চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসে নিলামযোগ্য পচনশীল পণ্য ই-নিলামের মাধ্যমে বিক্রির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এনবিআরের স্থায়ী স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) না আসা পর্যন্ত এ আদেশ কার্যকর থাকবে।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) কাস্টমস হাউসের কমিশনার (চলতি দায়িত্ব) মহা. মাহবুবুর রহমানের স্বাক্ষরে নিলাম বিভাগ থেকে এই আদেশ জারি করা হয়। রাজস্ব বৃদ্ধি, বন্দরের পণ্যজট নিরসন ও পচনশীল সম্পদের অপচয় রোধে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
নির্দেশনায় বলা হয়, যেসব পণ্যচালানে কোনো আইনি বা আদালতের নিষেধাজ্ঞা নেই, সেগুলোই কেবল ই-নিলামে তোলা যাবে। নিলামের আগে পণ্যের প্রকৃতি, পরিমাণ ও ইনভেন্টরি যাচাই করা বাধ্যতামূলক। বিডারদের লট পরিদর্শন, জামানত ও বিডিংয়ের ব্যবস্থা রেখে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এই কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে।
সর্বোচ্চ দরদাতার অনুকূলে অনুমোদন শেষে শুল্ক-কর ও পাওনা পরিশোধ সাপেক্ষে পণ্য খালাসের সুযোগ মিলবে। তবে নিলামের অযোগ্য বা আইনি জটিলতায় বিক্রি অযোগ্য পণ্য ধ্বংস বা বিকল্প উপায়ে নিষ্পত্তির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কাস্টমস আইন, ২০২৩-এর সংশ্লিষ্ট ক্ষমতাবলে এ সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর হবে।

বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ অক্টোবর ২০২৬
চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসে নিলামযোগ্য পচনশীল পণ্য ই-নিলামের মাধ্যমে বিক্রির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এনবিআরের স্থায়ী স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) না আসা পর্যন্ত এ আদেশ কার্যকর থাকবে।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) কাস্টমস হাউসের কমিশনার (চলতি দায়িত্ব) মহা. মাহবুবুর রহমানের স্বাক্ষরে নিলাম বিভাগ থেকে এই আদেশ জারি করা হয়। রাজস্ব বৃদ্ধি, বন্দরের পণ্যজট নিরসন ও পচনশীল সম্পদের অপচয় রোধে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
নির্দেশনায় বলা হয়, যেসব পণ্যচালানে কোনো আইনি বা আদালতের নিষেধাজ্ঞা নেই, সেগুলোই কেবল ই-নিলামে তোলা যাবে। নিলামের আগে পণ্যের প্রকৃতি, পরিমাণ ও ইনভেন্টরি যাচাই করা বাধ্যতামূলক। বিডারদের লট পরিদর্শন, জামানত ও বিডিংয়ের ব্যবস্থা রেখে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এই কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে।
সর্বোচ্চ দরদাতার অনুকূলে অনুমোদন শেষে শুল্ক-কর ও পাওনা পরিশোধ সাপেক্ষে পণ্য খালাসের সুযোগ মিলবে। তবে নিলামের অযোগ্য বা আইনি জটিলতায় বিক্রি অযোগ্য পণ্য ধ্বংস বা বিকল্প উপায়ে নিষ্পত্তির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কাস্টমস আইন, ২০২৩-এর সংশ্লিষ্ট ক্ষমতাবলে এ সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর হবে।

আপনার মতামত লিখুন