বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহত বীর শহীদ আবু সাঈদের পবিত্র স্মৃতি চিরস্মরণীয় করে রাখতে এবং তার পরিবারের পাশে দাঁড়াতে নেওয়া হয়েছে এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ। তার পীরগঞ্জের নিজ বাড়িতে নতুন আধুনিক ঘর নির্মাণ এবং কবরস্থানের সৌন্দর্যবর্ধনসহ সামগ্রিক উন্নয়নে এক কোটি টাকা সরকারিভাবে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের জেলা পরিষদ শাখার সিনিয়র সহকারী সচিবের সই করা এই অর্থ অবমুক্তির চিঠি ইতোমধ্যে রংপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক সাইফুল ইসলামের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এর পরপরই অর্থ ছাড়পত্রটি চিফ অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড ফাইন্যান্স অফিসারের দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।
চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় বিশেষ বরাদ্দ উপখাত থেকে মোট এক কোটি ৯ লাখ টাকা ছাড় করা হয়েছে। এর মধ্য থেকে শহীদ আবু সাঈদ ফাউন্ডেশন, তার বাবা-মায়ের জন্য ঘরবাড়ি এবং কবরস্থান উন্নয়নে এক কোটি টাকা খরচ করা হবে।
এছাড়া পীরগঞ্জ মহিলা কলেজের শিক্ষার্থীদের জন্য সাইকেল বিতরণ এবং বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো উন্নয়নে বাকি অর্থ ব্যয় করা হবে। তবে নির্দেশিকায় সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, নির্ধারিত এই সুনির্দিষ্ট খাত ছাড়া অন্য কোনো কাজে এই বরাদ্দের এক টাকাও ব্যয় করা যাবে না।
মাত্র পাঁচ দিনের মধ্যে প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়িত হওয়ায় দারুণ সন্তোষ প্রকাশ করেছেন শহীদের বাবা মকবুল হোসেন। তিনি বলেন, 'সরকার দেরিতে হলেও বাড়িঘর ও কবরস্থানের উন্নয়নের জন্য অর্থ বরাদ্দ দিয়েছে, এজন্য আমরা খুশি। এই টাকা যেন সঠিকভাবে ব্যয় হোক, এটা নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে শুধু আবু সাঈদের স্মৃতি নয়, আমরা চাই সরকার সব শহীদ পরিবারের পাশেও এভাবে এগিয়ে যাক।'
রংপুর জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মামুনুর রশিদ জানিয়েছেন, খুব দ্রুত একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হবে। ওই কমিটি ফাউন্ডেশনসহ অন্যান্য অবকাঠামোর নান্দনিক ডিজাইন ও প্রাক্কলন তৈরি করবে। শহীদ আবু সাঈদের ঘরবাড়ি, কবরস্থান ও ফাউন্ডেশনকে একটি ঐতিহাসিক মনুমেন্ট হিসেবে গড়ে তুলতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
জেলা পরিষদ প্রশাসক সাইফুল ইসলাম যোগ করেন, সরকার চায় জুলাই বিপ্লবের প্রথম শহীদ আবু সাঈদের স্মৃতিকে কেন্দ্র করে গবেষণা ও চর্চা হোক, যাতে সাধারণ মানুষ ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে যুগে যুগে অনুপ্রাণিত হয়।

বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ অক্টোবর ২০২৬
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহত বীর শহীদ আবু সাঈদের পবিত্র স্মৃতি চিরস্মরণীয় করে রাখতে এবং তার পরিবারের পাশে দাঁড়াতে নেওয়া হয়েছে এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ। তার পীরগঞ্জের নিজ বাড়িতে নতুন আধুনিক ঘর নির্মাণ এবং কবরস্থানের সৌন্দর্যবর্ধনসহ সামগ্রিক উন্নয়নে এক কোটি টাকা সরকারিভাবে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের জেলা পরিষদ শাখার সিনিয়র সহকারী সচিবের সই করা এই অর্থ অবমুক্তির চিঠি ইতোমধ্যে রংপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক সাইফুল ইসলামের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এর পরপরই অর্থ ছাড়পত্রটি চিফ অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড ফাইন্যান্স অফিসারের দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।
চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় বিশেষ বরাদ্দ উপখাত থেকে মোট এক কোটি ৯ লাখ টাকা ছাড় করা হয়েছে। এর মধ্য থেকে শহীদ আবু সাঈদ ফাউন্ডেশন, তার বাবা-মায়ের জন্য ঘরবাড়ি এবং কবরস্থান উন্নয়নে এক কোটি টাকা খরচ করা হবে।
এছাড়া পীরগঞ্জ মহিলা কলেজের শিক্ষার্থীদের জন্য সাইকেল বিতরণ এবং বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো উন্নয়নে বাকি অর্থ ব্যয় করা হবে। তবে নির্দেশিকায় সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, নির্ধারিত এই সুনির্দিষ্ট খাত ছাড়া অন্য কোনো কাজে এই বরাদ্দের এক টাকাও ব্যয় করা যাবে না।
মাত্র পাঁচ দিনের মধ্যে প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়িত হওয়ায় দারুণ সন্তোষ প্রকাশ করেছেন শহীদের বাবা মকবুল হোসেন। তিনি বলেন, 'সরকার দেরিতে হলেও বাড়িঘর ও কবরস্থানের উন্নয়নের জন্য অর্থ বরাদ্দ দিয়েছে, এজন্য আমরা খুশি। এই টাকা যেন সঠিকভাবে ব্যয় হোক, এটা নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে শুধু আবু সাঈদের স্মৃতি নয়, আমরা চাই সরকার সব শহীদ পরিবারের পাশেও এভাবে এগিয়ে যাক।'
রংপুর জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মামুনুর রশিদ জানিয়েছেন, খুব দ্রুত একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হবে। ওই কমিটি ফাউন্ডেশনসহ অন্যান্য অবকাঠামোর নান্দনিক ডিজাইন ও প্রাক্কলন তৈরি করবে। শহীদ আবু সাঈদের ঘরবাড়ি, কবরস্থান ও ফাউন্ডেশনকে একটি ঐতিহাসিক মনুমেন্ট হিসেবে গড়ে তুলতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
জেলা পরিষদ প্রশাসক সাইফুল ইসলাম যোগ করেন, সরকার চায় জুলাই বিপ্লবের প্রথম শহীদ আবু সাঈদের স্মৃতিকে কেন্দ্র করে গবেষণা ও চর্চা হোক, যাতে সাধারণ মানুষ ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে যুগে যুগে অনুপ্রাণিত হয়।

আপনার মতামত লিখুন