চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) পরিচালনার দায়িত্ব দুবাইভিত্তিক কোম্পানি ডিপি ওয়ার্ল্ডকে দেওয়ার চুক্তি সই হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) বিকেল ৩টায় রাজধানীর ইনভেস্ট বাংলাদেশ অডিটোরিয়ামে এই চুক্তি সই হয়।
এনসিটি চট্টগ্রাম বন্দরের চারটি প্রধান টার্মিনালের মধ্যে সবচেয়ে বড়। এই টার্মিনাল বিদেশি কোম্পানিকে দেওয়ার সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে দিনভর আন্দোলন করেছে কয়েকটি বামপন্থি দল ও সংগঠন। চুক্তি সইয়ের সময় তারা ইনভেস্ট বাংলাদেশ অডিটোরিয়ামের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করে।
আন্দোলনে অংশ নেয় বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ), গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টি, বাংলাদেশ জাসদ, বাসদ (মার্কসবাদী), বাংলাদেশ সাম্যবাদী আন্দোলন, সাম্রাজ্যবাদ ও যুদ্ধবিরোধী জোট, গণতান্ত্রিক ছাত্রজোট ও গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটি।
আওয়ামী লীগ সরকারের আমলেই এনসিটি পরিচালনার দায়িত্ব ডিপি ওয়ার্ল্ডকে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সে সময় তা কার্যকর হয়নি। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকার আবার এই উদ্যোগ শুরু করে। কিন্তু বন্দর শ্রমিকদের আন্দোলনের মুখে ৮ ফেব্রুয়ারি ইজারা দেওয়ার প্রক্রিয়া স্থগিত করা হয়।
পরে বিএনপি সরকার গঠনের পর গত ৪ জুন ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যেতে বন্দর কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়। এরপর চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ ১২ সদস্যের একটি সহায়ক দলও গঠন করে।
সরকার বলছে, আন্তর্জাতিক মানের ব্যবস্থাপনা ও আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে বন্দরের কাজ আরও দ্রুত করতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে বিদেশি বিনিয়োগ বাড়বে, বাণিজ্য প্রসারিত হবে এবং স্থানীয় জনবলের দক্ষতাও বাড়বে।
অন্যদিকে আন্দোলনকারীরা বলছেন, এনসিটি বিদেশিদের হাতে ছেড়ে দিলে বন্দর লোকসানে পড়বে, দক্ষ কর্মী হারাবে এবং দেশের অর্থ বিদেশে চলে যাবে। ভূরাজনৈতিক দিক থেকেও বাংলাদেশ ঝুঁকিতে পড়তে পারে বলেও আশঙ্কা তাদের।

বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ অক্টোবর ২০২৬
চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) পরিচালনার দায়িত্ব দুবাইভিত্তিক কোম্পানি ডিপি ওয়ার্ল্ডকে দেওয়ার চুক্তি সই হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) বিকেল ৩টায় রাজধানীর ইনভেস্ট বাংলাদেশ অডিটোরিয়ামে এই চুক্তি সই হয়।
এনসিটি চট্টগ্রাম বন্দরের চারটি প্রধান টার্মিনালের মধ্যে সবচেয়ে বড়। এই টার্মিনাল বিদেশি কোম্পানিকে দেওয়ার সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে দিনভর আন্দোলন করেছে কয়েকটি বামপন্থি দল ও সংগঠন। চুক্তি সইয়ের সময় তারা ইনভেস্ট বাংলাদেশ অডিটোরিয়ামের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করে।
আন্দোলনে অংশ নেয় বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ), গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টি, বাংলাদেশ জাসদ, বাসদ (মার্কসবাদী), বাংলাদেশ সাম্যবাদী আন্দোলন, সাম্রাজ্যবাদ ও যুদ্ধবিরোধী জোট, গণতান্ত্রিক ছাত্রজোট ও গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটি।
আওয়ামী লীগ সরকারের আমলেই এনসিটি পরিচালনার দায়িত্ব ডিপি ওয়ার্ল্ডকে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সে সময় তা কার্যকর হয়নি। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকার আবার এই উদ্যোগ শুরু করে। কিন্তু বন্দর শ্রমিকদের আন্দোলনের মুখে ৮ ফেব্রুয়ারি ইজারা দেওয়ার প্রক্রিয়া স্থগিত করা হয়।
পরে বিএনপি সরকার গঠনের পর গত ৪ জুন ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যেতে বন্দর কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়। এরপর চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ ১২ সদস্যের একটি সহায়ক দলও গঠন করে।
সরকার বলছে, আন্তর্জাতিক মানের ব্যবস্থাপনা ও আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে বন্দরের কাজ আরও দ্রুত করতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে বিদেশি বিনিয়োগ বাড়বে, বাণিজ্য প্রসারিত হবে এবং স্থানীয় জনবলের দক্ষতাও বাড়বে।
অন্যদিকে আন্দোলনকারীরা বলছেন, এনসিটি বিদেশিদের হাতে ছেড়ে দিলে বন্দর লোকসানে পড়বে, দক্ষ কর্মী হারাবে এবং দেশের অর্থ বিদেশে চলে যাবে। ভূরাজনৈতিক দিক থেকেও বাংলাদেশ ঝুঁকিতে পড়তে পারে বলেও আশঙ্কা তাদের।

আপনার মতামত লিখুন