লিবিয়ার মিসরাতা বন্দিশালা ও বিভিন্ন অঞ্চল থেকে স্বেচ্ছায় দেশে ফিরেছেন ১৭২ জন অনিয়মিত বাংলাদেশি নাগরিক। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ভোর ৪টা ৫১ মিনিটে বুরাক এয়ারের একটি বিশেষ চার্টার্ড ফ্লাইটে তারা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছান।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, লিবিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাস এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের যৌথ উদ্যোগ এবং লিবিয়া সরকার ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সার্বিক সহযোগিতায় তাদের নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়। বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর প্রত্যাবাসিত বাংলাদেশিদের উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও আইওএম-এর দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রত্যাবাসিত এই বাংলাদেশিদের বড় একটি অংশ সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে পাড়ি জমানোর উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের খপ্পরে পড়ে লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। সেখানে পৌঁছানোর পর তাদের অনেকে বিভিন্ন অপরাধী চক্রের হাতে অপহরণ ও অকথ্য নির্যাতনের শিকার হন। প্রবাসে মানবপাচারের ভয়াবহতা ও ঝুঁকি সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে নিজেদের দুর্বিষহ অভিজ্ঞতা অন্যদের সঙ্গে শেয়ার করার অনুরোধ জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
আইওএম-এর পক্ষ থেকে লিবিয়াফেরত প্রতিটি নাগরিককে পথখরচ, খাদ্যসামগ্রী, প্রাথমিক চিকিৎসা এবং প্রয়োজনে সাময়িক বাসস্থানের ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়েছে। লিবিয়ার বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে আটকে থাকা অন্য বাংলাদেশি নাগরিকদেরও পর্যায়ক্রমে নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকারের পক্ষ থেকে কূটনৈতিক তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।
/

বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ অক্টোবর ২০২৬
লিবিয়ার মিসরাতা বন্দিশালা ও বিভিন্ন অঞ্চল থেকে স্বেচ্ছায় দেশে ফিরেছেন ১৭২ জন অনিয়মিত বাংলাদেশি নাগরিক। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ভোর ৪টা ৫১ মিনিটে বুরাক এয়ারের একটি বিশেষ চার্টার্ড ফ্লাইটে তারা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছান।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, লিবিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাস এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের যৌথ উদ্যোগ এবং লিবিয়া সরকার ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সার্বিক সহযোগিতায় তাদের নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়। বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর প্রত্যাবাসিত বাংলাদেশিদের উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও আইওএম-এর দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রত্যাবাসিত এই বাংলাদেশিদের বড় একটি অংশ সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে পাড়ি জমানোর উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের খপ্পরে পড়ে লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। সেখানে পৌঁছানোর পর তাদের অনেকে বিভিন্ন অপরাধী চক্রের হাতে অপহরণ ও অকথ্য নির্যাতনের শিকার হন। প্রবাসে মানবপাচারের ভয়াবহতা ও ঝুঁকি সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে নিজেদের দুর্বিষহ অভিজ্ঞতা অন্যদের সঙ্গে শেয়ার করার অনুরোধ জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
আইওএম-এর পক্ষ থেকে লিবিয়াফেরত প্রতিটি নাগরিককে পথখরচ, খাদ্যসামগ্রী, প্রাথমিক চিকিৎসা এবং প্রয়োজনে সাময়িক বাসস্থানের ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়েছে। লিবিয়ার বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে আটকে থাকা অন্য বাংলাদেশি নাগরিকদেরও পর্যায়ক্রমে নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকারের পক্ষ থেকে কূটনৈতিক তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।
/

আপনার মতামত লিখুন