ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে এক পল্লী বিদ্যুৎ কর্মচারীর বসতঘরের তালা ভেঙে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় স্বজনদের জিম্মি ও বৃদ্ধা মাকে মারধর করে নগদ টাকাসহ প্রায় সাড়ে ১০ লাখ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে গেছে একদল ডাকাত।
বুধবার (৭ অক্টোবর) দিবাগত রাত চারটার দিকে উপজেলার টাংগাব ইউনিয়নের বারইহাটি গ্রামের বটতলা এলাকায় আজিজুল হকের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়, আজিজুল হক কিশোরগঞ্জে পল্লী বিদ্যুতে চাকরি করেন এবং পরিবার নিয়ে নরসিংদীতে থাকেন। ঘটনার দিন তার স্ত্রী দুই সন্তানসহ ঢাকায় ছিলেন। ঘটনার সময় বাড়িতে কেবল তার ৭০ বছর বয়সী মা জোয়েদা খাতুন, বোন তাসলিমা খাতুন ও এক ভাগনি ছিলেন।
ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা জানান, রাত চারটার দিকে তিন থেকে চারজন সশস্ত্র ডাকাত বসতবাড়ির মূল দরজার তিনটি তালা ভেঙে ভেতরে ঢোকে। বাইরে আরও কয়েকজন পাহারায় নিয়োজিত ছিল। ঘরে ঢুকে ডাকাতেরা পরিবারের সদস্যদের মুখ ও হাত কাপড় দিয়ে বেঁধে ফেলে এবং তাসলিমা খাতুনের গলায় চাপাতি ধরে জিম্মি করে।
পরে তারা ঘরে থাকা আলমারি ও ওয়ারড্রবের তালা ভেঙে তছনছ করে তিন ভরি স্বর্ণালংকার, ছয় ভরি রুপার অলংকার, জমি বিক্রির নগদ তিন লাখ টাকা, মুঠোফোন ও বিভিন্ন মূল্যবান মালামাল নিয়ে চম্পট দেয়। পরিবারটির হিসাব অনুযায়ী, সব মিলিয়ে লুট হওয়া মালামালের আর্থিক মূল্য প্রায় সাড়ে ১০ লাখ টাকা।
আজিজুল হক বলেন, ‘খবর পেয়ে ভোরে বাড়ি এসে দেখি ঘরের সবকিছু লণ্ডভণ্ড। ডাকাতেরা ঘরে ঢুকে বারবার জমি কেনার গচ্ছিত টাকা কোথায় রাখা হয়েছে জানতে চেয়ে চাপ দেয়। টাকা দিতে দেরি হওয়ায় আমার বৃদ্ধা মা জোয়েদা খাতুনকে তারা শারীরিক নির্যাতন করে।’
এ ব্যাপারে পাগলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আমিনুল ইসলাম জানান, খবর পাওয়ার পর তারা পুলিশের একটি দল নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
তিনি বলেন, ‘ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে এখনও লিখিত অভিযোগ মেলেনি। অভিযোগ পেলে ও তদন্তের সাপেক্ষে দোষীদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ অক্টোবর ২০২৬
ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে এক পল্লী বিদ্যুৎ কর্মচারীর বসতঘরের তালা ভেঙে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় স্বজনদের জিম্মি ও বৃদ্ধা মাকে মারধর করে নগদ টাকাসহ প্রায় সাড়ে ১০ লাখ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে গেছে একদল ডাকাত।
বুধবার (৭ অক্টোবর) দিবাগত রাত চারটার দিকে উপজেলার টাংগাব ইউনিয়নের বারইহাটি গ্রামের বটতলা এলাকায় আজিজুল হকের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়, আজিজুল হক কিশোরগঞ্জে পল্লী বিদ্যুতে চাকরি করেন এবং পরিবার নিয়ে নরসিংদীতে থাকেন। ঘটনার দিন তার স্ত্রী দুই সন্তানসহ ঢাকায় ছিলেন। ঘটনার সময় বাড়িতে কেবল তার ৭০ বছর বয়সী মা জোয়েদা খাতুন, বোন তাসলিমা খাতুন ও এক ভাগনি ছিলেন।
ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা জানান, রাত চারটার দিকে তিন থেকে চারজন সশস্ত্র ডাকাত বসতবাড়ির মূল দরজার তিনটি তালা ভেঙে ভেতরে ঢোকে। বাইরে আরও কয়েকজন পাহারায় নিয়োজিত ছিল। ঘরে ঢুকে ডাকাতেরা পরিবারের সদস্যদের মুখ ও হাত কাপড় দিয়ে বেঁধে ফেলে এবং তাসলিমা খাতুনের গলায় চাপাতি ধরে জিম্মি করে।
পরে তারা ঘরে থাকা আলমারি ও ওয়ারড্রবের তালা ভেঙে তছনছ করে তিন ভরি স্বর্ণালংকার, ছয় ভরি রুপার অলংকার, জমি বিক্রির নগদ তিন লাখ টাকা, মুঠোফোন ও বিভিন্ন মূল্যবান মালামাল নিয়ে চম্পট দেয়। পরিবারটির হিসাব অনুযায়ী, সব মিলিয়ে লুট হওয়া মালামালের আর্থিক মূল্য প্রায় সাড়ে ১০ লাখ টাকা।
আজিজুল হক বলেন, ‘খবর পেয়ে ভোরে বাড়ি এসে দেখি ঘরের সবকিছু লণ্ডভণ্ড। ডাকাতেরা ঘরে ঢুকে বারবার জমি কেনার গচ্ছিত টাকা কোথায় রাখা হয়েছে জানতে চেয়ে চাপ দেয়। টাকা দিতে দেরি হওয়ায় আমার বৃদ্ধা মা জোয়েদা খাতুনকে তারা শারীরিক নির্যাতন করে।’
এ ব্যাপারে পাগলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আমিনুল ইসলাম জানান, খবর পাওয়ার পর তারা পুলিশের একটি দল নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
তিনি বলেন, ‘ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে এখনও লিখিত অভিযোগ মেলেনি। অভিযোগ পেলে ও তদন্তের সাপেক্ষে দোষীদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

আপনার মতামত লিখুন