টাঙ্গাইলের গোপালপুরে বিয়ের রাতে বাসরঘরে অসুস্থ হয়ে আয়নাল হক (৩৮) নামের এক ব্যক্তির মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (৭ অক্টোবর) দিবাগত রাতে উপজেলার হেমনগর ইউনিয়নের বেলুয়া গ্রামে এ হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটে।
মারা যাওয়া আয়নাল হক ওই গ্রামের মৃত দানেশ আলীর ছেলে। নববধূকে ঘরে তোলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে এমন আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবার ও পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, আয়নাল হক জেলা শহরে ভাড়া বাসায় থেকে সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালাতেন এবং পাশাপাশি ছোটখাটো ব্যবসা করতেন। এক ছেলে ও এক মেয়েকে নিয়ে তার সংসার ছিল। তবে গত জুলাই মাসে তার প্রথম স্ত্রী দুই সন্তান রেখে নগদ অর্থ ও স্বর্ণালংকার নিয়ে উধাও হয়ে যান। এরপর থেকে দুই সন্তানকে লালন-পালন করা নিয়ে তীব্র হতাশায় ভুগছিলেন তিনি।
এমন পরিস্থিতিতে পরিবারের চাপে ও স্বজনদের অনুরোধে আয়নাল হক বুধবার রাতে পাশের খামারপাড়া গ্রামের আ. বারীর মেয়ে রুবিনা খাতুনকে (২০) দ্বিতীয় স্ত্রী হিসেবে বিয়ে করেন। বিয়ের যাবতীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে রাতে নতুন স্ত্রীকে নিয়ে গ্রামের বাড়িতে ফেরেন তিনি। কিন্তু গভীর রাতে বাসরঘরেই আয়নাল হক হঠাৎ বুকে তীব্র ব্যথা অনুভব করেন। চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেওয়ার প্রস্তুতিকালেই তিনি না ফেরার দেশে চলে যান।
হেমনগর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শামসুল আলম বলেন, বিয়ে সম্পন্ন করে কনেকে বাড়িতে নিয়ে আসার পর বাসরঘরেই এমন মর্মান্তিক মৃত্যু অত্যন্ত বেদনাদায়ক।
গোপালপুর থানার কর্মকর্তা ইনচার্জ (ওসি) রুহুল আমিন বলেন, বিষয়টি তিনি লোকমুখে শুনেছেন। তবে এ ঘটনায় থানায় কেউ কোনো লিখিত অভিযোগ জানাননি। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তার স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ অক্টোবর ২০২৬
টাঙ্গাইলের গোপালপুরে বিয়ের রাতে বাসরঘরে অসুস্থ হয়ে আয়নাল হক (৩৮) নামের এক ব্যক্তির মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (৭ অক্টোবর) দিবাগত রাতে উপজেলার হেমনগর ইউনিয়নের বেলুয়া গ্রামে এ হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটে।
মারা যাওয়া আয়নাল হক ওই গ্রামের মৃত দানেশ আলীর ছেলে। নববধূকে ঘরে তোলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে এমন আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবার ও পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, আয়নাল হক জেলা শহরে ভাড়া বাসায় থেকে সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালাতেন এবং পাশাপাশি ছোটখাটো ব্যবসা করতেন। এক ছেলে ও এক মেয়েকে নিয়ে তার সংসার ছিল। তবে গত জুলাই মাসে তার প্রথম স্ত্রী দুই সন্তান রেখে নগদ অর্থ ও স্বর্ণালংকার নিয়ে উধাও হয়ে যান। এরপর থেকে দুই সন্তানকে লালন-পালন করা নিয়ে তীব্র হতাশায় ভুগছিলেন তিনি।
এমন পরিস্থিতিতে পরিবারের চাপে ও স্বজনদের অনুরোধে আয়নাল হক বুধবার রাতে পাশের খামারপাড়া গ্রামের আ. বারীর মেয়ে রুবিনা খাতুনকে (২০) দ্বিতীয় স্ত্রী হিসেবে বিয়ে করেন। বিয়ের যাবতীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে রাতে নতুন স্ত্রীকে নিয়ে গ্রামের বাড়িতে ফেরেন তিনি। কিন্তু গভীর রাতে বাসরঘরেই আয়নাল হক হঠাৎ বুকে তীব্র ব্যথা অনুভব করেন। চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেওয়ার প্রস্তুতিকালেই তিনি না ফেরার দেশে চলে যান।
হেমনগর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শামসুল আলম বলেন, বিয়ে সম্পন্ন করে কনেকে বাড়িতে নিয়ে আসার পর বাসরঘরেই এমন মর্মান্তিক মৃত্যু অত্যন্ত বেদনাদায়ক।
গোপালপুর থানার কর্মকর্তা ইনচার্জ (ওসি) রুহুল আমিন বলেন, বিষয়টি তিনি লোকমুখে শুনেছেন। তবে এ ঘটনায় থানায় কেউ কোনো লিখিত অভিযোগ জানাননি। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তার স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন