যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদের নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ ওঠার পর পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। ২৪২টি পদের বিপরীতে প্রায় ৩ লাখ ১৯ হাজার প্রার্থী আবেদন করেছিলেন। তাদের অনেকেই দূরদূরান্ত থেকে ঢাকায় এসে ভোগান্তিতে পড়েছেন।
অভিযোগ ওঠার পর পরীক্ষা স্থগিত করা যুক্তিসংগত। প্রশ্নপত্র ফাঁসের আশঙ্কা থাকলে পরীক্ষা নিয়ে এগিয়ে যাওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতো না। তবে প্রশ্ন হচ্ছে, পরীক্ষা শুরুর ঠিক আগে কীভাবে এমন পরিস্থিতি তৈরি হলো? প্রশ্নপত্র সত্যিই ফাঁস হয়েছিল কি না, হয়ে থাকলে কীভাবে তা বাইরে গেল এবং এর সঙ্গে কারা জড়িত, তা সুষ্ঠু তদন্তে বের করতে হবে। প্রশ্ন ফাঁসের সঙ্গে কারও সংশ্লিষ্টতা প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে। তদন্ত কমিটিকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে হবে। কমিটির সুপারিশ বাস্তবায়ন করতে হবে।
এই ঘটনায় চাকরিপ্রার্থীদের আর্থিক ক্ষতির বিষয়টি উপেক্ষা করা যায় না। অনেকেই যাতায়াত, থাকা ও খাবারের পেছনে টাকা খরচ করেছেন। কেউ ছুটি নিয়ে এসেছেন, কেউ ধারদেনা করে পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছেন। নতুন তারিখে পরীক্ষা হলে তাদের আবারও একই খরচ ও ভোগান্তির মুখে পড়তে হবে।
সরকারি চাকরির নিয়োগপ্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে নিয়োগ নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। প্রশ্নপত্র প্রণয়ন, মুদ্রণ, পরিবহন ও সংরক্ষণের প্রতিটি ধাপে কঠোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি নিয়োগ পরীক্ষার দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে।
স্থগিত পরীক্ষা দ্রুত নেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। ভবিষ্যতে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে তোলা জরুরি।

সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ অক্টোবর ২০২৬
যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদের নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ ওঠার পর পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। ২৪২টি পদের বিপরীতে প্রায় ৩ লাখ ১৯ হাজার প্রার্থী আবেদন করেছিলেন। তাদের অনেকেই দূরদূরান্ত থেকে ঢাকায় এসে ভোগান্তিতে পড়েছেন।
অভিযোগ ওঠার পর পরীক্ষা স্থগিত করা যুক্তিসংগত। প্রশ্নপত্র ফাঁসের আশঙ্কা থাকলে পরীক্ষা নিয়ে এগিয়ে যাওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতো না। তবে প্রশ্ন হচ্ছে, পরীক্ষা শুরুর ঠিক আগে কীভাবে এমন পরিস্থিতি তৈরি হলো? প্রশ্নপত্র সত্যিই ফাঁস হয়েছিল কি না, হয়ে থাকলে কীভাবে তা বাইরে গেল এবং এর সঙ্গে কারা জড়িত, তা সুষ্ঠু তদন্তে বের করতে হবে। প্রশ্ন ফাঁসের সঙ্গে কারও সংশ্লিষ্টতা প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে। তদন্ত কমিটিকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে হবে। কমিটির সুপারিশ বাস্তবায়ন করতে হবে।
এই ঘটনায় চাকরিপ্রার্থীদের আর্থিক ক্ষতির বিষয়টি উপেক্ষা করা যায় না। অনেকেই যাতায়াত, থাকা ও খাবারের পেছনে টাকা খরচ করেছেন। কেউ ছুটি নিয়ে এসেছেন, কেউ ধারদেনা করে পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছেন। নতুন তারিখে পরীক্ষা হলে তাদের আবারও একই খরচ ও ভোগান্তির মুখে পড়তে হবে।
সরকারি চাকরির নিয়োগপ্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে নিয়োগ নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। প্রশ্নপত্র প্রণয়ন, মুদ্রণ, পরিবহন ও সংরক্ষণের প্রতিটি ধাপে কঠোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি নিয়োগ পরীক্ষার দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে।
স্থগিত পরীক্ষা দ্রুত নেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। ভবিষ্যতে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে তোলা জরুরি।

আপনার মতামত লিখুন