প্রতারণার মামলায় ২১ লাখ টাকা আদালতে জমা দিয়ে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন ঐতিহাসিক হাজীগঞ্জ বড় মসজিদের বর্তমান মোতাওয়াল্লী প্রিন্স শাকিল আহমেদ (৪৫) এবং তার বাবা ও সাবেক মোতাওয়াল্লী আলমগীর কবির পাটোয়ারী (৬৫)।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) বিকেল তিনটায় চাঁদপুরের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মোহাম্মদ মুজাহিদুর রহমান এই জামিন মঞ্জুর করেন। আইনি প্রক্রিয়া শেষে সন্ধ্যায় তারা জেলা কারাগার থেকে মুক্তি পান।
আদালত ও মামলা সূত্রে জানা যায়, প্রতারণার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় অভিযুক্ত পিতা-পুত্র আদালতের ধার্যকৃত ২১ লাখ টাকা জমা দিয়ে জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক তাদের জামিন মঞ্জুর করেন। আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট রিয়াদ হোসেন মুনতাছির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এদিকে আসামিদের জামিনের আদেশ শুনে আদালতকক্ষেই খুশিতে হাততালি দিয়ে উল্লাস প্রকাশ করেন মামলার বাদী মো. কবির হোসেন লিটন। আদালতের এজলাসে এমন অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণের কারণে বিচারক মোহাম্মদ মুজাহিদুর রহমান তাৎক্ষণিকভাবে তাকে সিডব্লিউ (C.W.) মূলে গ্রেপ্তার করে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
তবে ঘটনার দিন বিকেলে পরবর্তী শুনানির পর আদালত বাদী কবির হোসেন লিটনেরও জামিন মঞ্জুর করেন। বাদীর আইনজীবী সাইফুল ইসলাম মোল্লা জানান, আদালতের নির্দেশে জামিন পাওয়ার পর মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সকালে তিনি কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন।

মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ অক্টোবর ২০২৬
প্রতারণার মামলায় ২১ লাখ টাকা আদালতে জমা দিয়ে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন ঐতিহাসিক হাজীগঞ্জ বড় মসজিদের বর্তমান মোতাওয়াল্লী প্রিন্স শাকিল আহমেদ (৪৫) এবং তার বাবা ও সাবেক মোতাওয়াল্লী আলমগীর কবির পাটোয়ারী (৬৫)।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) বিকেল তিনটায় চাঁদপুরের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মোহাম্মদ মুজাহিদুর রহমান এই জামিন মঞ্জুর করেন। আইনি প্রক্রিয়া শেষে সন্ধ্যায় তারা জেলা কারাগার থেকে মুক্তি পান।
আদালত ও মামলা সূত্রে জানা যায়, প্রতারণার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় অভিযুক্ত পিতা-পুত্র আদালতের ধার্যকৃত ২১ লাখ টাকা জমা দিয়ে জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক তাদের জামিন মঞ্জুর করেন। আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট রিয়াদ হোসেন মুনতাছির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এদিকে আসামিদের জামিনের আদেশ শুনে আদালতকক্ষেই খুশিতে হাততালি দিয়ে উল্লাস প্রকাশ করেন মামলার বাদী মো. কবির হোসেন লিটন। আদালতের এজলাসে এমন অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণের কারণে বিচারক মোহাম্মদ মুজাহিদুর রহমান তাৎক্ষণিকভাবে তাকে সিডব্লিউ (C.W.) মূলে গ্রেপ্তার করে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
তবে ঘটনার দিন বিকেলে পরবর্তী শুনানির পর আদালত বাদী কবির হোসেন লিটনেরও জামিন মঞ্জুর করেন। বাদীর আইনজীবী সাইফুল ইসলাম মোল্লা জানান, আদালতের নির্দেশে জামিন পাওয়ার পর মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সকালে তিনি কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন