ডেমরার অন্যতম অগ্রগামী ও প্রতিশ্রুতিশীল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সামসুল হক খান স্কুল অ্যান্ড কলেজ ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় ২২৮টি জিপিএ-৫ এবং ৯৯.০৭ শতাংশ পাসের হার নিয়ে সাফল্যের ধারা অব্যাহত রেখেছে। শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক ও গভর্নিং বডির সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এই অভাবনীয় সাফল্য অর্জিত হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
ফল প্রকাশের পর কলেজ ক্যাম্পাসে আনন্দ-উল্লাস শুরু হয়। উত্তীর্ণ শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং নবীন শিক্ষার্থীদের উচ্ছ্বাসে আজ মুখর কলেজ ক্যাম্পাস।
প্রতিষ্ঠান সূত্রে জানা যায়, ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় মোট ১ হাজার ৭৭ জন শিক্ষার্থী অংশ নেন এবং উত্তীর্ণ হন ১ হাজার ৬৭ জন।
এবছরের এইচএসসি পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ১৫৯টি, ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ থেকে ২৭টি এবং মানবিক বিভাগ থেকে ৪২টি জিপিএ-৫ অর্জিত হয়েছে।
উত্তীর্ণদের অভিনন্দন জানিয়ে প্রিন্সিপাল মো. মাহবুবুর রহমান মোল্লা এবং গভর্নিং বডির সভাপতি মো. ফেরদৌস হোসেন বলেন, ডেমরার এই সাড়াজাগানো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির সাফল্যে আমরা গৌরবান্বিত।
ফল প্রকাশের পর শিক্ষক ও অভিভাবকদের নিয়ে এক তাৎক্ষণিক বৈঠকে প্রিন্সিপাল মো. মাহবুবুর রহমান মোল্লা বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের শ্রম ও নিষ্ঠা, শিক্ষকদের নিরলস প্রচেষ্টা এবং অভিভাবকদের আন্তরিক সহযোগিতায় আজ আমাদের অর্জন সার্থক হয়েছে। তবে আমাদের প্রত্যাশা আরও বেশি ছিল। আমার দৃঢ় বিশ্বাস, এই প্রতিষ্ঠানের ভবিষ্যৎ আরও বর্ণিল ও ঈর্ষণীয় হয়ে উঠবে।’ সবার সম্মিলিত সহযোগিতায় প্রতিষ্ঠান ধন্য ও কৃতজ্ঞ বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
বিজ্ঞান বিভাগের মেধাবী শিক্ষার্থী তানজিদা আক্তার প্রতিক্রিয়ায় বলেন, ‘আমার ফলাফল আমার আশা পূরণ করেছে, আল্লাহর কাছে হাজার শুকরিয়া। প্রিন্সিপাল স্যারের অনিন্দ্যসুন্দর পরিকল্পনা ও দূরদর্শিতা বারবার আমাদের স্বপ্ন সফল করে। মা-বাবা ও স্যারদের প্রতি আমার কৃতজ্ঞতার শেষ নেই।’
কলেজ ইনচার্জ ও গণিত বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ মুস্তাফিজুর রহমান তুহিন বলেন, ‘একটি ভালো ফলাফলের জন্য আমরা সবসময় সচেতন থেকে ক্লান্তিহীনভাবে কাজ করে যাচ্ছি। উত্তীর্ণ মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য আন্তরিক দোয়া ও ভালোবাসা রইলো।’
ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের শিক্ষার্থী শওরিন জান্নাত সুহীর মা আফরোজা সুলতানা বলেন, ‘প্রিন্সিপাল স্যারের দূরদর্শিতা ও শিক্ষকদের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলে আমার মেয়ে ভালো ফলাফল করতে পেরেছে। আমি সামসুল হক খান স্কুল অ্যান্ড কলেজের কাছে চিরকৃতজ্ঞ।’
উল্লেখ্য, সামসুল হক খান স্কুল অ্যান্ড কলেজের সাফল্যের ধারা দীর্ঘদিনের। ২০২৫ সালে কলেজ শাখা থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ছিল ৯৯.৯১ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ ছিল ৪২৩টি। এছাড়া ২০২৬ সালের এসএসসিতে পাসের হার ছিল ৯৯.৫৯ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ ছিল ৮০৩টি।
উচ্চশিক্ষায়ও এই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের সাফল্য অত্যন্ত সন্তোষজনক। ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে এই কলেজের এইচএসসি উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা সরকারি মেডিকেল কলেজে ৩০ জন এবং প্রকৌশল ও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৫০ জন ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন। এ ছাড়া প্রতিষ্ঠানের অনেক সাবেক শিক্ষার্থী সরকারি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে নিয়োজিত রয়েছেন এবং কেউ কেউ ইউরোপ-আমেরিকাসহ বিভিন্ন দেশে পিএইচডি গবেষণা করছেন।
অভিভাবক ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা মনে করেন, শ্রেষ্ঠত্বের এই ধারা ধরে রেখে সামসুল হক খান স্কুল অ্যান্ড কলেজ ভবিষ্যতেও আরও বহুদূর এগিয়ে যাবে।

শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ অক্টোবর ২০২৬
ডেমরার অন্যতম অগ্রগামী ও প্রতিশ্রুতিশীল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সামসুল হক খান স্কুল অ্যান্ড কলেজ ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় ২২৮টি জিপিএ-৫ এবং ৯৯.০৭ শতাংশ পাসের হার নিয়ে সাফল্যের ধারা অব্যাহত রেখেছে। শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক ও গভর্নিং বডির সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এই অভাবনীয় সাফল্য অর্জিত হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
ফল প্রকাশের পর কলেজ ক্যাম্পাসে আনন্দ-উল্লাস শুরু হয়। উত্তীর্ণ শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং নবীন শিক্ষার্থীদের উচ্ছ্বাসে আজ মুখর কলেজ ক্যাম্পাস।
প্রতিষ্ঠান সূত্রে জানা যায়, ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় মোট ১ হাজার ৭৭ জন শিক্ষার্থী অংশ নেন এবং উত্তীর্ণ হন ১ হাজার ৬৭ জন।
এবছরের এইচএসসি পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ১৫৯টি, ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ থেকে ২৭টি এবং মানবিক বিভাগ থেকে ৪২টি জিপিএ-৫ অর্জিত হয়েছে।
উত্তীর্ণদের অভিনন্দন জানিয়ে প্রিন্সিপাল মো. মাহবুবুর রহমান মোল্লা এবং গভর্নিং বডির সভাপতি মো. ফেরদৌস হোসেন বলেন, ডেমরার এই সাড়াজাগানো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির সাফল্যে আমরা গৌরবান্বিত।
ফল প্রকাশের পর শিক্ষক ও অভিভাবকদের নিয়ে এক তাৎক্ষণিক বৈঠকে প্রিন্সিপাল মো. মাহবুবুর রহমান মোল্লা বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের শ্রম ও নিষ্ঠা, শিক্ষকদের নিরলস প্রচেষ্টা এবং অভিভাবকদের আন্তরিক সহযোগিতায় আজ আমাদের অর্জন সার্থক হয়েছে। তবে আমাদের প্রত্যাশা আরও বেশি ছিল। আমার দৃঢ় বিশ্বাস, এই প্রতিষ্ঠানের ভবিষ্যৎ আরও বর্ণিল ও ঈর্ষণীয় হয়ে উঠবে।’ সবার সম্মিলিত সহযোগিতায় প্রতিষ্ঠান ধন্য ও কৃতজ্ঞ বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
বিজ্ঞান বিভাগের মেধাবী শিক্ষার্থী তানজিদা আক্তার প্রতিক্রিয়ায় বলেন, ‘আমার ফলাফল আমার আশা পূরণ করেছে, আল্লাহর কাছে হাজার শুকরিয়া। প্রিন্সিপাল স্যারের অনিন্দ্যসুন্দর পরিকল্পনা ও দূরদর্শিতা বারবার আমাদের স্বপ্ন সফল করে। মা-বাবা ও স্যারদের প্রতি আমার কৃতজ্ঞতার শেষ নেই।’
কলেজ ইনচার্জ ও গণিত বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ মুস্তাফিজুর রহমান তুহিন বলেন, ‘একটি ভালো ফলাফলের জন্য আমরা সবসময় সচেতন থেকে ক্লান্তিহীনভাবে কাজ করে যাচ্ছি। উত্তীর্ণ মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য আন্তরিক দোয়া ও ভালোবাসা রইলো।’
ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের শিক্ষার্থী শওরিন জান্নাত সুহীর মা আফরোজা সুলতানা বলেন, ‘প্রিন্সিপাল স্যারের দূরদর্শিতা ও শিক্ষকদের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলে আমার মেয়ে ভালো ফলাফল করতে পেরেছে। আমি সামসুল হক খান স্কুল অ্যান্ড কলেজের কাছে চিরকৃতজ্ঞ।’
উল্লেখ্য, সামসুল হক খান স্কুল অ্যান্ড কলেজের সাফল্যের ধারা দীর্ঘদিনের। ২০২৫ সালে কলেজ শাখা থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ছিল ৯৯.৯১ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ ছিল ৪২৩টি। এছাড়া ২০২৬ সালের এসএসসিতে পাসের হার ছিল ৯৯.৫৯ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ ছিল ৮০৩টি।
উচ্চশিক্ষায়ও এই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের সাফল্য অত্যন্ত সন্তোষজনক। ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে এই কলেজের এইচএসসি উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা সরকারি মেডিকেল কলেজে ৩০ জন এবং প্রকৌশল ও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৫০ জন ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন। এ ছাড়া প্রতিষ্ঠানের অনেক সাবেক শিক্ষার্থী সরকারি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে নিয়োজিত রয়েছেন এবং কেউ কেউ ইউরোপ-আমেরিকাসহ বিভিন্ন দেশে পিএইচডি গবেষণা করছেন।
অভিভাবক ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা মনে করেন, শ্রেষ্ঠত্বের এই ধারা ধরে রেখে সামসুল হক খান স্কুল অ্যান্ড কলেজ ভবিষ্যতেও আরও বহুদূর এগিয়ে যাবে।

আপনার মতামত লিখুন