চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার সুলতানাবাদ ইউনিয়নের চরপাথালিয়া বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ছয়টি দোকান সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। আগুনে দোকানগুলোতে থাকা বিপুল পরিমাণ মালামাল, মূল্যবান আসবাবপত্র ও নগদ টাকা ভস্মীভূত হয়। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের দাবি, অগ্নিকাণ্ডে তাদের প্রায় এক কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) রাত পৌনে একটার দিকে (১২টা ৪০ মিনিট) এ দুর্ঘটনা ঘটে।
আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত দোকানগুলোর মধ্যে রয়েছে–রুহুল আমিনের দুই তলাবিশিষ্ট ফার্নিচারের দোকান, ধীরেন চন্দ্র দাসের ফার্মেসি, অরুণ ডাক্তারের ফার্মেসি এবং রবীন্দ্র চন্দ্র দাস, অসীম রায় ও বংশী চন্দ্র দাসের তিনটি খালি দোকান।
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী রুহুল আমিন চোখের পানি মুছতে মুছতে বলেন, 'আমার দোকানে থাকা নগদ ১ লাখ ৬২ হাজার টাকা, ২০ লাখ টাকার প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ এবং প্রায় ৭২ লাখ টাকা মূল্যের কাঠ ও তৈরি ফার্নিচার সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।' অন্যান্য দোকানমালিকেরা জানান, সব মিলিয়ে তাদের আরও অন্তত ১০ লাখ টাকার বেশি মালামাল ও আসবাব ভস্মীভূত হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, গভীর রাতে বাজারের একটি দোকানে হঠাৎ আগুন জ্বলতে দেখে স্থানীয় বাসিন্দারা ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেন। তবে মুহূর্তের মধ্যেই আগুনের লেলিহান শিখা চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে আশপাশের দোকানগুলোকে গিলে খায়। খবর পেয়ে মতলব উত্তর ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট রাত সোয়া একটার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার কাজ শুরু করে। ফায়ার সার্ভিস কর্মীদের প্রায় এক ঘণ্টার টানা চেষ্টায় আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আসে, যার ফলে চরপাথালিয়া বাজারের অন্যান্য অংশ বড় ধরনের হাত থেকে রক্ষা পায়।
স্থানীয়দের প্রাথমিক ধারণা, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে এই আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। তবে ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, তদন্ত শেষে অগ্নিকাণ্ডের সঠিক কারণ ও মোট ক্ষতির চূড়ান্ত পরিমাণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।
এক রাতের আগুনে সর্বস্ব হারিয়ে চরম দিশেহারা হয়ে পড়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা। আকস্মিক এই ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে তারা সরকারি ও স্থানীয় প্রশাসনের জরুরি আর্থিক সহায়তার জোর দাবি জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ অক্টোবর ২০২৬
চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার সুলতানাবাদ ইউনিয়নের চরপাথালিয়া বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ছয়টি দোকান সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। আগুনে দোকানগুলোতে থাকা বিপুল পরিমাণ মালামাল, মূল্যবান আসবাবপত্র ও নগদ টাকা ভস্মীভূত হয়। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের দাবি, অগ্নিকাণ্ডে তাদের প্রায় এক কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) রাত পৌনে একটার দিকে (১২টা ৪০ মিনিট) এ দুর্ঘটনা ঘটে।
আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত দোকানগুলোর মধ্যে রয়েছে–রুহুল আমিনের দুই তলাবিশিষ্ট ফার্নিচারের দোকান, ধীরেন চন্দ্র দাসের ফার্মেসি, অরুণ ডাক্তারের ফার্মেসি এবং রবীন্দ্র চন্দ্র দাস, অসীম রায় ও বংশী চন্দ্র দাসের তিনটি খালি দোকান।
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী রুহুল আমিন চোখের পানি মুছতে মুছতে বলেন, 'আমার দোকানে থাকা নগদ ১ লাখ ৬২ হাজার টাকা, ২০ লাখ টাকার প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ এবং প্রায় ৭২ লাখ টাকা মূল্যের কাঠ ও তৈরি ফার্নিচার সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।' অন্যান্য দোকানমালিকেরা জানান, সব মিলিয়ে তাদের আরও অন্তত ১০ লাখ টাকার বেশি মালামাল ও আসবাব ভস্মীভূত হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, গভীর রাতে বাজারের একটি দোকানে হঠাৎ আগুন জ্বলতে দেখে স্থানীয় বাসিন্দারা ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেন। তবে মুহূর্তের মধ্যেই আগুনের লেলিহান শিখা চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে আশপাশের দোকানগুলোকে গিলে খায়। খবর পেয়ে মতলব উত্তর ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট রাত সোয়া একটার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার কাজ শুরু করে। ফায়ার সার্ভিস কর্মীদের প্রায় এক ঘণ্টার টানা চেষ্টায় আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আসে, যার ফলে চরপাথালিয়া বাজারের অন্যান্য অংশ বড় ধরনের হাত থেকে রক্ষা পায়।
স্থানীয়দের প্রাথমিক ধারণা, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে এই আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। তবে ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, তদন্ত শেষে অগ্নিকাণ্ডের সঠিক কারণ ও মোট ক্ষতির চূড়ান্ত পরিমাণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।
এক রাতের আগুনে সর্বস্ব হারিয়ে চরম দিশেহারা হয়ে পড়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা। আকস্মিক এই ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে তারা সরকারি ও স্থানীয় প্রশাসনের জরুরি আর্থিক সহায়তার জোর দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন