দেশের চিন্তা করনের কথা, হ্যেরা তো মাল পায়াই খাল কাটতে ছুটলো, হ্যারাইতো আজ দেশের, দশের, জাতির বারটা বাজাইছে! হ্যাগোরে কিছু কয়া পারেন না, দোষ খালি ট্রেনের হকার, টি’বয়, দোকান দখলকারীর, পর্দার দোকানের ফ্লোর মোছুনির পোলার! 

বুঝিস না ক্যানো, সব জমিদারের ছেলেরা বামা পার্টি বানিয়ে গরীবের উপকারের নাম করে নিজেদের হারানো জমিদারি ফেরতেরে সুযোগ খুঁজছিলো, তাই যেই মন্ত্রিত্বের লোভ পেলো ব্যাস সাথে সাথে বিড়ালের নরম থাবার আড়ালের তীক্ষœ নখর বের করার মতো পুরো দলটার অস্তিত্ব বিলীন করে সুড়সুড়িয়ে ক্ষমতার ভোগ দখলে মত্ত। কিসের বামা পার্টি, কিসের উই শ্যাল ওভারকাম সাম ডে...মাল কামামু টু’ডে, বলে স্বৈরাচারের বাপ হয়ে জনগনকে দংশন শুরু।

কিন্তু গুরু আপনের বামা পার্টি হুনছি কোন মন্দিরের জমি দুই’দলে ভাগকরি হিন্দু-মুসলমানে মিলিমিশি খাইছে?

আরে মন্দিরের জমি দুই’দলে মিলিমিশি খাইছে, বলেইতো পাবলিক আজ সমাজ থেকে ওদের ঝেঁটিয়ে বিদায় করে, আস্তাকুঁড়ে মানে ডাষ্টবিনে ফেলেছে!

মাইনে বুজছেননি, বামা পার্টি কন আর বুর্জুয়া ক্যাপিটালিস্ট কন, মাল দেখলেই সব বেটায় টাল। হ্যাইডা, ট্রনের হকার, টি’বয়, দোকান দখলকারী, পর্দার দোকানের ফ্লোর মোছুনির পোলা যেই হোক, বিশ্বের ব্যেবাগতে মালের কাছে ধরা। মাল পাইলে শত শত পাবলিক পগারপার, আর মাল না পাইলে কেরানিগঞ্জের ঝাড়ুদার। মাল মাল করি আরে হ্যাতারা পুরা জাতিটারে, যাঁতাকলের তলে ফেলি ময়দা ডলন ডলের! শরম শরম...

শরম বল আর লজ্জা বল, কুন্ঠা বা হায়া, শরমভরম, ব্রীড়াবনত, মাথাহেঁট যে নামেই ডাকিস এই তথাকথিত নেতাগুলো, আমাদের দেশের, সহজ-সরল জনগনের অশিক্ষার কুশিক্ষার সুযোগে কেবলই নিজের আখের গুছিয়েছে আর আমাদের বংশ পরম্পরায়ে গুহার আঁধারে ঠেলে দিয়েছে, ধিক ধিক...

আমি আপনেরে কোইলাম, বাঙালরি মনে ধিকি ধিকি আগুন জ্বলের, বাঙালি আর একবার এক হোইলে আর কুনোদিনও মালের গন্ধে মাতাল হোইতো ন’। এইবার বাঙালি চান্স পাইলে এই স্বার্থপর নেতাগো লাত্থিমারি, ভাষানের দিন, মা-দূর্গার লগে বঙ্গপোসাগরে ভাসায় দিবো। 

সেই আশায় বসে থাকি, দেখি আবার কবে তোর সকল বাঙালি, ঘুষ, চুরি, ডাকাতি,গুম, খুন-জখম, রাহাজানি, ধর্ষণ-সমকামিতা, অ্যাসিড নিক্ষেপ, সকল অন্যায়ের বিরুদ্ধে এক হয় পঁচিশে মার্চের রাত্রির মতো...     

[লেখক: চলচ্চিত্রকার]


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত