সংবাদ

ইসরায়েলের অস্ত্র রপ্তানি বেড়েছে ১৩০ শতাংশ, শীর্ষে ইউএই


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:২০ এএম

ইসরায়েলের অস্ত্র রপ্তানি বেড়েছে ১৩০ শতাংশ, শীর্ষে ইউএই
ছবি : সংগৃহীত

হামাস, হিজবুল্লাহ, হুতি ও ইরানের সঙ্গে বহুমুখী সংঘাত ও যুদ্ধ চললেও তা দমাতে পারেনি ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা খাতের প্রবৃদ্ধি। উল্টো বিশ্বজুড়ে দেশটির অস্ত্র রপ্তানি ১৩০ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৯.২ বিলিয়ন (১ হাজার ৯২০ কোটি) মার্কিন ডলারে। ২০২০ সালে যেখানে তাদের রপ্তানির পরিমাণ ছিল ৮.৩ বিলিয়ন ডলার, ২০২৫ সালে তা দ্বিগুণেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে।

আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের (আইআইএসএস) সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে এসব চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। ‘ডিফেন্স ডিভিডেন্ডস অব দ্য আব্রাহাম অ্যাকর্ডস’ শীর্ষক প্রতিবেদনটি ১ অক্টোবর প্রকাশিত হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ইসরায়েলের এই রেকর্ড পরিমাণ অস্ত্র বিক্রির প্রধান অন্যতম অনুঘটক হিসেবে কাজ করেছে ‘আব্রাহাম একর্ডস’ চুক্তি সই করা আরব দেশগুলো। আরব আমিরাত (ইউএই), বাহরাইন ও মরক্কোভএই তিন দেশ মিলে ইসরায়েল থেকে অন্তত ৮.৮ বিলিয়ন ডলারের সামরিক সরঞ্জাম ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তৈরি বা ক্রয় করেছে।

২০২০ সালে এসব দেশে ইসরায়েলের অস্ত্র রপ্তানি শূন্যের কোঠায় থাকলেও ২০২১ সালে তা বেড়ে হয় ৭ শতাংশ এবং ২০২২ সালে তা লাফিয়ে দাঁড়ায় ২৪ শতাংশে। ২০২৩ সালের ৩ অক্টোবরের পর তা সাময়িকভাবে কমে ৩ শতাংশে নামলেও ২০২৪ ও ২০২৫ সালে তা পুনরায় বেড়ে যথাক্রমে ১২ ও ১৫ শতাংশে পৌঁছায়।

চুক্তিবদ্ধ দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি সুবিধা পেয়েছে এবং সবচেয়ে বড় ক্রেতা হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই)। দেশটি ইসরায়েল থেকে স্পাইডার-এমআর ও বারাক এলআরএডি ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা, এয়ারবোর্ন ডিফেন্স ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম, ডিরেক্ট ইনফ্রারেড কাউন্টারমেজার্স (ডিআইআরসিএম) ও সোনাক্স সিস্টেমের মতো অত্যাধুনিক প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি ক্রয় করেছে।

শুধু কেনাবেচাতেই সীমাবদ্ধ থাকেনি এই সম্পর্ক, আমিরাতের বিখ্যাত ‘এজ গ্রুপ’ সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান একাধিক ইসরায়েলি সংস্থায় বিপুল পরিমাণ তহবিল বিনিয়োগ করেছে। এমনকি ২০২৬ সালের মে মাসে দুই দেশ যৌথভাবে নতুন আধুনিক অস্ত্র ও ড্রোন রোধী (সি-ইউএভি) আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে বিশেষ ফান্ড গঠন করেছে।

অন্যদিকে, মরক্কো ও বাহরাইনও ইসরায়েল থেকে ক্ষেপণাস্ত্র ও স্যাটেলাইট প্রযুক্তি ক্রয় করলেও তাদের প্রতিরক্ষা খাতের অবকাঠামো ও পর্যাপ্ত অর্থায়নের অভাবে আমিরাতের মতো অত বড় শিল্প সহযোগী হয়ে উঠতে পারেনি।

সূত্র: দ্য প্রিন্ট

/ 

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

রোববার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬


ইসরায়েলের অস্ত্র রপ্তানি বেড়েছে ১৩০ শতাংশ, শীর্ষে ইউএই

প্রকাশের তারিখ : ০৪ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

হামাস, হিজবুল্লাহ, হুতি ও ইরানের সঙ্গে বহুমুখী সংঘাত ও যুদ্ধ চললেও তা দমাতে পারেনি ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা খাতের প্রবৃদ্ধি। উল্টো বিশ্বজুড়ে দেশটির অস্ত্র রপ্তানি ১৩০ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৯.২ বিলিয়ন (১ হাজার ৯২০ কোটি) মার্কিন ডলারে। ২০২০ সালে যেখানে তাদের রপ্তানির পরিমাণ ছিল ৮.৩ বিলিয়ন ডলার, ২০২৫ সালে তা দ্বিগুণেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে।

আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের (আইআইএসএস) সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে এসব চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। ‘ডিফেন্স ডিভিডেন্ডস অব দ্য আব্রাহাম অ্যাকর্ডস’ শীর্ষক প্রতিবেদনটি ১ অক্টোবর প্রকাশিত হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ইসরায়েলের এই রেকর্ড পরিমাণ অস্ত্র বিক্রির প্রধান অন্যতম অনুঘটক হিসেবে কাজ করেছে ‘আব্রাহাম একর্ডস’ চুক্তি সই করা আরব দেশগুলো। আরব আমিরাত (ইউএই), বাহরাইন ও মরক্কোভএই তিন দেশ মিলে ইসরায়েল থেকে অন্তত ৮.৮ বিলিয়ন ডলারের সামরিক সরঞ্জাম ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তৈরি বা ক্রয় করেছে।

২০২০ সালে এসব দেশে ইসরায়েলের অস্ত্র রপ্তানি শূন্যের কোঠায় থাকলেও ২০২১ সালে তা বেড়ে হয় ৭ শতাংশ এবং ২০২২ সালে তা লাফিয়ে দাঁড়ায় ২৪ শতাংশে। ২০২৩ সালের ৩ অক্টোবরের পর তা সাময়িকভাবে কমে ৩ শতাংশে নামলেও ২০২৪ ও ২০২৫ সালে তা পুনরায় বেড়ে যথাক্রমে ১২ ও ১৫ শতাংশে পৌঁছায়।

চুক্তিবদ্ধ দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি সুবিধা পেয়েছে এবং সবচেয়ে বড় ক্রেতা হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই)। দেশটি ইসরায়েল থেকে স্পাইডার-এমআর ও বারাক এলআরএডি ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা, এয়ারবোর্ন ডিফেন্স ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম, ডিরেক্ট ইনফ্রারেড কাউন্টারমেজার্স (ডিআইআরসিএম) ও সোনাক্স সিস্টেমের মতো অত্যাধুনিক প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি ক্রয় করেছে।

শুধু কেনাবেচাতেই সীমাবদ্ধ থাকেনি এই সম্পর্ক, আমিরাতের বিখ্যাত ‘এজ গ্রুপ’ সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান একাধিক ইসরায়েলি সংস্থায় বিপুল পরিমাণ তহবিল বিনিয়োগ করেছে। এমনকি ২০২৬ সালের মে মাসে দুই দেশ যৌথভাবে নতুন আধুনিক অস্ত্র ও ড্রোন রোধী (সি-ইউএভি) আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে বিশেষ ফান্ড গঠন করেছে।

অন্যদিকে, মরক্কো ও বাহরাইনও ইসরায়েল থেকে ক্ষেপণাস্ত্র ও স্যাটেলাইট প্রযুক্তি ক্রয় করলেও তাদের প্রতিরক্ষা খাতের অবকাঠামো ও পর্যাপ্ত অর্থায়নের অভাবে আমিরাতের মতো অত বড় শিল্প সহযোগী হয়ে উঠতে পারেনি।

সূত্র: দ্য প্রিন্ট

/ 


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত