পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলায় নিখোঁজের প্রায় ১২ ঘণ্টা পর পুকুর থেকে ওমর আলী (৫৫) নামের এক বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সকাল সাড়ে আটটার দিকে উপজেলার পামুলী ইউনিয়নের ডাঙ্গাপাড়া এলাকার একটি পুকুর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত ওমর আলী ওই এলাকার আব্দুল হাইয়ের ছেলে। তিনি পেশায় ঘটক ছিলেন। ওমর আলী মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সোমবার (৫ অক্টোবর) সন্ধ্যার পর থেকে নিখোঁজ ছিলেন ওমর আলী। পরে রাত সাড়ে আটটার দিকে বাড়ির পাশের পুকুরপাড়ে তার জুতা দেখতে পান স্বজনেরা। জুতা দেখে তিনি পুকুরের পানিতে পড়ে গেছেন - এমন সন্দেহে প্রথমে স্থানীয় বাসিন্দারা তাকে উদ্ধারের চেষ্টা চালান এবং ফায়ার সার্ভিসে খবর দেন। খবর পেয়ে দেবীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার অভিযান চালালেও রাতে তার সন্ধান মেলেনি।
পরে রংপুর থেকে ফায়ার সার্ভিসের বিশেষ ডুবুরি দলকে খবর দেওয়া হয়। মঙ্গলবার সকালে ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুরোদমে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। প্রায় ১০ মিনিটের চেষ্টার পর পুকুরের তলদেশ থেকে ওমর আলীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
দেবীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সদস্য রফি ইসলাম বলেন, ‘সোমবার রাত আনুমানিক ৯টার দিকে আমাদের খবর দেওয়া হয়। আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রাথমিক তল্লাশি চালাই এবং রংপুর ডুবুরি দলকে বিষয়টি জানাই। পরে তাদের সহযোগিতায় মঙ্গলবার সকালে মরদেহটি উদ্ধার করা সম্ভব হয়।’
দেবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুসা মিঞা জানান, নিহত ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে মানসিক ভারসাম্যহীনতায় ভুগছিলেন। মরদেহ উদ্ধারের পর প্রাথমিক সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহটি স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় দেবীগঞ্জ থানায় একটি অপমৃত্যুর (ইউডি) মামলা হয়েছে।

মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ অক্টোবর ২০২৬
পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলায় নিখোঁজের প্রায় ১২ ঘণ্টা পর পুকুর থেকে ওমর আলী (৫৫) নামের এক বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সকাল সাড়ে আটটার দিকে উপজেলার পামুলী ইউনিয়নের ডাঙ্গাপাড়া এলাকার একটি পুকুর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত ওমর আলী ওই এলাকার আব্দুল হাইয়ের ছেলে। তিনি পেশায় ঘটক ছিলেন। ওমর আলী মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সোমবার (৫ অক্টোবর) সন্ধ্যার পর থেকে নিখোঁজ ছিলেন ওমর আলী। পরে রাত সাড়ে আটটার দিকে বাড়ির পাশের পুকুরপাড়ে তার জুতা দেখতে পান স্বজনেরা। জুতা দেখে তিনি পুকুরের পানিতে পড়ে গেছেন - এমন সন্দেহে প্রথমে স্থানীয় বাসিন্দারা তাকে উদ্ধারের চেষ্টা চালান এবং ফায়ার সার্ভিসে খবর দেন। খবর পেয়ে দেবীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার অভিযান চালালেও রাতে তার সন্ধান মেলেনি।
পরে রংপুর থেকে ফায়ার সার্ভিসের বিশেষ ডুবুরি দলকে খবর দেওয়া হয়। মঙ্গলবার সকালে ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুরোদমে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। প্রায় ১০ মিনিটের চেষ্টার পর পুকুরের তলদেশ থেকে ওমর আলীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
দেবীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সদস্য রফি ইসলাম বলেন, ‘সোমবার রাত আনুমানিক ৯টার দিকে আমাদের খবর দেওয়া হয়। আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রাথমিক তল্লাশি চালাই এবং রংপুর ডুবুরি দলকে বিষয়টি জানাই। পরে তাদের সহযোগিতায় মঙ্গলবার সকালে মরদেহটি উদ্ধার করা সম্ভব হয়।’
দেবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুসা মিঞা জানান, নিহত ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে মানসিক ভারসাম্যহীনতায় ভুগছিলেন। মরদেহ উদ্ধারের পর প্রাথমিক সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহটি স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় দেবীগঞ্জ থানায় একটি অপমৃত্যুর (ইউডি) মামলা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন