যশোরের চৌগাছায় আট বছর আগে ছাত্রশিবিরের দুই নেতাকে তুলে নিয়ে ‘বন্ধুকযুদ্ধের নাটক’ সাজিয়ে পায়ে গুলি ও অমানুষিক নির্যাতনের মাধ্যমে পঙ্গু করে দেওয়ার ঘটনায় দায়ের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় অভিযোগ গঠনের আদেশের দিন নির্ধারণ করা হয়েছে।
আন্তর্জাতিক
অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আগামী ২০ এপ্রিল এই
গুরুত্বপূর্ণ আদেশ দেবেন। বৃহস্পতিবার
(১৬ এপ্রিল) ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারিক
প্যানেল শুনানির শেষে এই সিদ্ধান্ত
জানান।
এদিন
সকালে কড়া নিরাপত্তায় কারাগারে
থাকা মামলার তিন আসামি তৎকালীন
এসআই আকিকুল ইসলাম, কনস্টেবল সাজ্জাদুর রহমান ও কনস্টেবল জহরুল
হককে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।
মামলার
অপর পলাতক আসামিরা হলেন: যশোরের তৎকালীন বহুল আলোচিত পুলিশ
সুপার (এসপি) আনিসুর রহমান, চৌগাছা থানার তৎকালীন ওসি মশিউর রহমান,
এসআই মোখলেছ, এসআই জামাল ও
এসআই মাজেদুল।
শুনানিকালে
আসামিপক্ষের আইনজীবীরা দাবি করেন, এই
ঘটনাটি কোনো পদ্ধতিগত বা
ব্যাপক মাত্রায় সংঘটিত অপরাধ নয় এবং এটি
কোনো নির্দিষ্ট বেসামরিক জনগোষ্ঠীর ওপর আক্রমণও ছিল
না।
তাদের
মতে, এটি মানবতাবিরোধী অপরাধের
সংজ্ঞায় পড়ে না বিধায়
আসামিদের এই মামলা থেকে
অব্যাহতি দেওয়া উচিত।
অন্যদিকে
প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম আদালতে নির্যাতনের লোমহর্ষক বর্ণনা তুলে ধরেন। তিনি
বলেন, “২০১৬ সালে যশোরের
চৌগাছা উপজেলা ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি ইসরাফিল হোসেন ও সাহিত্য সম্পাদক
রুহুল আমিনকে গ্রেফতারের পর তাদের পায়ে
গুলি করা হয়। পাশবিকতার
চরম সীমায় পৌঁছে গুলি করা ক্ষতস্থানে
বালু ঢুকিয়ে গামছা দিয়ে বেঁধে তাদের
হাসপাতালে পাঠানো হয়। ওই বালু
ঢোকানোর কারণেই তাদের ক্ষতস্থানে পচন ধরে এবং
পরবর্তীতে চিকিৎসকরা দুজনেরই পা কেটে ফেলতে
বাধ্য হন।”
প্রসিকিউশন
পক্ষ এই অপরাধকে মানবতার
চরম লঙ্ঘন উল্লেখ করে আসামিদের বিরুদ্ধে
আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের জোর দাবি জানান।
এর আগে, গত
১ ফেব্রুয়ারি আদালত এই অভিযোগ আমলে
নিয়ে আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছিলেন।

বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ এপ্রিল ২০২৬
যশোরের চৌগাছায় আট বছর আগে ছাত্রশিবিরের দুই নেতাকে তুলে নিয়ে ‘বন্ধুকযুদ্ধের নাটক’ সাজিয়ে পায়ে গুলি ও অমানুষিক নির্যাতনের মাধ্যমে পঙ্গু করে দেওয়ার ঘটনায় দায়ের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় অভিযোগ গঠনের আদেশের দিন নির্ধারণ করা হয়েছে।
আন্তর্জাতিক
অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আগামী ২০ এপ্রিল এই
গুরুত্বপূর্ণ আদেশ দেবেন। বৃহস্পতিবার
(১৬ এপ্রিল) ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারিক
প্যানেল শুনানির শেষে এই সিদ্ধান্ত
জানান।
এদিন
সকালে কড়া নিরাপত্তায় কারাগারে
থাকা মামলার তিন আসামি তৎকালীন
এসআই আকিকুল ইসলাম, কনস্টেবল সাজ্জাদুর রহমান ও কনস্টেবল জহরুল
হককে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।
মামলার
অপর পলাতক আসামিরা হলেন: যশোরের তৎকালীন বহুল আলোচিত পুলিশ
সুপার (এসপি) আনিসুর রহমান, চৌগাছা থানার তৎকালীন ওসি মশিউর রহমান,
এসআই মোখলেছ, এসআই জামাল ও
এসআই মাজেদুল।
শুনানিকালে
আসামিপক্ষের আইনজীবীরা দাবি করেন, এই
ঘটনাটি কোনো পদ্ধতিগত বা
ব্যাপক মাত্রায় সংঘটিত অপরাধ নয় এবং এটি
কোনো নির্দিষ্ট বেসামরিক জনগোষ্ঠীর ওপর আক্রমণও ছিল
না।
তাদের
মতে, এটি মানবতাবিরোধী অপরাধের
সংজ্ঞায় পড়ে না বিধায়
আসামিদের এই মামলা থেকে
অব্যাহতি দেওয়া উচিত।
অন্যদিকে
প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম আদালতে নির্যাতনের লোমহর্ষক বর্ণনা তুলে ধরেন। তিনি
বলেন, “২০১৬ সালে যশোরের
চৌগাছা উপজেলা ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি ইসরাফিল হোসেন ও সাহিত্য সম্পাদক
রুহুল আমিনকে গ্রেফতারের পর তাদের পায়ে
গুলি করা হয়। পাশবিকতার
চরম সীমায় পৌঁছে গুলি করা ক্ষতস্থানে
বালু ঢুকিয়ে গামছা দিয়ে বেঁধে তাদের
হাসপাতালে পাঠানো হয়। ওই বালু
ঢোকানোর কারণেই তাদের ক্ষতস্থানে পচন ধরে এবং
পরবর্তীতে চিকিৎসকরা দুজনেরই পা কেটে ফেলতে
বাধ্য হন।”
প্রসিকিউশন
পক্ষ এই অপরাধকে মানবতার
চরম লঙ্ঘন উল্লেখ করে আসামিদের বিরুদ্ধে
আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের জোর দাবি জানান।
এর আগে, গত
১ ফেব্রুয়ারি আদালত এই অভিযোগ আমলে
নিয়ে আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন