এসএসসি ও এইচএসসির মতো পাবলিক পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের মানসিক চাপ ও আতঙ্ক দূর করতে ‘নীরব বহিষ্কার’ প্রথা বাতিলের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এখন থেকে পরীক্ষার হলে কোনো শিক্ষার্থীকে না জানিয়ে গোপনে খাতা আটকে রাখা বা উত্তরপত্র বাতিলের প্রক্রিয়া আর কার্যকর থাকবে না।
শনিবার
সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ব
ম এহছানুল হক মিলনের সভাপতিত্বে
এক মতবিনিময় সভায় এই সিদ্ধান্ত
গৃহীত হয়। আসন্ন এসএসসি
ও এইচএসসি পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে অংশীজনদের
সঙ্গে আয়োজিত এই সভায় শিক্ষা
মন্ত্রণালয়, শিক্ষা বোর্ড এবং জেলা প্রশাসনের
কর্মকর্তারা সরাসরি ও ভার্চুয়ালি যুক্ত
ছিলেন।
সভার
এক পর্যায়ে নীরব বহিষ্কারের বিষয়টি
উত্থাপিত হলে উপস্থিত শিক্ষক,
অভিভাবক ও শিক্ষা কর্মকর্তারা
এর নেতিবাচক দিকগুলো তুলে ধরেন। সবার
সম্মতিক্রমে মন্ত্রী এই পুরনো প্রথা
বিলুপ্তির ঘোষণা দেন।
সভা
শেষে শিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ব
ম এহছানুল হক মিলন বলেন,
"পরীক্ষা সংক্রান্ত কোনো বিধিতে আনডিউ
কিছু থাকতে পারে না। ১৯৮০
সালের পাবলিক পরীক্ষা আইনেও এমন কোনো বিধান
নেই। মূলত বোর্ডের ১৯৬১
সালের একটি পুরনো বিধিমালায়
এই ধারাটি যুক্ত ছিল। বর্তমানে পরীক্ষা
কেন্দ্রে বড় ধরনের বিশৃঙ্খলা
সৃষ্টির সুযোগ নেই, তাই এই
সেকেলে নীতিমালার কোনো প্রয়োজনীয়তা নেই।"
তিনি দ্রুততম সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট বিধিমালা পরিবর্তনেরও নির্দেশ দেন।
শিক্ষার্থীদের
মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর গুরুত্বারোপ করে
মন্ত্রী আরও বলেন, "পরীক্ষার্থীরা
আনন্দের সাথে পরীক্ষা দেবে।
তাদের ওপর এমন কোনো
বিধিনিষেধ চাপিয়ে দেওয়া যাবে না যা
অপ্রয়োজনীয় মানসিক চাপ তৈরি করে।"
ইতোমধ্যে
ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর এস এম কামাল
উদ্দিন হায়দারের স্বাক্ষরিত একটি নির্দেশনা কেন্দ্র
সচিবদের কাছে পাঠানো হয়েছে।
নির্দেশনায়
জানানো হয়েছে, মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষা পরিচালনা সংক্রান্ত নীতিমালা ২০২৬-এর ২৯
নম্বর অনুচ্ছেদটি বাতিল করা হয়েছে।
বাতিল
হওয়া ২৯ নম্বর অনুচ্ছেদে
বলা ছিল, কোনো পরীক্ষার্থীকে
প্রকাশ্যে বহিষ্কার করলে যদি আইনশৃঙ্খলার
অবনতি বা পরিদর্শকদের নিরাপত্তা
বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা থাকে, তবেই ‘নীরব বহিষ্কার’ করা
যাবে। সে ক্ষেত্রে পরীক্ষা
শেষে গোপন প্রতিবেদনের মাধ্যমে
উত্তরপত্র আলাদা করে বোর্ডে পাঠানোর
নিয়ম ছিল। এই প্রথাটি
বাতিলের ফলে এখন থেকে
পরীক্ষার্থীরা আরও স্বচ্ছ ও
ভয়মুক্ত পরিবেশে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাবে।

শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ এপ্রিল ২০২৬
এসএসসি ও এইচএসসির মতো পাবলিক পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের মানসিক চাপ ও আতঙ্ক দূর করতে ‘নীরব বহিষ্কার’ প্রথা বাতিলের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এখন থেকে পরীক্ষার হলে কোনো শিক্ষার্থীকে না জানিয়ে গোপনে খাতা আটকে রাখা বা উত্তরপত্র বাতিলের প্রক্রিয়া আর কার্যকর থাকবে না।
শনিবার
সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ব
ম এহছানুল হক মিলনের সভাপতিত্বে
এক মতবিনিময় সভায় এই সিদ্ধান্ত
গৃহীত হয়। আসন্ন এসএসসি
ও এইচএসসি পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে অংশীজনদের
সঙ্গে আয়োজিত এই সভায় শিক্ষা
মন্ত্রণালয়, শিক্ষা বোর্ড এবং জেলা প্রশাসনের
কর্মকর্তারা সরাসরি ও ভার্চুয়ালি যুক্ত
ছিলেন।
সভার
এক পর্যায়ে নীরব বহিষ্কারের বিষয়টি
উত্থাপিত হলে উপস্থিত শিক্ষক,
অভিভাবক ও শিক্ষা কর্মকর্তারা
এর নেতিবাচক দিকগুলো তুলে ধরেন। সবার
সম্মতিক্রমে মন্ত্রী এই পুরনো প্রথা
বিলুপ্তির ঘোষণা দেন।
সভা
শেষে শিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ব
ম এহছানুল হক মিলন বলেন,
"পরীক্ষা সংক্রান্ত কোনো বিধিতে আনডিউ
কিছু থাকতে পারে না। ১৯৮০
সালের পাবলিক পরীক্ষা আইনেও এমন কোনো বিধান
নেই। মূলত বোর্ডের ১৯৬১
সালের একটি পুরনো বিধিমালায়
এই ধারাটি যুক্ত ছিল। বর্তমানে পরীক্ষা
কেন্দ্রে বড় ধরনের বিশৃঙ্খলা
সৃষ্টির সুযোগ নেই, তাই এই
সেকেলে নীতিমালার কোনো প্রয়োজনীয়তা নেই।"
তিনি দ্রুততম সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট বিধিমালা পরিবর্তনেরও নির্দেশ দেন।
শিক্ষার্থীদের
মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর গুরুত্বারোপ করে
মন্ত্রী আরও বলেন, "পরীক্ষার্থীরা
আনন্দের সাথে পরীক্ষা দেবে।
তাদের ওপর এমন কোনো
বিধিনিষেধ চাপিয়ে দেওয়া যাবে না যা
অপ্রয়োজনীয় মানসিক চাপ তৈরি করে।"
ইতোমধ্যে
ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর এস এম কামাল
উদ্দিন হায়দারের স্বাক্ষরিত একটি নির্দেশনা কেন্দ্র
সচিবদের কাছে পাঠানো হয়েছে।
নির্দেশনায়
জানানো হয়েছে, মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষা পরিচালনা সংক্রান্ত নীতিমালা ২০২৬-এর ২৯
নম্বর অনুচ্ছেদটি বাতিল করা হয়েছে।
বাতিল
হওয়া ২৯ নম্বর অনুচ্ছেদে
বলা ছিল, কোনো পরীক্ষার্থীকে
প্রকাশ্যে বহিষ্কার করলে যদি আইনশৃঙ্খলার
অবনতি বা পরিদর্শকদের নিরাপত্তা
বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা থাকে, তবেই ‘নীরব বহিষ্কার’ করা
যাবে। সে ক্ষেত্রে পরীক্ষা
শেষে গোপন প্রতিবেদনের মাধ্যমে
উত্তরপত্র আলাদা করে বোর্ডে পাঠানোর
নিয়ম ছিল। এই প্রথাটি
বাতিলের ফলে এখন থেকে
পরীক্ষার্থীরা আরও স্বচ্ছ ও
ভয়মুক্ত পরিবেশে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাবে।

আপনার মতামত লিখুন