নওগাঁয় কহিনুর বেগম ওরফে ফাহিমা হত্যা মামলায় সোহেল রানা ওরফে হানিফ নামের এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ২ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) দুপুরে প্রকাশ্য আদালতে এ রায় ঘোষণা করেন নওগাঁর অতিরিক্ত দায়রা জজ-২ আদালতের বিচারক রাজু আহমেদ।
মামলার বিবরণ ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০১৯ সালের ১১ সেপ্টেম্বর দুপুরে কহিনুর বেগমের স্বামী ব্যবসায়িক কাজে বাড়ির বাইরে ছিলেন। এই সুযোগে সোহেল রানা তাদের বাড়িতে প্রবেশ করেন। সোহেল পূর্বপরিচিত ও পারিবারিকভাবে ঘনিষ্ঠ হওয়ায় ওই বাড়িতে নিয়মিত যাতায়াত ছিল। ঘটনার দিন তিনি কহিনুরকে একা পেয়ে ড্রিল মেশিন দিয়ে মাথায় আঘাত ও ফুটো করে গুরুতর জখম করেন। এরপর ঘরের নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করে পালিয়ে যান।
পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় কহিনুরকে উদ্ধার করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নিহতের স্বজনদের করা মামলায় তদন্ত শেষে সোহেল রানাকে একমাত্র আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ।
মামলাটি রাষ্ট্রপক্ষে পরিচালনা করেন অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিউকিটর (এপিপি) মাহফুজ আলম খান।
আইনজীবী মাহফুজ আলম খান বলেন, বিচারকাজে সাক্ষীদের সাক্ষ্য, চিকিৎসা প্রতিবেদন ও পারিপার্শ্বিক প্রমাণের ভিত্তিতে আসামির বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় আনা হত্যার অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। আদালত আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন। অর্থদণ্ডের টাকা আদায় হলে তা নিহতের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রায় ঘোষণার পর দণ্ডিত সোহেল রানাকে সাজা পরোয়ানাসহ কারাগারে পাঠানো হয়।

মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ অক্টোবর ২০২৬
নওগাঁয় কহিনুর বেগম ওরফে ফাহিমা হত্যা মামলায় সোহেল রানা ওরফে হানিফ নামের এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ২ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) দুপুরে প্রকাশ্য আদালতে এ রায় ঘোষণা করেন নওগাঁর অতিরিক্ত দায়রা জজ-২ আদালতের বিচারক রাজু আহমেদ।
মামলার বিবরণ ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০১৯ সালের ১১ সেপ্টেম্বর দুপুরে কহিনুর বেগমের স্বামী ব্যবসায়িক কাজে বাড়ির বাইরে ছিলেন। এই সুযোগে সোহেল রানা তাদের বাড়িতে প্রবেশ করেন। সোহেল পূর্বপরিচিত ও পারিবারিকভাবে ঘনিষ্ঠ হওয়ায় ওই বাড়িতে নিয়মিত যাতায়াত ছিল। ঘটনার দিন তিনি কহিনুরকে একা পেয়ে ড্রিল মেশিন দিয়ে মাথায় আঘাত ও ফুটো করে গুরুতর জখম করেন। এরপর ঘরের নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করে পালিয়ে যান।
পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় কহিনুরকে উদ্ধার করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নিহতের স্বজনদের করা মামলায় তদন্ত শেষে সোহেল রানাকে একমাত্র আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ।
মামলাটি রাষ্ট্রপক্ষে পরিচালনা করেন অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিউকিটর (এপিপি) মাহফুজ আলম খান।
আইনজীবী মাহফুজ আলম খান বলেন, বিচারকাজে সাক্ষীদের সাক্ষ্য, চিকিৎসা প্রতিবেদন ও পারিপার্শ্বিক প্রমাণের ভিত্তিতে আসামির বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় আনা হত্যার অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। আদালত আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন। অর্থদণ্ডের টাকা আদায় হলে তা নিহতের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রায় ঘোষণার পর দণ্ডিত সোহেল রানাকে সাজা পরোয়ানাসহ কারাগারে পাঠানো হয়।

আপনার মতামত লিখুন