জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় কুষ্টিয়ায় ছয়জনকে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একই মামলায় অপর তিন আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) দুপুর ১২টায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন। বিচারিক প্যানেলের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানকালে কুষ্টিয়া এলাকায় আন্দোলনকারীদের ওপর দমনপীড়ন ও ছয়জনকে নির্মমভাবে হত্যার পেছনে প্রত্যক্ষ ইন্ধন ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত এই সর্বোচ্চ সাজা প্রদান করেন। মামলাটিতে তদন্ত কর্মকর্তাসহ মোট ১৯ জন প্রসিকিউশন সাক্ষী ট্রাইব্যুনালে জবানবন্দি দেন।
এর আগে গত ২০২৫ সালের ৬ অক্টোবর ট্রাইব্যুনাল আসামিদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমল নিয়ে পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছিলেন। রায় ঘোষণার সময় মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা পলাতক থাকায় তাদের অবর্তমানেই এই রায় দেওয়া হয়।
/

বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ অক্টোবর ২০২৬
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় কুষ্টিয়ায় ছয়জনকে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একই মামলায় অপর তিন আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) দুপুর ১২টায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন। বিচারিক প্যানেলের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানকালে কুষ্টিয়া এলাকায় আন্দোলনকারীদের ওপর দমনপীড়ন ও ছয়জনকে নির্মমভাবে হত্যার পেছনে প্রত্যক্ষ ইন্ধন ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত এই সর্বোচ্চ সাজা প্রদান করেন। মামলাটিতে তদন্ত কর্মকর্তাসহ মোট ১৯ জন প্রসিকিউশন সাক্ষী ট্রাইব্যুনালে জবানবন্দি দেন।
এর আগে গত ২০২৫ সালের ৬ অক্টোবর ট্রাইব্যুনাল আসামিদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমল নিয়ে পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছিলেন। রায় ঘোষণার সময় মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা পলাতক থাকায় তাদের অবর্তমানেই এই রায় দেওয়া হয়।
/

আপনার মতামত লিখুন