কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শিবিরগুলোতে অপরাধ ও সহিংসতার উদ্বেগজনক তথ্য জানা গেছে। আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) সূত্রে জানা গেছে, ২০২০ সাল থেকে ২০২৬ সালের আগস্ট পর্যন্ত এসব শিবিরে ২৫৬টি হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। অন্তত ১৫টি সন্ত্রাসী গোষ্ঠী ও অপরাধী চক্রের তৎপরতার খবরও পাওয়া যাচ্ছে। এই পরিস্থিতি ক্যাম্পের শরণার্থী এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করেছে।
অপরাধ দমনে মাঝে মাঝে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অভিযান পরিচালনা করা হয়। সম্প্রতি টেকনাফের রোহিঙ্গা শিবিরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যৌথ অভিযান চালিয়েছে। অভিযানে বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে সাজা দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। প্রশ্ন হচ্ছে বিচ্ছিন্ন অভিযান চালিয়ে আশ্রয় শিবিরে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যাবে কিনা। অপরাধী চক্রের সদস্যদের গ্রেপ্তারের পাশাপাশি তাদের মদতদাতাদের ধরতে হবে। অস্ত্রের উৎস খুঁজে বের করে ব্যবস্থা নিতে হবে। স্থানীয় ও আন্তঃসীমান্ত যোগাযোগের নেটওয়ার্ক চিহ্নিত করতে হবে।
আশ্রয় শিবিরগুলোতে অপরাধ বিস্তারের কারণ কি সেটা খুঁজে দেখা জরুরি। বাস্তবতা হচ্ছে ক্যাম্পে বৈধ জীবিকার অভাব রয়েছে। সেখানে পর্যাপ্ত নিরাপত্তার ঘাটতি পরিস্থিতিকে জটিল করেছে। আন্তর্জাতিক সহায়তা কমে গেলে খাদ্য ও অন্যান্য মৌলিক চাহিদা পূরণও কঠিন হয়ে পড়ে। এসব সমস্যার সহজ সমাধান নেই।
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অপরাধ নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্টদের আরও তৎপর হতে হবে। আশ্রয় শিবিরে নিয়মিত টহল দিতে হবে। সেখানে কার্যকর নজরদারি থাকতে হবে। এজন্য প্রয়োজনীয় প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে হবে। তবে নিরাপত্তার নামে নিরপরাধ শরণার্থীদের হয়রানি করা যাবে না। রোহিঙ্গা সমস্যার টেকসই সমাধানে তাদের মায়ানমারে প্রত্যাবাসনের বিকল্প নেই।

রোববার, ১১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ অক্টোবর ২০২৬
কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শিবিরগুলোতে অপরাধ ও সহিংসতার উদ্বেগজনক তথ্য জানা গেছে। আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) সূত্রে জানা গেছে, ২০২০ সাল থেকে ২০২৬ সালের আগস্ট পর্যন্ত এসব শিবিরে ২৫৬টি হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। অন্তত ১৫টি সন্ত্রাসী গোষ্ঠী ও অপরাধী চক্রের তৎপরতার খবরও পাওয়া যাচ্ছে। এই পরিস্থিতি ক্যাম্পের শরণার্থী এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করেছে।
অপরাধ দমনে মাঝে মাঝে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অভিযান পরিচালনা করা হয়। সম্প্রতি টেকনাফের রোহিঙ্গা শিবিরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যৌথ অভিযান চালিয়েছে। অভিযানে বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে সাজা দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। প্রশ্ন হচ্ছে বিচ্ছিন্ন অভিযান চালিয়ে আশ্রয় শিবিরে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যাবে কিনা। অপরাধী চক্রের সদস্যদের গ্রেপ্তারের পাশাপাশি তাদের মদতদাতাদের ধরতে হবে। অস্ত্রের উৎস খুঁজে বের করে ব্যবস্থা নিতে হবে। স্থানীয় ও আন্তঃসীমান্ত যোগাযোগের নেটওয়ার্ক চিহ্নিত করতে হবে।
আশ্রয় শিবিরগুলোতে অপরাধ বিস্তারের কারণ কি সেটা খুঁজে দেখা জরুরি। বাস্তবতা হচ্ছে ক্যাম্পে বৈধ জীবিকার অভাব রয়েছে। সেখানে পর্যাপ্ত নিরাপত্তার ঘাটতি পরিস্থিতিকে জটিল করেছে। আন্তর্জাতিক সহায়তা কমে গেলে খাদ্য ও অন্যান্য মৌলিক চাহিদা পূরণও কঠিন হয়ে পড়ে। এসব সমস্যার সহজ সমাধান নেই।
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অপরাধ নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্টদের আরও তৎপর হতে হবে। আশ্রয় শিবিরে নিয়মিত টহল দিতে হবে। সেখানে কার্যকর নজরদারি থাকতে হবে। এজন্য প্রয়োজনীয় প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে হবে। তবে নিরাপত্তার নামে নিরপরাধ শরণার্থীদের হয়রানি করা যাবে না। রোহিঙ্গা সমস্যার টেকসই সমাধানে তাদের মায়ানমারে প্রত্যাবাসনের বিকল্প নেই।

আপনার মতামত লিখুন