ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীন এবং ১১-দলীয় জোটের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন। সকালে ভোট দেওয়ার পর সার্বিক পরিবেশ নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে বিজয়ী বা বিজিত যাই হোক–ফলাফল হাসিমুখে মেনে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন বিএনপি প্রার্থী। আর সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সাধারণ ভোটাররা নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারছেন কি না তা নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াত সমর্থিত প্রার্থী।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকাল ৯টায় ঠাকুরগাঁও সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে নিজের ভোট দেন মির্জা ফয়সল আমীন। ঠিক একই সময়ে হাজীপাড়া আদর্শ উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দেন দেলাওয়ার হোসেন।
ভোট দেওয়া শেষে গণমাধ্যমকে মির্জা ফয়সল আমীন বলেন, “ভোটের পরিবেশ এখন পর্যন্ত অত্যন্ত সুষ্ঠু ও সুন্দর। ভোটাররা কোনো বাধা ছাড়া তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারছেন। নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফল যা-ই হোক, আমরা তা হাসিমুখে মেনে নেব।”
অন্যদিকে জামায়াত প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন বলেন, “সকালে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে, আমিও নিজের ভোট দিয়েছি। তবে সময় যত গড়াবে, সাধারণ মানুষ কতটা নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারছেন তা স্পষ্ট হবে।” নির্বাচন বর্জনের কোনো চিন্তা নেই জানিয়ে তিনি শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত ভোটের মাঠে থাকার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে কিছু কেন্দ্রে তার এজেন্টদের প্রবেশে বাধা দেওয়ার অভিযোগ তোলেন তিনি।
জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. কামরুল ইসলাম জানিয়েছেন, আজ সকাল ৮টা থেকে একটানা বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলবে। একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন উপহার দিতে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রে পর্যাপ্ত পুলিশ ও আনসার সদস্যের পাশাপাশি স্ট্রাইকিং ফোর্স ও বিজিবির রিজার্ভ টিম মোতায়েন রয়েছে।
জেলা নির্বাচন কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ঠাকুরগাঁও-১ আসনের তিন উপজেলায় মোট ভোটকেন্দ্র রয়েছে ১৮৫টি। এর মধ্যে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলায় ১১৩টি, নবগঠিত রুহিয়া উপজেলায় ৩৩টি এবং ভুল্লী উপজেলায় ৩৯টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ চলছে।
এই আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ১৫ হাজার ৮৫৩ জন। তাদের মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ৫৭ হাজার ২১৯ জন, নারী ২ লাখ ৫৮ হাজার ৬৩০ জন এবং হিজড়া ভোটার রয়েছেন ৪ জন। এ ছাড়া ২৮৭ জন নিবন্ধিত ভোটার পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দিচ্ছেন।
ভোটের সার্বিক আমেজ শেষে এখন সাধারণ মানুষের রায় কার বাক্সে পড়ে, সেদিকেই নজর প্রার্থী ও উৎসুক সমর্থকদের।

বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ অক্টোবর ২০২৬
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীন এবং ১১-দলীয় জোটের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন। সকালে ভোট দেওয়ার পর সার্বিক পরিবেশ নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে বিজয়ী বা বিজিত যাই হোক–ফলাফল হাসিমুখে মেনে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন বিএনপি প্রার্থী। আর সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সাধারণ ভোটাররা নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারছেন কি না তা নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াত সমর্থিত প্রার্থী।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকাল ৯টায় ঠাকুরগাঁও সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে নিজের ভোট দেন মির্জা ফয়সল আমীন। ঠিক একই সময়ে হাজীপাড়া আদর্শ উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দেন দেলাওয়ার হোসেন।
ভোট দেওয়া শেষে গণমাধ্যমকে মির্জা ফয়সল আমীন বলেন, “ভোটের পরিবেশ এখন পর্যন্ত অত্যন্ত সুষ্ঠু ও সুন্দর। ভোটাররা কোনো বাধা ছাড়া তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারছেন। নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফল যা-ই হোক, আমরা তা হাসিমুখে মেনে নেব।”
অন্যদিকে জামায়াত প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন বলেন, “সকালে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে, আমিও নিজের ভোট দিয়েছি। তবে সময় যত গড়াবে, সাধারণ মানুষ কতটা নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারছেন তা স্পষ্ট হবে।” নির্বাচন বর্জনের কোনো চিন্তা নেই জানিয়ে তিনি শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত ভোটের মাঠে থাকার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে কিছু কেন্দ্রে তার এজেন্টদের প্রবেশে বাধা দেওয়ার অভিযোগ তোলেন তিনি।
জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. কামরুল ইসলাম জানিয়েছেন, আজ সকাল ৮টা থেকে একটানা বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলবে। একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন উপহার দিতে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রে পর্যাপ্ত পুলিশ ও আনসার সদস্যের পাশাপাশি স্ট্রাইকিং ফোর্স ও বিজিবির রিজার্ভ টিম মোতায়েন রয়েছে।
জেলা নির্বাচন কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ঠাকুরগাঁও-১ আসনের তিন উপজেলায় মোট ভোটকেন্দ্র রয়েছে ১৮৫টি। এর মধ্যে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলায় ১১৩টি, নবগঠিত রুহিয়া উপজেলায় ৩৩টি এবং ভুল্লী উপজেলায় ৩৯টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ চলছে।
এই আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ১৫ হাজার ৮৫৩ জন। তাদের মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ৫৭ হাজার ২১৯ জন, নারী ২ লাখ ৫৮ হাজার ৬৩০ জন এবং হিজড়া ভোটার রয়েছেন ৪ জন। এ ছাড়া ২৮৭ জন নিবন্ধিত ভোটার পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দিচ্ছেন।
ভোটের সার্বিক আমেজ শেষে এখন সাধারণ মানুষের রায় কার বাক্সে পড়ে, সেদিকেই নজর প্রার্থী ও উৎসুক সমর্থকদের।

আপনার মতামত লিখুন