যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদের নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে পাঁচ সদস্যের উচ্চপর্যায়ের কমিটি। প্রধানত দুটি বিষয় - প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্তকরণ এবং সংশ্লিষ্টদের গাফিলতির বিষয়টি সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে তদন্ত কাজ পরিচালনা করা হচ্ছে।
রোববার (১১ অক্টোবর) তদন্ত কমিটির সদস্যরা রাজধানীর মতিঝিলে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরে গিয়ে বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করবেন। এর আগে শনিবার (১০ অক্টোবর) ২৪২টি পদের বিপরীতে প্রায় ৩ লাখ ১৯ হাজার প্রার্থীর অংশগ্রহণে ঢাকার ৯৫টি কেন্দ্রে প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিষয়টি ছড়িয়ে পড়ায় পরীক্ষা শুরুর আগেই তা স্থগিত করা হয়। পরীক্ষা বাতিলের জেরে ক্ষুব্ধ প্রার্থীরা রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন।
পরে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব মাহফুজুল আলম খানকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের এই তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিকে আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব নুসরাত আইরিন, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপসচিব জিল্লুর রহমান এবং যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের পরিচালক এ কে এম মফিজুল ইসলাম।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রশ্নপত্র তৈরি, মুদ্রণ ও বিতরণের পুরো প্রক্রিয়াটি তদন্তের আওতায় আনা হচ্ছে। কারিগরি বিষয় খতিয়ে দেখতে তথ্য ও প্রযুক্তি বিভাগ থেকে একজন কর্মকর্তা চাওয়া হতে পারে। এছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কীভাবে প্রশ্ন ফাঁস হলো, কারা এর উপকারভোগী এবং অধিদপ্তরের অভ্যন্তরীণ কোনো গাফিলতি ছিল কি না - সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এদিকে স্থগিত হওয়া পরীক্ষাটি আগামী ১৬ অক্টোবর শুক্রবার বেলা তিনটায় গ্রহণের প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং প্রার্থীদের নতুন সময়সূচি এসএমএসের মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে।

রোববার, ১১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ অক্টোবর ২০২৬
যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদের নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে পাঁচ সদস্যের উচ্চপর্যায়ের কমিটি। প্রধানত দুটি বিষয় - প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্তকরণ এবং সংশ্লিষ্টদের গাফিলতির বিষয়টি সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে তদন্ত কাজ পরিচালনা করা হচ্ছে।
রোববার (১১ অক্টোবর) তদন্ত কমিটির সদস্যরা রাজধানীর মতিঝিলে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরে গিয়ে বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করবেন। এর আগে শনিবার (১০ অক্টোবর) ২৪২টি পদের বিপরীতে প্রায় ৩ লাখ ১৯ হাজার প্রার্থীর অংশগ্রহণে ঢাকার ৯৫টি কেন্দ্রে প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিষয়টি ছড়িয়ে পড়ায় পরীক্ষা শুরুর আগেই তা স্থগিত করা হয়। পরীক্ষা বাতিলের জেরে ক্ষুব্ধ প্রার্থীরা রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন।
পরে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব মাহফুজুল আলম খানকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের এই তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিকে আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব নুসরাত আইরিন, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপসচিব জিল্লুর রহমান এবং যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের পরিচালক এ কে এম মফিজুল ইসলাম।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রশ্নপত্র তৈরি, মুদ্রণ ও বিতরণের পুরো প্রক্রিয়াটি তদন্তের আওতায় আনা হচ্ছে। কারিগরি বিষয় খতিয়ে দেখতে তথ্য ও প্রযুক্তি বিভাগ থেকে একজন কর্মকর্তা চাওয়া হতে পারে। এছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কীভাবে প্রশ্ন ফাঁস হলো, কারা এর উপকারভোগী এবং অধিদপ্তরের অভ্যন্তরীণ কোনো গাফিলতি ছিল কি না - সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এদিকে স্থগিত হওয়া পরীক্ষাটি আগামী ১৬ অক্টোবর শুক্রবার বেলা তিনটায় গ্রহণের প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং প্রার্থীদের নতুন সময়সূচি এসএমএসের মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন