প্রায় দীর্ঘ ছয় বছর বিরতির পর দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃতি শিক্ষার্থীদের জন্য মর্যাদাপূর্ণ 'প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক' প্রদানের উদ্যোগ নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)।
বুধবার এক আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ২০১৯, ২০২০ ও ২০২১ সালের তিন সেশনের জন্য মোট ৪৬৯ জন কৃতি শিক্ষার্থীর প্রাথমিক ও চূড়ান্ত এই তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। প্রকাশিত এই তালিকায় ২০১৯ সালের ১৭৮ জন, ২০২০ সালের ১৪১ জন এবং ২০২১ সালের ১৫০ জন শিক্ষার্থী স্থান পেয়েছেন। দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় আরও বেশি মনোযোগী হতে এবং উচ্চশিক্ষা অর্জনে উৎসাহিত করতে ২০০৫ সাল থেকে এই বিশেষ পদক প্রদান কার্যক্রম চলে আসছে।
তালিকা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, দেশের অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে পেছনে ফেলে এবারের পদকপ্রাপ্তিতে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। ঐতিহ্যবাহী এই পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট ৩০ জন কৃতি শিক্ষার্থী এই মর্যাদাপূর্ণ পদক পাওয়ার গৌরব অর্জন করেছেন। এর ঠিক পরেই দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, যেখান থেকে মোট ২৮ জন শিক্ষার্থী এই তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন।
ইউজিসির নীতিমালা অনুযায়ী, নির্বাচিত কৃতি শিক্ষার্থীদের প্রত্যেককে ২২ ক্যারেট মানের সাড়ে চার গ্রাম স্বর্ণ এবং দশ গ্রাম রৌপ্য দিয়ে তৈরি একটি আকর্ষণীয় পদক ও একটি সম্মাননাপত্র প্রদান করা হবে।
ইউজিসির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থেকে প্রাপ্ত মনোনীত প্রার্থীদের আবেদন অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মাধ্যমে তথ্য পুনর্পরীক্ষা করেই এই তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে, যা ইউজিসির দাপ্তরিক ওয়েবসাইটে সবার জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়েছে। তবে প্রকাশিত এই তালিকা নিয়ে যদি কোনো শিক্ষার্থী বা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কোনো ধরনের আপত্তি কিংবা সুনির্দিষ্ট মতামত থাকে, তবে তা প্রয়োজনীয় সব প্রমাণসহ আগামী ৩১ অক্টোবরের মধ্যে লিখিতভাবে অথবা নির্দিষ্ট ই-মেইলের মাধ্যমে ইউজিসির রিসার্চ গ্রান্টস অ্যান্ড অ্যাওয়ার্ড বিভাগের পরিচালকের দপ্তরে জানানোর জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত এই সময়ের পর আর কোনো ধরনের অভিযোগ বা আপত্তি গ্রহণ করা হবে না এবং এই তালিকাটিই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।
উল্লেখ্য, ২০০৫ সালে শুধু পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মেধা মূল্যায়নের মাধ্যমে এই স্বর্ণপদক প্রথা চালু করা হয়েছিল। পরবর্তীতে ২০১৮ সালে নীতিমালা সংশোধন করার পর থেকে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশাপাশি স্থায়ী সনদপ্রাপ্ত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কৃতি শিক্ষার্থীরাও এই ঐতিহাসিক পুরস্কারের আওতায় আসেন। সবশেষ ২০২০ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি 'প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক, ২০১৮' প্রদান করা হয়েছিল।

বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রায় দীর্ঘ ছয় বছর বিরতির পর দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃতি শিক্ষার্থীদের জন্য মর্যাদাপূর্ণ 'প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক' প্রদানের উদ্যোগ নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)।
বুধবার এক আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ২০১৯, ২০২০ ও ২০২১ সালের তিন সেশনের জন্য মোট ৪৬৯ জন কৃতি শিক্ষার্থীর প্রাথমিক ও চূড়ান্ত এই তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। প্রকাশিত এই তালিকায় ২০১৯ সালের ১৭৮ জন, ২০২০ সালের ১৪১ জন এবং ২০২১ সালের ১৫০ জন শিক্ষার্থী স্থান পেয়েছেন। দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় আরও বেশি মনোযোগী হতে এবং উচ্চশিক্ষা অর্জনে উৎসাহিত করতে ২০০৫ সাল থেকে এই বিশেষ পদক প্রদান কার্যক্রম চলে আসছে।
তালিকা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, দেশের অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে পেছনে ফেলে এবারের পদকপ্রাপ্তিতে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। ঐতিহ্যবাহী এই পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট ৩০ জন কৃতি শিক্ষার্থী এই মর্যাদাপূর্ণ পদক পাওয়ার গৌরব অর্জন করেছেন। এর ঠিক পরেই দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, যেখান থেকে মোট ২৮ জন শিক্ষার্থী এই তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন।
ইউজিসির নীতিমালা অনুযায়ী, নির্বাচিত কৃতি শিক্ষার্থীদের প্রত্যেককে ২২ ক্যারেট মানের সাড়ে চার গ্রাম স্বর্ণ এবং দশ গ্রাম রৌপ্য দিয়ে তৈরি একটি আকর্ষণীয় পদক ও একটি সম্মাননাপত্র প্রদান করা হবে।
ইউজিসির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থেকে প্রাপ্ত মনোনীত প্রার্থীদের আবেদন অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মাধ্যমে তথ্য পুনর্পরীক্ষা করেই এই তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে, যা ইউজিসির দাপ্তরিক ওয়েবসাইটে সবার জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়েছে। তবে প্রকাশিত এই তালিকা নিয়ে যদি কোনো শিক্ষার্থী বা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কোনো ধরনের আপত্তি কিংবা সুনির্দিষ্ট মতামত থাকে, তবে তা প্রয়োজনীয় সব প্রমাণসহ আগামী ৩১ অক্টোবরের মধ্যে লিখিতভাবে অথবা নির্দিষ্ট ই-মেইলের মাধ্যমে ইউজিসির রিসার্চ গ্রান্টস অ্যান্ড অ্যাওয়ার্ড বিভাগের পরিচালকের দপ্তরে জানানোর জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত এই সময়ের পর আর কোনো ধরনের অভিযোগ বা আপত্তি গ্রহণ করা হবে না এবং এই তালিকাটিই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।
উল্লেখ্য, ২০০৫ সালে শুধু পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মেধা মূল্যায়নের মাধ্যমে এই স্বর্ণপদক প্রথা চালু করা হয়েছিল। পরবর্তীতে ২০১৮ সালে নীতিমালা সংশোধন করার পর থেকে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশাপাশি স্থায়ী সনদপ্রাপ্ত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কৃতি শিক্ষার্থীরাও এই ঐতিহাসিক পুরস্কারের আওতায় আসেন। সবশেষ ২০২০ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি 'প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক, ২০১৮' প্রদান করা হয়েছিল।

আপনার মতামত লিখুন