টাঙ্গাইলে কিশোরীর ওপর যৌন নিগ্রহের দায়ে দুই যুবককে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি তাদের প্রত্যেককে তিন লাখ টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (৭ অক্টোবর) দুপুরে টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ড. আব্দুল মজিদ আসামিদের উপস্থিতিতে এই রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার পর দণ্ডপ্রাপ্তদের টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।
দণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামি হলেন- টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার ব্রাহ্মণবাড়ী গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে আরিফ (২৩) এবং একই এলাকার আয়নালের ছেলে রুবেল (২৩)।
মামলার বিবরণ ও রাষ্ট্রপক্ষ সূত্রে জানা যায়, ভিকটিম কিশোরী পরিবারের অমতে তার পছন্দ অনুযায়ী বিয়ে করেন। ২০২৪ সালের ৪ সেপ্টেম্বর মধ্যরাতে তিনি তার স্বামীর সঙ্গে বাড়ির বাইরে দেখা করতে যান। সে সময় আসামিরা গিয়ে তার স্বামীকে একটি খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রেখে ওই কিশোরীর ওপর পালাক্রমে যৌন নিগ্রহ চালান।
ঘটনার ছয় দিন পর ১০ সেপ্টেম্বর ভিকটিম নিজে বাদী হয়ে মধুপুর থানায় আরিফ ও রুবেলের বিরুদ্ধে মামলা করেন। তদন্ত শেষে একই বছরের ১৪ নভেম্বর পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করে। আদালত সাক্ষ্য-প্রমাণ গ্রহণ ও শুনানি শেষে আজ এই রায় দেন।
আদালতের বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট খন্দকার মো. রোকনুজ্জামান রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মামলায় আসামিপক্ষে আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট হারাধন চন্দ্র সিংহ।

বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ অক্টোবর ২০২৬
টাঙ্গাইলে কিশোরীর ওপর যৌন নিগ্রহের দায়ে দুই যুবককে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি তাদের প্রত্যেককে তিন লাখ টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (৭ অক্টোবর) দুপুরে টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ড. আব্দুল মজিদ আসামিদের উপস্থিতিতে এই রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার পর দণ্ডপ্রাপ্তদের টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।
দণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামি হলেন- টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার ব্রাহ্মণবাড়ী গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে আরিফ (২৩) এবং একই এলাকার আয়নালের ছেলে রুবেল (২৩)।
মামলার বিবরণ ও রাষ্ট্রপক্ষ সূত্রে জানা যায়, ভিকটিম কিশোরী পরিবারের অমতে তার পছন্দ অনুযায়ী বিয়ে করেন। ২০২৪ সালের ৪ সেপ্টেম্বর মধ্যরাতে তিনি তার স্বামীর সঙ্গে বাড়ির বাইরে দেখা করতে যান। সে সময় আসামিরা গিয়ে তার স্বামীকে একটি খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রেখে ওই কিশোরীর ওপর পালাক্রমে যৌন নিগ্রহ চালান।
ঘটনার ছয় দিন পর ১০ সেপ্টেম্বর ভিকটিম নিজে বাদী হয়ে মধুপুর থানায় আরিফ ও রুবেলের বিরুদ্ধে মামলা করেন। তদন্ত শেষে একই বছরের ১৪ নভেম্বর পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করে। আদালত সাক্ষ্য-প্রমাণ গ্রহণ ও শুনানি শেষে আজ এই রায় দেন।
আদালতের বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট খন্দকার মো. রোকনুজ্জামান রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মামলায় আসামিপক্ষে আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট হারাধন চন্দ্র সিংহ।

আপনার মতামত লিখুন