ফেনী শহরের বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়মিত মনিটরিং ও তদারকির অংশ হিসেবে অভিযান চালিয়ে একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার সিলগালা করেছে জেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগ। একই সঙ্গে কয়েকজন ভুয়া বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একাধিক প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালানো হয়েছে।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) ফেনীর সিভিল সার্জন ডা. মো. আরিফুজ্জামানের নির্দেশনায় শহরের বিভিন্ন ডায়াগনস্টিক সেন্টারে এই পরিদর্শক কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
পরিদর্শনকালে অনুমোদন ও প্রয়োজনীয় লাইসেন্স না থাকায় শহরের ‘নিউ মেডিনোভা ডায়াগনস্টিক সেন্টার’ মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে সিলগালা করে দেওয়া হয়। স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, পরিদর্শনের সময় প্রতিষ্ঠানটির ট্রেড লাইসেন্স, পরিবেশ ছাড়পত্র, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা চুক্তি, ফায়ার সার্ভিস লাইসেন্স ও বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের লাইসেন্সসহ প্রয়োজনীয় নথিপত্র যাচাই করা হয়। পাশাপাশি এক্স-রে, ল্যাব ও অবকাঠামোগত সুবিধা পরীক্ষা করতে গিয়ে নানা অনিয়ম ধরা পড়ে।
এ ছাড়া ‘ইউনিভার্সাল মেডিকেল সার্ভিস অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার’, ‘নিরাময় ডায়াগনস্টিক সেন্টার’, ‘মেডিস্ক্যান হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার’ এবং ‘লাইফ কেয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টার’–এই চার প্রতিষ্ঠানে একজন ভুয়া বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক নিয়মিত রোগী দেখেন এমন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়। তবে অভিযানের বিষয়টি টের পেয়ে অভিযুক্ত ভুয়া চিকিৎসক সটকে পড়ায় তাকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
জেলা প্রশাসনের পক্ষে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার শামীমা আক্তার। পরিদর্শন দলে আরও উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. এ এস এম সোহরাব আল হোসাইন, সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ডা. এ কে এম ফাহাদ এবং ল্যাব কর্মকর্তা মাইনউদ্দিন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের এক কর্মকর্তা জানান, সাধারণ মানুষকে সচেতন করা এবং হাসপাতালগুলোকে সতর্ক করার স্বার্থেই প্রতিষ্ঠানগুলোর নাম প্রকাশ করা হয়েছে, যাতে কোনো ভুয়া চিকিৎসক সেখানে চেম্বার করতে না পারেন।

বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ অক্টোবর ২০২৬
ফেনী শহরের বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়মিত মনিটরিং ও তদারকির অংশ হিসেবে অভিযান চালিয়ে একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার সিলগালা করেছে জেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগ। একই সঙ্গে কয়েকজন ভুয়া বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একাধিক প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালানো হয়েছে।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) ফেনীর সিভিল সার্জন ডা. মো. আরিফুজ্জামানের নির্দেশনায় শহরের বিভিন্ন ডায়াগনস্টিক সেন্টারে এই পরিদর্শক কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
পরিদর্শনকালে অনুমোদন ও প্রয়োজনীয় লাইসেন্স না থাকায় শহরের ‘নিউ মেডিনোভা ডায়াগনস্টিক সেন্টার’ মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে সিলগালা করে দেওয়া হয়। স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, পরিদর্শনের সময় প্রতিষ্ঠানটির ট্রেড লাইসেন্স, পরিবেশ ছাড়পত্র, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা চুক্তি, ফায়ার সার্ভিস লাইসেন্স ও বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের লাইসেন্সসহ প্রয়োজনীয় নথিপত্র যাচাই করা হয়। পাশাপাশি এক্স-রে, ল্যাব ও অবকাঠামোগত সুবিধা পরীক্ষা করতে গিয়ে নানা অনিয়ম ধরা পড়ে।
এ ছাড়া ‘ইউনিভার্সাল মেডিকেল সার্ভিস অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার’, ‘নিরাময় ডায়াগনস্টিক সেন্টার’, ‘মেডিস্ক্যান হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার’ এবং ‘লাইফ কেয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টার’–এই চার প্রতিষ্ঠানে একজন ভুয়া বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক নিয়মিত রোগী দেখেন এমন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়। তবে অভিযানের বিষয়টি টের পেয়ে অভিযুক্ত ভুয়া চিকিৎসক সটকে পড়ায় তাকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
জেলা প্রশাসনের পক্ষে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার শামীমা আক্তার। পরিদর্শন দলে আরও উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. এ এস এম সোহরাব আল হোসাইন, সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ডা. এ কে এম ফাহাদ এবং ল্যাব কর্মকর্তা মাইনউদ্দিন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের এক কর্মকর্তা জানান, সাধারণ মানুষকে সচেতন করা এবং হাসপাতালগুলোকে সতর্ক করার স্বার্থেই প্রতিষ্ঠানগুলোর নাম প্রকাশ করা হয়েছে, যাতে কোনো ভুয়া চিকিৎসক সেখানে চেম্বার করতে না পারেন।

আপনার মতামত লিখুন