রাজধানীতে নারী অপহরণ ও মূল্যবান সামগ্রী ছিনতাইয়ের চাঞ্চল্যকর মামলায় দীর্ঘ পাঁচ বছর ধরে পলাতক থাকা আসামি শাহাদাত হোসেনকে অবশেষে গ্রেপ্তার করেছে সিআইডি।
বৃহস্পতিবার
রাজধানীর কাফরুল এলাকায় এক বিশেষ অভিযান
পরিচালনা করে তাকে গ্রেপ্তার
করে সিআইডির ঢাকা মেট্রো পশ্চিম
ইউনিটের একটি দল। গ্রেপ্তার
শাহাদাতের গ্রামের বাড়ি বরিশালের চন্দ্রপাড়া
এলাকায়। পুলিশের চোখ ফাঁকি দিতে
সে দীর্ঘ সময় ধরে দেশের
বিভিন্ন স্থানে লুকিয়ে ছিল।
এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার জসীম উদ্দিন খান
এই গ্রেপ্তারের তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, শাহাদাতের বিরুদ্ধে ২০২১ সালের ডিসেম্বর
মাসে রাজধানীর কাফরুল থানায় নারী ও শিশু
নির্যাতন দমন আইনে একটি
মামলা দায়ের করা হয়েছিল।
মামলার
এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২১
সালের ৬ ডিসেম্বর মহাখালী
ইউসুফ লাইন পার্কের সামনে
থেকে এক নারীকে কয়েকজন
অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি জোরপূর্বক একটি প্রাইভেটকারে তুলে
নেয়। অপহরণের পর তাকে বিভিন্ন
স্থানে নিয়ে মারধর করা
হয় এবং তার কাছ
থেকে ল্যাপটপ ও স্বর্ণালঙ্কার ছিনিয়ে
নেওয়া হয়। একপর্যায়ে অপহরণকারীরা
ভুক্তভোগীকে সিলেটে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা
করলেও পরবর্তীতে ফার্মগেট এলাকায় ফেলে রেখে পালিয়ে
যায়।
মামলার
তদন্ত প্রক্রিয়ার বিষয়ে জসীম উদ্দিন খান
আরও বলেন, ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় প্রাথমিকভাবে একজন অভিযুক্তর বিরুদ্ধে
অভিযোগপত্র দাখিল করা হলেও অন্য
দুই অজ্ঞাতনামা আসামিকে শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।
পরবর্তীতে ২০২৩ সালে আদালত
আসামিদের শনাক্ত ও অধিকতর তদন্তের
দায়িত্ব সিআইডিকে প্রদান করে। সিআইডি আধুনিক
তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে দীর্ঘ প্রচেষ্টার
পর গতকাল শাহাদাতকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।
জিজ্ঞাসাবাদে
জানা গেছে, ঘটনার সময় শাহাদাত অপহরণে
ব্যবহৃত প্রাইভেটকারটির চালক হিসেবে কাজ
করছিল। অপরাধ সংগঠনের পর থেকেই সে
অত্যন্ত সুকৌশলে আত্মগোপন করে ছিল। সিআইডির
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শাহাদাত ঘটনার সাথে নিজের সরাসরি
সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছে।
এই ঘটনায় জড়িত অন্যান্যদের বিষয়ে
তদন্ত অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে সিআইডি।
বর্তমানে মামলাটির তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ এপ্রিল ২০২৬
রাজধানীতে নারী অপহরণ ও মূল্যবান সামগ্রী ছিনতাইয়ের চাঞ্চল্যকর মামলায় দীর্ঘ পাঁচ বছর ধরে পলাতক থাকা আসামি শাহাদাত হোসেনকে অবশেষে গ্রেপ্তার করেছে সিআইডি।
বৃহস্পতিবার
রাজধানীর কাফরুল এলাকায় এক বিশেষ অভিযান
পরিচালনা করে তাকে গ্রেপ্তার
করে সিআইডির ঢাকা মেট্রো পশ্চিম
ইউনিটের একটি দল। গ্রেপ্তার
শাহাদাতের গ্রামের বাড়ি বরিশালের চন্দ্রপাড়া
এলাকায়। পুলিশের চোখ ফাঁকি দিতে
সে দীর্ঘ সময় ধরে দেশের
বিভিন্ন স্থানে লুকিয়ে ছিল।
এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার জসীম উদ্দিন খান
এই গ্রেপ্তারের তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, শাহাদাতের বিরুদ্ধে ২০২১ সালের ডিসেম্বর
মাসে রাজধানীর কাফরুল থানায় নারী ও শিশু
নির্যাতন দমন আইনে একটি
মামলা দায়ের করা হয়েছিল।
মামলার
এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২১
সালের ৬ ডিসেম্বর মহাখালী
ইউসুফ লাইন পার্কের সামনে
থেকে এক নারীকে কয়েকজন
অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি জোরপূর্বক একটি প্রাইভেটকারে তুলে
নেয়। অপহরণের পর তাকে বিভিন্ন
স্থানে নিয়ে মারধর করা
হয় এবং তার কাছ
থেকে ল্যাপটপ ও স্বর্ণালঙ্কার ছিনিয়ে
নেওয়া হয়। একপর্যায়ে অপহরণকারীরা
ভুক্তভোগীকে সিলেটে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা
করলেও পরবর্তীতে ফার্মগেট এলাকায় ফেলে রেখে পালিয়ে
যায়।
মামলার
তদন্ত প্রক্রিয়ার বিষয়ে জসীম উদ্দিন খান
আরও বলেন, ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় প্রাথমিকভাবে একজন অভিযুক্তর বিরুদ্ধে
অভিযোগপত্র দাখিল করা হলেও অন্য
দুই অজ্ঞাতনামা আসামিকে শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।
পরবর্তীতে ২০২৩ সালে আদালত
আসামিদের শনাক্ত ও অধিকতর তদন্তের
দায়িত্ব সিআইডিকে প্রদান করে। সিআইডি আধুনিক
তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে দীর্ঘ প্রচেষ্টার
পর গতকাল শাহাদাতকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।
জিজ্ঞাসাবাদে
জানা গেছে, ঘটনার সময় শাহাদাত অপহরণে
ব্যবহৃত প্রাইভেটকারটির চালক হিসেবে কাজ
করছিল। অপরাধ সংগঠনের পর থেকেই সে
অত্যন্ত সুকৌশলে আত্মগোপন করে ছিল। সিআইডির
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শাহাদাত ঘটনার সাথে নিজের সরাসরি
সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছে।
এই ঘটনায় জড়িত অন্যান্যদের বিষয়ে
তদন্ত অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে সিআইডি।
বর্তমানে মামলাটির তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন