সংবাদ

সক্ষমতার ব্যবহার মাত্র ৬৭ শতাংশ

দেশে গ্যাসের দৈনিক উৎপাদন ২৬১৭ মিলিয়ন ঘনফুট


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:২৪ পিএম

দেশে গ্যাসের দৈনিক উৎপাদন ২৬১৭ মিলিয়ন ঘনফুট
ছবি : সংগৃহীত

দেশে গ্যাসের দৈনিক উৎপাদন বর্তমানে ২ হাজার ৬১৭ দশমিক ৪ মিলিয়ন ঘনফুটে (এমএমসিএফডি) উন্নীত হয়েছে। উৎপাদন সক্ষমতার সামগ্রিক তুলনামূলক বিশ্লেষণে দেখা যায়, দেশের নিজস্ব গ্যাসক্ষেত্র এবং বিদেশ থেকে আমদানি করা এলএনজি মিলিয়ে মোট সক্ষমতার ৬৭ দশমিক ৬ শতাংশ ব্যবহৃত হচ্ছে।

পেট্রোবাংলার প্রকাশিত গত ৪-৫ অক্টোবরের দৈনিক গ্যাস ও কনডেনসেট উৎপাদন এবং বিতরণ সম্পর্কিত এক বিশেষ প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উঠে এসেছে।

প্রতিবেদনের বিস্তারিত তথ্যানুযায়ী, দেশের মোট ১২৪টি উৎপাদনশীল কূপের বিপরীতে সামগ্রিক গ্যাস উৎপাদন সক্ষমতা রয়েছে ৩ হাজার ৮৭০ এমএমসিএফডি। এর মধ্যে রাষ্ট্রায়ত্ত ও দেশীয় তিন কোম্পানি—বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেড (বিজিএফসিএল), সিলেট গ্যাস ফিল্ডস লিমিটেড (এসজিএফএল) এবং বাপেক্স; মিলে মোট ৮১টি কূপ থেকে ১ হাজার ১৫৫ এমএমসিএফডি সক্ষমতার বিপরীতে উৎপাদন করেছে ৭১৮ দশমিক ৯ এমএমসিএফডি গ্যাস।

অর্থাৎ, স্থানীয় গ্যাসক্ষেত্রগুলোর নিজস্ব সক্ষমতার প্রায় ৬২ শতাংশ বর্তমানে কাজে লাগানো হচ্ছে। এর মধ্যে বিজিএফসিএলের ৪৪টি কূপ থেকে ৪৭৬ দশমিক ২ এমএমসিএফডি, এসজিএফএলের ১৯টি কূপ থেকে ১৩৮ দশমিক ৩ এমএমসিএফডি এবং বাপেক্সের ১৮টি কূপ থেকে ১০৪ দশমিক ৪ এমএমসিএফডি গ্যাস উৎপাদিত হয়েছে।

অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক তেল-গ্যাস কোম্পানিগুলোর (আইওসি) অধীনে থাকা ৪৩টি কূপের গ্যাস উৎপাদন সক্ষমতা ১ হাজার ৬১৫ এমএমসিএফডি হলেও তা থেকে উৎপাদিত হয়েছে ৯০৬ দশমিক ৫ এমএমসিএফডি।

বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য যে, একাই বিবিয়ানা গ্যাসক্ষেত্র থেকে ৭৩৮ দশমিক ৫ এমএমসিএফডি গ্যাস উৎপাদিত হয়েছে। পাশাপাশি, রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেডের (আরপিজিসিএল) মাধ্যমে আরও ৯৯২ এমএমসিএফডি এলএনজি সরবরাহ করা হয়েছে।

গ্যাসের পাশাপাশি এসব বিভিন্ন উৎস থেকে দৈনিক মোট ৫ হাজার ৭৯২ দশমিক ৩ ব্যারেল কনডেনসেটও উৎপাদিত হয়েছে। যার সিংহভাগ অর্থাৎ ৪ হাজার ৭৬২ দশমিক ১ ব্যারেল কনডেনসেট উৎপাদিত হয়েছে আন্তর্জাতিক কোম্পানিগুলোর কূপ থেকে। সার্বিক এই উৎপাদন পরিস্থিতি দেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদার মেটানোর ক্ষেত্রে দেশীয় ও আমদানিকৃত খাতের ভারসাম্যপূর্ণ ব্যবহারের বাস্তব চিত্র স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬


দেশে গ্যাসের দৈনিক উৎপাদন ২৬১৭ মিলিয়ন ঘনফুট

প্রকাশের তারিখ : ০৭ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

দেশে গ্যাসের দৈনিক উৎপাদন বর্তমানে ২ হাজার ৬১৭ দশমিক ৪ মিলিয়ন ঘনফুটে (এমএমসিএফডি) উন্নীত হয়েছে। উৎপাদন সক্ষমতার সামগ্রিক তুলনামূলক বিশ্লেষণে দেখা যায়, দেশের নিজস্ব গ্যাসক্ষেত্র এবং বিদেশ থেকে আমদানি করা এলএনজি মিলিয়ে মোট সক্ষমতার ৬৭ দশমিক ৬ শতাংশ ব্যবহৃত হচ্ছে।

পেট্রোবাংলার প্রকাশিত গত ৪-৫ অক্টোবরের দৈনিক গ্যাস ও কনডেনসেট উৎপাদন এবং বিতরণ সম্পর্কিত এক বিশেষ প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উঠে এসেছে।

প্রতিবেদনের বিস্তারিত তথ্যানুযায়ী, দেশের মোট ১২৪টি উৎপাদনশীল কূপের বিপরীতে সামগ্রিক গ্যাস উৎপাদন সক্ষমতা রয়েছে ৩ হাজার ৮৭০ এমএমসিএফডি। এর মধ্যে রাষ্ট্রায়ত্ত ও দেশীয় তিন কোম্পানি—বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেড (বিজিএফসিএল), সিলেট গ্যাস ফিল্ডস লিমিটেড (এসজিএফএল) এবং বাপেক্স; মিলে মোট ৮১টি কূপ থেকে ১ হাজার ১৫৫ এমএমসিএফডি সক্ষমতার বিপরীতে উৎপাদন করেছে ৭১৮ দশমিক ৯ এমএমসিএফডি গ্যাস।

অর্থাৎ, স্থানীয় গ্যাসক্ষেত্রগুলোর নিজস্ব সক্ষমতার প্রায় ৬২ শতাংশ বর্তমানে কাজে লাগানো হচ্ছে। এর মধ্যে বিজিএফসিএলের ৪৪টি কূপ থেকে ৪৭৬ দশমিক ২ এমএমসিএফডি, এসজিএফএলের ১৯টি কূপ থেকে ১৩৮ দশমিক ৩ এমএমসিএফডি এবং বাপেক্সের ১৮টি কূপ থেকে ১০৪ দশমিক ৪ এমএমসিএফডি গ্যাস উৎপাদিত হয়েছে।

অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক তেল-গ্যাস কোম্পানিগুলোর (আইওসি) অধীনে থাকা ৪৩টি কূপের গ্যাস উৎপাদন সক্ষমতা ১ হাজার ৬১৫ এমএমসিএফডি হলেও তা থেকে উৎপাদিত হয়েছে ৯০৬ দশমিক ৫ এমএমসিএফডি।

বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য যে, একাই বিবিয়ানা গ্যাসক্ষেত্র থেকে ৭৩৮ দশমিক ৫ এমএমসিএফডি গ্যাস উৎপাদিত হয়েছে। পাশাপাশি, রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেডের (আরপিজিসিএল) মাধ্যমে আরও ৯৯২ এমএমসিএফডি এলএনজি সরবরাহ করা হয়েছে।

গ্যাসের পাশাপাশি এসব বিভিন্ন উৎস থেকে দৈনিক মোট ৫ হাজার ৭৯২ দশমিক ৩ ব্যারেল কনডেনসেটও উৎপাদিত হয়েছে। যার সিংহভাগ অর্থাৎ ৪ হাজার ৭৬২ দশমিক ১ ব্যারেল কনডেনসেট উৎপাদিত হয়েছে আন্তর্জাতিক কোম্পানিগুলোর কূপ থেকে। সার্বিক এই উৎপাদন পরিস্থিতি দেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদার মেটানোর ক্ষেত্রে দেশীয় ও আমদানিকৃত খাতের ভারসাম্যপূর্ণ ব্যবহারের বাস্তব চিত্র স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত