বান্দরবানের রেইছা চেকপোস্ট এলাকায় পাহাড়ি ঢালু সড়ক দিয়ে নামার সময় দুর্ঘটনার কবলে পড়ে টঙ্গী থেকে বেড়াতে আসা পর্যটকবাহী একটি বাস। তবে চালকের দক্ষতা ও তাৎক্ষণিক নিয়ন্ত্রণের কারণে বড় ধরনের দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেয়েছেন বাসে থাকা ৪৬ জন পর্যটক।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সন্ধ্যায় বান্দরবান থেকে ফেরার পথে জেলার সদর উপজেলার রেইছা চেকপোস্ট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, ৪৫ জনের একটি গ্রুপ টঙ্গী থেকে বাসে করে বান্দরবানে বেড়াতে ভ্রমনে আসছিল। ভ্রমণ শেষে শুক্রবার সন্ধ্যায় ফেরার পথে বাসটি বান্দরবান জেলা সদরের রেইছা এলাকার পাহাড়ি ঢালু সড়ক নামার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসটি দুর্ঘটনার মুখে পড়ে।
এ সময় বাসে থাকা কয়েকজন পর্যটক আহত হলেও চালকের দক্ষতার কারণে বড় ধরনের দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পান বাসে থাকা পর্যটকরা।
এ বিষয়ে বান্দরবান জেলার পুলিশ সুপার মো. ওহাবুল ইসলাম খন্দকার বলেন, বান্দরবান থেকে ফেরার পথে একটি পর্যটকবাহী বাস দুর্ঘটনায় পড়ে। এ ঘটনায় বাসে থাকা কয়েকজন পর্যটক সামান্য আহত হলেও বড় ধরনের কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ নভেম্বর ২০২৬
বান্দরবানের রেইছা চেকপোস্ট এলাকায় পাহাড়ি ঢালু সড়ক দিয়ে নামার সময় দুর্ঘটনার কবলে পড়ে টঙ্গী থেকে বেড়াতে আসা পর্যটকবাহী একটি বাস। তবে চালকের দক্ষতা ও তাৎক্ষণিক নিয়ন্ত্রণের কারণে বড় ধরনের দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেয়েছেন বাসে থাকা ৪৬ জন পর্যটক।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সন্ধ্যায় বান্দরবান থেকে ফেরার পথে জেলার সদর উপজেলার রেইছা চেকপোস্ট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, ৪৫ জনের একটি গ্রুপ টঙ্গী থেকে বাসে করে বান্দরবানে বেড়াতে ভ্রমনে আসছিল। ভ্রমণ শেষে শুক্রবার সন্ধ্যায় ফেরার পথে বাসটি বান্দরবান জেলা সদরের রেইছা এলাকার পাহাড়ি ঢালু সড়ক নামার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসটি দুর্ঘটনার মুখে পড়ে।
এ সময় বাসে থাকা কয়েকজন পর্যটক আহত হলেও চালকের দক্ষতার কারণে বড় ধরনের দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পান বাসে থাকা পর্যটকরা।
এ বিষয়ে বান্দরবান জেলার পুলিশ সুপার মো. ওহাবুল ইসলাম খন্দকার বলেন, বান্দরবান থেকে ফেরার পথে একটি পর্যটকবাহী বাস দুর্ঘটনায় পড়ে। এ ঘটনায় বাসে থাকা কয়েকজন পর্যটক সামান্য আহত হলেও বড় ধরনের কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

আপনার মতামত লিখুন