হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার রাজার বাজারের দামোদরপুর গ্রামে আদালতের নির্দেশে বহু আলোচিত ‘তালুকদার গেইট’ উচ্ছেদ করেছে উপজেলা প্রশাসন। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকালে উপজেলা প্রশাসনের নির্দেশে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তৌফিক আনোয়ার পুলিশের সহযোগিতায় আদালতের রায় বাস্তবায়ন করেন।
মামলা ও স্থানীদের সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালে স্থানীয় এলজিইডির একটি সরকারি রাস্তা পাকাকরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। সে সময় রাস্তার মালিকানা দাবি করে ফয়জুল ইসলাম তালুকদার আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় তিনি সরকার, জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), হবিগঞ্জের এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী এবং চুনারুঘাটের উপজেলা প্রকৌশলীকে বিবাদী করেন।
দীর্ঘদিন আইনি প্রক্রিয়া চলার পর ৭ অক্টোবর হবিগঞ্জের জেলা ও দায়রা জজ আদালত মামলাটির রায় প্রদান করেন। রায়ে আদালত রাস্তাটিকে এলজিইডির সরকারি সম্পত্তি হিসেবে ঘোষণা করেন এবং রাস্তার ওপর থাকা ব্যক্তিমালিকানাধীন সব ধরনের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের নির্দেশ দেন। আদালতের সেই নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতেই বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলা প্রশাসন এই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে এবং রাস্তার ওপর নির্মিত প্রবেশদ্বারটি (তালুকদার গেইট) ভেঙে গুঁড়িয়ে দেয়।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সরকারি নকশা অনুযায়ী রাস্তাটির প্রস্তাবিত প্রস্থ ১৬ ফুট হলেও সেখানে নির্মিত প্রবেশদ্বারটি রাস্তার প্রায় ১৪ ফুট অংশজুড়েই দখল করে রাখা হয়েছিল। এতে দীর্ঘদিন ধরে সেখানে রাস্তা পাকাকরণের কাজ থমকে থাকে। রাস্তাটি দিয়ে প্রতিদিন প্রায় ১০০ থেকে ১৫০টি পরিবারের মানুষ যাতায়াত করেন। ফলে দীর্ঘদিন ধরে কাজ বন্ধ থাকায় ভূক্তভোগী অধিবাসীদের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছিল।
অবশেষে আদালতের আদেশে গেইটটি উচ্ছেদ হওয়ায় স্বস্তি ফিরে এসেছে স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে। তারা অবিলম্বে এই কাঁচা রাস্তাটির পাকাকরণ কাজ শুরুর দাবি জানিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ নভেম্বর ২০২৬
হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার রাজার বাজারের দামোদরপুর গ্রামে আদালতের নির্দেশে বহু আলোচিত ‘তালুকদার গেইট’ উচ্ছেদ করেছে উপজেলা প্রশাসন। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকালে উপজেলা প্রশাসনের নির্দেশে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তৌফিক আনোয়ার পুলিশের সহযোগিতায় আদালতের রায় বাস্তবায়ন করেন।
মামলা ও স্থানীদের সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালে স্থানীয় এলজিইডির একটি সরকারি রাস্তা পাকাকরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। সে সময় রাস্তার মালিকানা দাবি করে ফয়জুল ইসলাম তালুকদার আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় তিনি সরকার, জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), হবিগঞ্জের এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী এবং চুনারুঘাটের উপজেলা প্রকৌশলীকে বিবাদী করেন।
দীর্ঘদিন আইনি প্রক্রিয়া চলার পর ৭ অক্টোবর হবিগঞ্জের জেলা ও দায়রা জজ আদালত মামলাটির রায় প্রদান করেন। রায়ে আদালত রাস্তাটিকে এলজিইডির সরকারি সম্পত্তি হিসেবে ঘোষণা করেন এবং রাস্তার ওপর থাকা ব্যক্তিমালিকানাধীন সব ধরনের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের নির্দেশ দেন। আদালতের সেই নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতেই বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলা প্রশাসন এই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে এবং রাস্তার ওপর নির্মিত প্রবেশদ্বারটি (তালুকদার গেইট) ভেঙে গুঁড়িয়ে দেয়।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সরকারি নকশা অনুযায়ী রাস্তাটির প্রস্তাবিত প্রস্থ ১৬ ফুট হলেও সেখানে নির্মিত প্রবেশদ্বারটি রাস্তার প্রায় ১৪ ফুট অংশজুড়েই দখল করে রাখা হয়েছিল। এতে দীর্ঘদিন ধরে সেখানে রাস্তা পাকাকরণের কাজ থমকে থাকে। রাস্তাটি দিয়ে প্রতিদিন প্রায় ১০০ থেকে ১৫০টি পরিবারের মানুষ যাতায়াত করেন। ফলে দীর্ঘদিন ধরে কাজ বন্ধ থাকায় ভূক্তভোগী অধিবাসীদের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছিল।
অবশেষে আদালতের আদেশে গেইটটি উচ্ছেদ হওয়ায় স্বস্তি ফিরে এসেছে স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে। তারা অবিলম্বে এই কাঁচা রাস্তাটির পাকাকরণ কাজ শুরুর দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন