বরিশালের গৌরনদীতে নিজ ঘর থেকে আবদুল খালেক খন্দকার (৬০) নামের একাকী বসবাসকারী এক বৃদ্ধের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বসতঘর থেকে তীব্র দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয় বাসিন্দাদের সন্দেহ হলে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। পরে পুলিশ গিয়ে দরজা ভেঙে বিছানা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) রাত ১০টার দিকে উপজেলার মাহিলাড়া ইউনিয়নের দক্ষিণ বিলগ্রাম এলাকার নিজ ঘর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। মৃত আবদুল খালেক ওই গ্রামের মৃত হোসেন খন্দকারের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আবদুল খালেক বিলগ্রাম বাজারের বিভিন্ন দোকানে পানি সরবরাহ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। সোমবার সর্বশেষ তাকে বাজারে দেখা গিয়েছিল। এরপর থেকে আর তাকে বাইরে বের হতে দেখেননি স্থানীয়রা।
বুধবার সন্ধ্যায় তার বসতঘরের পাশ দিয়ে যাতায়াতের সময় স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা দুর্গন্ধ পান। কাছে গিয়ে ঘরের দরজা ভেতর থেকে আটকানো দেখে তাদের সন্দেহ হয়। এ সময় তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি থানা-পুলিশকে জানানো হয়।
খবর পেয়ে গৌরনদী মডেল থানা-পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে ভেতরে ঢোকার জন্য দরজা খোলে। ঘরের বিছানায় পড়ে থাকা অবস্থায় আবদুল খালেকের অর্ধগলিত লাশ দেখতে পান তারা।
মাহিলাড়া ইউনিয়ন পরিষদের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য নুর আলম সরদার জানান, আবদুল খালেক ওই বাড়িতে একাই বসবাস করতেন। তার এক ছেলে ও এক মেয়ে ঢাকায় থাকেন।
গৌরনদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারিক হাসান রাসেল জানান, খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে দরজা ভেঙে বিছানা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করেছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ অক্টোবর ২০২৬
বরিশালের গৌরনদীতে নিজ ঘর থেকে আবদুল খালেক খন্দকার (৬০) নামের একাকী বসবাসকারী এক বৃদ্ধের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বসতঘর থেকে তীব্র দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয় বাসিন্দাদের সন্দেহ হলে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। পরে পুলিশ গিয়ে দরজা ভেঙে বিছানা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) রাত ১০টার দিকে উপজেলার মাহিলাড়া ইউনিয়নের দক্ষিণ বিলগ্রাম এলাকার নিজ ঘর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। মৃত আবদুল খালেক ওই গ্রামের মৃত হোসেন খন্দকারের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আবদুল খালেক বিলগ্রাম বাজারের বিভিন্ন দোকানে পানি সরবরাহ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। সোমবার সর্বশেষ তাকে বাজারে দেখা গিয়েছিল। এরপর থেকে আর তাকে বাইরে বের হতে দেখেননি স্থানীয়রা।
বুধবার সন্ধ্যায় তার বসতঘরের পাশ দিয়ে যাতায়াতের সময় স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা দুর্গন্ধ পান। কাছে গিয়ে ঘরের দরজা ভেতর থেকে আটকানো দেখে তাদের সন্দেহ হয়। এ সময় তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি থানা-পুলিশকে জানানো হয়।
খবর পেয়ে গৌরনদী মডেল থানা-পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে ভেতরে ঢোকার জন্য দরজা খোলে। ঘরের বিছানায় পড়ে থাকা অবস্থায় আবদুল খালেকের অর্ধগলিত লাশ দেখতে পান তারা।
মাহিলাড়া ইউনিয়ন পরিষদের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য নুর আলম সরদার জানান, আবদুল খালেক ওই বাড়িতে একাই বসবাস করতেন। তার এক ছেলে ও এক মেয়ে ঢাকায় থাকেন।
গৌরনদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারিক হাসান রাসেল জানান, খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে দরজা ভেঙে বিছানা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করেছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

আপনার মতামত লিখুন