মুখের এক পাশ হঠাৎ বাঁকা হয়ে যাওয়া, চোখ পুরোপুরি বন্ধ না হওয়া কিংবা কথা জড়িয়ে যাওয়াকে অনেকেই সাধারণ সমস্যা মনে করেন। কিন্তু এসব লক্ষণ ফেশিয়াল নার্ভের সমস্যার কারণে হতে পারে। ফেশিয়াল নার্ভের আংশিক বা সম্পূর্ণ প্যারালাইসিসকে বলা হয় ফেশিয়াল পালসি। এটি বেল’স পালসি নামেও পরিচিত।
জন বেল নামের এক ব্যক্তির নাম অনুসারে রোগটির এই নামকরণ করা হয়েছে।
কেন হতে পারে বেল’স পালসি
ফেশিয়াল নার্ভে সমস্যা হওয়ার পেছনে একাধিক কারণ থাকতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে-
যেসব লক্ষণ দেখা দিতে পারে
বেল’স পালসি হলে মুখের আক্রান্ত অংশের স্বাভাবিক নড়াচড়া ব্যাহত হয়। এর ফলে-
চিকিৎসা কীভাবে হয়?
বেল’স পালসির চিকিৎসা নির্ভর করে সমস্যাটির কারণের ওপর। প্রাথমিক পর্যায়ে স্টেরয়েডকে সবচেয়ে কার্যকর ওষুধ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
যদি ভাইরাসের সংক্রমণকে কারণ হিসেবে সন্দেহ করা হয়, তখন অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ দেওয়া হতে পারে। এর পাশাপাশি মুখের পেশির ব্যায়ামের জন্য ফিজিওথেরাপিও প্রয়োজন হতে পারে।
আঘাতের কারণে ফেশিয়াল নার্ভ সংকুচিত হয়ে গেলে অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হতে পারে।
সেরে ওঠার সম্ভাবনা
সাধারণত বেল’স পালসি কয়েক মাসের মধ্যেই ধীরে ধীরে ভালো হতে থাকে। একবার হওয়ার পর আবার হওয়ার আশঙ্কাও খুব কম।

বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ অক্টোবর ২০২৬
মুখের এক পাশ হঠাৎ বাঁকা হয়ে যাওয়া, চোখ পুরোপুরি বন্ধ না হওয়া কিংবা কথা জড়িয়ে যাওয়াকে অনেকেই সাধারণ সমস্যা মনে করেন। কিন্তু এসব লক্ষণ ফেশিয়াল নার্ভের সমস্যার কারণে হতে পারে। ফেশিয়াল নার্ভের আংশিক বা সম্পূর্ণ প্যারালাইসিসকে বলা হয় ফেশিয়াল পালসি। এটি বেল’স পালসি নামেও পরিচিত।
জন বেল নামের এক ব্যক্তির নাম অনুসারে রোগটির এই নামকরণ করা হয়েছে।
কেন হতে পারে বেল’স পালসি
ফেশিয়াল নার্ভে সমস্যা হওয়ার পেছনে একাধিক কারণ থাকতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে-
যেসব লক্ষণ দেখা দিতে পারে
বেল’স পালসি হলে মুখের আক্রান্ত অংশের স্বাভাবিক নড়াচড়া ব্যাহত হয়। এর ফলে-
চিকিৎসা কীভাবে হয়?
বেল’স পালসির চিকিৎসা নির্ভর করে সমস্যাটির কারণের ওপর। প্রাথমিক পর্যায়ে স্টেরয়েডকে সবচেয়ে কার্যকর ওষুধ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
যদি ভাইরাসের সংক্রমণকে কারণ হিসেবে সন্দেহ করা হয়, তখন অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ দেওয়া হতে পারে। এর পাশাপাশি মুখের পেশির ব্যায়ামের জন্য ফিজিওথেরাপিও প্রয়োজন হতে পারে।
আঘাতের কারণে ফেশিয়াল নার্ভ সংকুচিত হয়ে গেলে অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হতে পারে।
সেরে ওঠার সম্ভাবনা
সাধারণত বেল’স পালসি কয়েক মাসের মধ্যেই ধীরে ধীরে ভালো হতে থাকে। একবার হওয়ার পর আবার হওয়ার আশঙ্কাও খুব কম।

আপনার মতামত লিখুন