মানিকগঞ্জের শিবালয়ে মা ইলিশ রক্ষায় সরকারি নিষেধাজ্ঞা শুরুর আগেই আগাম অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগ। অভিযানে আনুমানিক ২০ লাখ টাকা মূল্যের বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল ও চায়না দুয়ারী জাল জব্দ করে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে।
সোমবার (৫ অক্টোবর) বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত উপজেলার বড় আনুলিয়া গ্রামের জাল-সুতা ব্যবসায়ী হানিফ মোল্লার বাড়িতে এই অভিযান চালানো হয়।
উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, মা ইলিশ সংরক্ষণে আগামী ৮ অক্টোবর থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত মোট ২২ দিন নদ-নদীতে মাছ ধরা, পরিবহন, মজুত ও বিক্রির ওপর সরকারি নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে। এই নিষেধাজ্ঞা কঠোরভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে অবৈধ জালের বিস্তার রোধে আগাম নজরদারি শুরু করেছে স্থানীয় প্রশাসন।
গোপন খবরের ভিত্তিতে শিবালয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মনিষা রানী কর্মকার ও উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সাথী রানী নিয়োগীর নেতৃত্বে বড় আনুলিয়া গ্রামের হানিফ মোল্লার বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকে বিপুল পরিমাণ কারেন্ট জাল ও ক্ষতিকর চায়না দুয়ারী জাল জব্দ করা হয়। উদ্ধার হওয়া জালের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ২০ লাখ টাকা। পরে উপস্থিত লোকজনের সামনেই জব্দ করা জালগুলো পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।
অভিযানসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হানিফ মোল্লার ছেলে ফরহাদ অবৈধ এসব জাল মজুত করে আরিচা ঘাটসহ আশপাশের বিভিন্ন হাট-বাজারে মাছ শিকারিদের কাছে বিক্রির প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। তবে অভিযানের সময় মূল অভিযুক্ত ফরহাদকে পাওয়া যায়নি। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তার স্ত্রী বৃষ্টি আক্তারকে (৩২) থানায় নিয়ে যাওয়া হলেও পরে তাকে ছেড়ে দেয় পুলিশ।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনিষা রানী কর্মকার বলেন, 'বড় আনুলিয়া গ্রামে অভিযান চালিয়ে বিশাল পরিমাণ ক্ষতিকর জাল পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে। অবৈধ জাল ব্যবসার মূল হোতা ফরহাদকে আটকের চেষ্টা চলছে। মা ইলিশ রক্ষায় আমাদের এ ধরনের কঠোর নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।'

মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ অক্টোবর ২০২৬
মানিকগঞ্জের শিবালয়ে মা ইলিশ রক্ষায় সরকারি নিষেধাজ্ঞা শুরুর আগেই আগাম অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগ। অভিযানে আনুমানিক ২০ লাখ টাকা মূল্যের বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল ও চায়না দুয়ারী জাল জব্দ করে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে।
সোমবার (৫ অক্টোবর) বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত উপজেলার বড় আনুলিয়া গ্রামের জাল-সুতা ব্যবসায়ী হানিফ মোল্লার বাড়িতে এই অভিযান চালানো হয়।
উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, মা ইলিশ সংরক্ষণে আগামী ৮ অক্টোবর থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত মোট ২২ দিন নদ-নদীতে মাছ ধরা, পরিবহন, মজুত ও বিক্রির ওপর সরকারি নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে। এই নিষেধাজ্ঞা কঠোরভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে অবৈধ জালের বিস্তার রোধে আগাম নজরদারি শুরু করেছে স্থানীয় প্রশাসন।
গোপন খবরের ভিত্তিতে শিবালয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মনিষা রানী কর্মকার ও উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সাথী রানী নিয়োগীর নেতৃত্বে বড় আনুলিয়া গ্রামের হানিফ মোল্লার বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকে বিপুল পরিমাণ কারেন্ট জাল ও ক্ষতিকর চায়না দুয়ারী জাল জব্দ করা হয়। উদ্ধার হওয়া জালের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ২০ লাখ টাকা। পরে উপস্থিত লোকজনের সামনেই জব্দ করা জালগুলো পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।
অভিযানসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হানিফ মোল্লার ছেলে ফরহাদ অবৈধ এসব জাল মজুত করে আরিচা ঘাটসহ আশপাশের বিভিন্ন হাট-বাজারে মাছ শিকারিদের কাছে বিক্রির প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। তবে অভিযানের সময় মূল অভিযুক্ত ফরহাদকে পাওয়া যায়নি। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তার স্ত্রী বৃষ্টি আক্তারকে (৩২) থানায় নিয়ে যাওয়া হলেও পরে তাকে ছেড়ে দেয় পুলিশ।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনিষা রানী কর্মকার বলেন, 'বড় আনুলিয়া গ্রামে অভিযান চালিয়ে বিশাল পরিমাণ ক্ষতিকর জাল পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে। অবৈধ জাল ব্যবসার মূল হোতা ফরহাদকে আটকের চেষ্টা চলছে। মা ইলিশ রক্ষায় আমাদের এ ধরনের কঠোর নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।'

আপনার মতামত লিখুন