মানবপাচার প্রতিরোধ ও সংঘবদ্ধ অপরাধ দমনে সরকার কঠোর জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে বলে অত্যন্ত স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। মানবপাচারের শিকার অসহায় ব্যক্তিদের সার্বিক সুরক্ষা, টেকসই পুনর্বাসন এবং অপরাধীদের দ্রুত সময়ের মধ্যে কঠিন আইনের আওতায় আনতে বর্তমানে জাতীয় রেফারেল মেকানিজম (এনআরএম) ও মানবপাচার প্রতিরোধ তহবিল পূর্ণ মাত্রায় কার্যকরভাবে পরিচালনা করা হচ্ছে বলেও অভিমত ব্যক্ত করেন তিনি।
সোমবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে নিজ কার্যালয়ে আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা উইনরক ইন্টারন্যাশনালের গ্লোবাল প্রেসিডেন্ট ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মাকসুদা মাকসুদির সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এই অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
সৌজন্য সাক্ষাৎকালে দেশের বিদ্যমান মানবপাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, উদ্ভাবনী ডিজিটাল এনআরএম প্ল্যাটফর্ম এবং পাচারের শিকার ব্যক্তিদের পুনরায় মূলধারায় ফিরিয়ে আনতে টেকসই পুনর্বাসন কার্যক্রমের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ তার বক্তব্যে বলেন, "মানবপাচার প্রতিরোধে মাঠপর্যায়ে কাজ করা বেসরকারি সংস্থাগুলোর সার্বিক কার্যক্রম ও নতুন প্রকল্পের অনুমোদন প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করতে মন্ত্রণালয় সর্বাত্মক ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছে। এর পাশাপাশি বৈদেশিক কর্মসংস্থানের লোভনীয় প্রলোভন দেখিয়ে সাইবার স্পেস ও বিভিন্ন ভুয়া অনলাইন চাকরির প্রস্তাবের মাধ্যমে সংঘটিত জঘন্য জালিয়াতি এবং মানব পাচারচক্রের বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে কঠোর ও তাৎক্ষণিক আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।"
বৈঠকে অত্যন্ত ফলপ্রসূ আলোচনা শেষে উইনরক ইন্টারন্যাশনালের গ্লোবাল প্রেসিডেন্ট ও সিইও মাকসুদা মাকসুদি বলেন, "বাংলাদেশে মানবপাচার প্রতিরোধ ও ভুক্তভোগীদের সহায়তায় ২০০৮ সাল থেকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সুদৃঢ় অংশীদারত্বের ভিত্তিতে সফলভাবে কাজ করে যাচ্ছে আমাদের সংস্থা।"
দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা এই চমৎকার ও কার্যকর সহযোগিতার ধারাবাহিকতা বজায় থাকায় তিনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সার্বিক ভূমিকার প্রতি গভীর সন্তোষ প্রকাশ করেন। এর পাশাপাশি মানবপাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০২৬ এবং আগামী ২০২৬-২০৩০ মেয়াদের জন্য তৈরি আসন্ন জাতীয় কর্মপরিকল্পনা (এনপিএ) সফলভাবে বাস্তবায়নে উইনরক ইন্টারন্যাশনালের পক্ষ থেকে পূর্ণ সমর্থন করেন তিনি।
রাজধানীর সচিবালয়ে আয়োজিত উচ্চপর্যায়ের এই দ্বি-পাক্ষিক বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অভিজ্ঞ সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী, অতিরিক্ত সচিব (রাজনৈতিক ও বহিরাগমন) ড. জিয়াউদ্দিন আহমেদ এবং রাজনৈতিক-১ অধিশাখার দায়িত্বপ্রাপ্ত যুগ্মসচিব রেবেকা খান উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়াও প্রতিনিধি দলে উইনরক ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের সম্মানিত প্রকল্প পরিচালক দীপ্তা রক্ষিত ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাসিরউদ্দিন মাহমুদ চৌধুরী অন্য সবার সঙ্গে উপস্থিত থেকে আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন।

সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ অক্টোবর ২০২৬
মানবপাচার প্রতিরোধ ও সংঘবদ্ধ অপরাধ দমনে সরকার কঠোর জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে বলে অত্যন্ত স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। মানবপাচারের শিকার অসহায় ব্যক্তিদের সার্বিক সুরক্ষা, টেকসই পুনর্বাসন এবং অপরাধীদের দ্রুত সময়ের মধ্যে কঠিন আইনের আওতায় আনতে বর্তমানে জাতীয় রেফারেল মেকানিজম (এনআরএম) ও মানবপাচার প্রতিরোধ তহবিল পূর্ণ মাত্রায় কার্যকরভাবে পরিচালনা করা হচ্ছে বলেও অভিমত ব্যক্ত করেন তিনি।
সোমবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে নিজ কার্যালয়ে আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা উইনরক ইন্টারন্যাশনালের গ্লোবাল প্রেসিডেন্ট ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মাকসুদা মাকসুদির সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এই অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
সৌজন্য সাক্ষাৎকালে দেশের বিদ্যমান মানবপাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, উদ্ভাবনী ডিজিটাল এনআরএম প্ল্যাটফর্ম এবং পাচারের শিকার ব্যক্তিদের পুনরায় মূলধারায় ফিরিয়ে আনতে টেকসই পুনর্বাসন কার্যক্রমের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ তার বক্তব্যে বলেন, "মানবপাচার প্রতিরোধে মাঠপর্যায়ে কাজ করা বেসরকারি সংস্থাগুলোর সার্বিক কার্যক্রম ও নতুন প্রকল্পের অনুমোদন প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করতে মন্ত্রণালয় সর্বাত্মক ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছে। এর পাশাপাশি বৈদেশিক কর্মসংস্থানের লোভনীয় প্রলোভন দেখিয়ে সাইবার স্পেস ও বিভিন্ন ভুয়া অনলাইন চাকরির প্রস্তাবের মাধ্যমে সংঘটিত জঘন্য জালিয়াতি এবং মানব পাচারচক্রের বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে কঠোর ও তাৎক্ষণিক আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।"
বৈঠকে অত্যন্ত ফলপ্রসূ আলোচনা শেষে উইনরক ইন্টারন্যাশনালের গ্লোবাল প্রেসিডেন্ট ও সিইও মাকসুদা মাকসুদি বলেন, "বাংলাদেশে মানবপাচার প্রতিরোধ ও ভুক্তভোগীদের সহায়তায় ২০০৮ সাল থেকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সুদৃঢ় অংশীদারত্বের ভিত্তিতে সফলভাবে কাজ করে যাচ্ছে আমাদের সংস্থা।"
দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা এই চমৎকার ও কার্যকর সহযোগিতার ধারাবাহিকতা বজায় থাকায় তিনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সার্বিক ভূমিকার প্রতি গভীর সন্তোষ প্রকাশ করেন। এর পাশাপাশি মানবপাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০২৬ এবং আগামী ২০২৬-২০৩০ মেয়াদের জন্য তৈরি আসন্ন জাতীয় কর্মপরিকল্পনা (এনপিএ) সফলভাবে বাস্তবায়নে উইনরক ইন্টারন্যাশনালের পক্ষ থেকে পূর্ণ সমর্থন করেন তিনি।
রাজধানীর সচিবালয়ে আয়োজিত উচ্চপর্যায়ের এই দ্বি-পাক্ষিক বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অভিজ্ঞ সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী, অতিরিক্ত সচিব (রাজনৈতিক ও বহিরাগমন) ড. জিয়াউদ্দিন আহমেদ এবং রাজনৈতিক-১ অধিশাখার দায়িত্বপ্রাপ্ত যুগ্মসচিব রেবেকা খান উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়াও প্রতিনিধি দলে উইনরক ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের সম্মানিত প্রকল্প পরিচালক দীপ্তা রক্ষিত ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাসিরউদ্দিন মাহমুদ চৌধুরী অন্য সবার সঙ্গে উপস্থিত থেকে আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন।

আপনার মতামত লিখুন