একটি পতিত স্বৈরাচার সরকার দেশের প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে ভেঙে ফেলেছে। দেশের অর্থনীতির কথা চিন্তা না করে স্বজনতোষী রাষ্ট্র কায়েম করেছিল। এতে বহু মানুষ নতুন করে দরিদ্র হয়েছে। আমরা চাচ্ছি, আর যেন কোনো মানুষ দরিদ্র না হয়। এই বিষয়ে সরকারের সর্বাধিক অগ্রাধিকার রয়েছে। শনিবার এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর অর্থনীতি ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর এসব কথা বলেন।
ইকোনোমিক
রিপোর্টারস ফোরামের অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত ‘সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থীতিশীলতা, আর্থিক সক্ষমতা ও সরকারের ১৮০
দিনের কর্মপরিকল্পনা’ শীর্ষক এই সেমিনারে তিনি
প্রধান অতিথি ছিলেন। অর্থনীতিবিদ ও সেন্টার ফর
পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো মোস্তাফিজুর রহমান
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন।
উপদেষ্টা
রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর
বলেছেন, ‘একটি বৈরী পরিবেশে
বর্তমান সরকার গঠন হয়েছে। বিগত
দিনের মূল্যস্ফীতির কারণে সামনের দিনে জনজীবনে আরও
দুর্ভোগ আসতে পারে, নি¤œবিত্তরা আরও দরিদ্র হয়ে
দারিদ্র্যের সংখ্যা বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। গত ৩ বছরে
মূল্যস্ফীতির কারণে দেশে দরিদ্র মানুষের
সংখ্যা বেড়েছে। আমরা আর চাই
না, নতুন করে কেউ
দরিদ্র হোক।’
বিভিন্ন
মহল থেকে দাবি তোলা
হয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সমন্বয় করে তেলের দাম
বাড়িয়ে হলেও সরবরাহ যেন
স্বাভাবিক রাখা হয়। এই
প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘জনগণ
আমাদের ক্ষমতায় বসিয়েছে। আমরা জনগণকে আর
চাপ দিতে চাই না।
যদি তেলের দাম বাড়াই তাহলে
এর প্রভাব সব খাতে পড়বে।
তখন মূল্যস্ফীতিও বেড়ে যাবে। যে
কৃষকের জমিতে ফসল আছে, তার
যদি খরচ বেড়ে যায়,
তাহলে সে টিকতে পারবে
না। তাই তেলের দাম
বাড়ানো হয়নি।’
আঞ্চলিক
বৈষম্য দূর করার প্রসঙ্গে
তিনি বলেন, ‘আঞ্চলিক বৈষম্য দূর করতে কোনও
রাজনৈতিক দল আগে কখনও
কাজ করেনি। বাস্তবতাকে সামনে রেখে আমরা অঙ্গীকারাবদ্ধ
হয়েছি যে সমতাভিত্তিক আঞ্চলিক
উন্নয়নের। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী কথার বাগাড়ম্বরে বিশ্বাসী
নন, তিনি কাজে প্রমাণ
দিচ্ছেন। সম্প্রতি বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে বৈঠক তারই প্রমাণ।
বাংলাদেশে এটি একটি যুগান্তকারী
অধ্যায়। দেশে বিনিয়োগ সংক্রান্ত
অনেকগুলাও কমিটি আছে, কিন্তু ফ্যাসিবাদী
আমলে এগুলোর কোনও কার্যক্রম ছিল
না। তাই চাহিদা অনুযায়ী
কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হয়নি। আমরা
বিনিয়োগ বান্ধব দেশ গড়তে চাই।
উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে আমরাই প্রথম সার্বজনীন ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি।’
বিএনপি
সরকারের অতিতের অভিজ্ঞতা আছে দাবি করে
তিনি বলেন, ‘অতীতের এমন অভিজ্ঞতা আমাদের
রয়েছে। অর্থনৈতিকভাবে ভঙ্গুর এই রাষ্ট্রের দায়িত্ব
নিয়ে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর
রহমান দেশকে গড়ে তুলছিলেন। সব
প্রতিবন্ধকতা কাটিয়ে বাংলাদেশ যাতে ঘুরে দাঁড়াতে
পারে সে জন্য সুনির্দিষ্ট
পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে
বর্তমান সরকার। সামাজিক সুরক্ষার মাধ্যমে অর্থনৈতিক মুক্তি, মর্যাদা ও সম্মানের সঙ্গে
বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে বিভিন্ন কর্মসূচি
হাতে নেওয়া হয়েছে। আমরা বিভাজনের রাজনীতিতে
বিশ্বাস করি না। আমরা
সবাইকে সঙ্গে নিয়ে অংশগ্রহণমূলক, অন্তর্ভুক্তিমূলকভাবে
দেশের উন্নয়নে কাজ করতে চাই।’
রেমিট্যান্সের
উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন,
‘মধ্যপ্রাচ্যে যখন পুঁজি উদ্বৃত্ত
হয়ে পড়েছিল। তখন আমাদের এখানে
প্রচুর মানুষ বেকার হয়েছিল। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর
রহমান চিন্তা করলেন, কিভাবে এই জনশক্তিকে কাজে
লাগানো যায়। তিনি মধ্যপ্রাচ্যে
গেলেন এবং সেসব দেশের
প্রধানদের সঙ্গে আলোচনা করে দেশের মানুষের
জন্য প্রবাসে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করলেন। তার সেই উদ্যোগের
সুফল আমরা আজও পাচ্ছি।
করোনায় যখন সবকিছু বন্ধ
হয়ে গেল, তখন একমাত্র
রেমিট্যান্সই আমাদের অর্থনীতি চাঙ্গা রেখেছিল।’
পুরোনো
ব্যাংক মালিকদের আবার মালিকানায় ফেরার
যে সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে, সেটা ঠিক হচ্ছে
কিনা এমন প্রশ্নে তিনি
বলেন, ‘এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত
নিবে দেশের সর্বচ্চো আদালত। এখানে সরকার কোনো হস্তক্ষেপ করবে
না। আমরা চাই, বাংলাদেশ
ব্যাংক স্বাধীনভাবে কাজ করুক।’
আইএমএফ
এর সংস্কারের তাগিদের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা
তাদের সব শর্ত মানতে
রাজি। কিন্তু তারা আমাদের কোনো
শর্ত মানতে রাজি না। আবার
তারা যে শর্তগুলো দিয়েছে
সেগুলো তারা যেকোনো সময়
পরিবর্তন করতে পারবে। কিন্তু
আমরা কোনো শর্ত পরিবর্তন
করতে পারবো না। এটাতো ঠিক
না। তবে, আন্তর্জাতিক বাধ্যবাধ্যকতার
কারণে কিছু শর্ত আমাদের
মানতে হবে। আমরা সেগুলো
মানবো। কতগুলো মানবো সেটা আমরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছি।’
মোস্তাফিজুর
রহমান বলেন, ‘বাজেটে আগে সবচেয়ে বেশি
বরাদ্দ ছিল এডুকেশন খাতে।
কিন্তু গত তিন
চার বছর ধরে সবচেয়ে
বেশি বরাদ্দ দেওয়া হয় বিদেশি ঋণ
পরিশোধে। এটা ইঙ্গিত দেয়,
আমরা যেহেতু রাজস্ব আদায় কম করতে
পারছি, সেহেতু অর্থনীতিতে বড় একটা চাপ
পড়ছে। আগের সরকার উন্নয়নের
গল্প শুনিয়ে দেশটাকে এই অবস্থায় নিয়ে
গেছে। আমরা চাই, বিএনপি
সরকার এই বিষয়ে একটা
কর্মপরিকল্পনা ঠিক করবে এবং
কাজ শুরু করবে।’
এই অবস্থা থেকে সরকার কিভাবে
কাজ করতে পারে, এমন
বিষয়ে তিনি বলেন, ‘বর্তমানে
দেশের আর্থিক খাত খুব নাজুক
অবস্থায় রয়েছে। সংকট নিরসনে এই
খাতে চাঞ্চল্য আনতে হবে।’
ইআরএফ
সভাপতি দৌলত আকতার মালার
সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম এবং বাংলাদেশ পোশাক
প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির
(বিজিএমইএ) সভাপতি মাহমুদ হাসান খান।

রোববার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ এপ্রিল ২০২৬
একটি পতিত স্বৈরাচার সরকার দেশের প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে ভেঙে ফেলেছে। দেশের অর্থনীতির কথা চিন্তা না করে স্বজনতোষী রাষ্ট্র কায়েম করেছিল। এতে বহু মানুষ নতুন করে দরিদ্র হয়েছে। আমরা চাচ্ছি, আর যেন কোনো মানুষ দরিদ্র না হয়। এই বিষয়ে সরকারের সর্বাধিক অগ্রাধিকার রয়েছে। শনিবার এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর অর্থনীতি ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর এসব কথা বলেন।
ইকোনোমিক
রিপোর্টারস ফোরামের অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত ‘সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থীতিশীলতা, আর্থিক সক্ষমতা ও সরকারের ১৮০
দিনের কর্মপরিকল্পনা’ শীর্ষক এই সেমিনারে তিনি
প্রধান অতিথি ছিলেন। অর্থনীতিবিদ ও সেন্টার ফর
পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো মোস্তাফিজুর রহমান
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন।
উপদেষ্টা
রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর
বলেছেন, ‘একটি বৈরী পরিবেশে
বর্তমান সরকার গঠন হয়েছে। বিগত
দিনের মূল্যস্ফীতির কারণে সামনের দিনে জনজীবনে আরও
দুর্ভোগ আসতে পারে, নি¤œবিত্তরা আরও দরিদ্র হয়ে
দারিদ্র্যের সংখ্যা বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। গত ৩ বছরে
মূল্যস্ফীতির কারণে দেশে দরিদ্র মানুষের
সংখ্যা বেড়েছে। আমরা আর চাই
না, নতুন করে কেউ
দরিদ্র হোক।’
বিভিন্ন
মহল থেকে দাবি তোলা
হয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সমন্বয় করে তেলের দাম
বাড়িয়ে হলেও সরবরাহ যেন
স্বাভাবিক রাখা হয়। এই
প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘জনগণ
আমাদের ক্ষমতায় বসিয়েছে। আমরা জনগণকে আর
চাপ দিতে চাই না।
যদি তেলের দাম বাড়াই তাহলে
এর প্রভাব সব খাতে পড়বে।
তখন মূল্যস্ফীতিও বেড়ে যাবে। যে
কৃষকের জমিতে ফসল আছে, তার
যদি খরচ বেড়ে যায়,
তাহলে সে টিকতে পারবে
না। তাই তেলের দাম
বাড়ানো হয়নি।’
আঞ্চলিক
বৈষম্য দূর করার প্রসঙ্গে
তিনি বলেন, ‘আঞ্চলিক বৈষম্য দূর করতে কোনও
রাজনৈতিক দল আগে কখনও
কাজ করেনি। বাস্তবতাকে সামনে রেখে আমরা অঙ্গীকারাবদ্ধ
হয়েছি যে সমতাভিত্তিক আঞ্চলিক
উন্নয়নের। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী কথার বাগাড়ম্বরে বিশ্বাসী
নন, তিনি কাজে প্রমাণ
দিচ্ছেন। সম্প্রতি বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে বৈঠক তারই প্রমাণ।
বাংলাদেশে এটি একটি যুগান্তকারী
অধ্যায়। দেশে বিনিয়োগ সংক্রান্ত
অনেকগুলাও কমিটি আছে, কিন্তু ফ্যাসিবাদী
আমলে এগুলোর কোনও কার্যক্রম ছিল
না। তাই চাহিদা অনুযায়ী
কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হয়নি। আমরা
বিনিয়োগ বান্ধব দেশ গড়তে চাই।
উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে আমরাই প্রথম সার্বজনীন ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি।’
বিএনপি
সরকারের অতিতের অভিজ্ঞতা আছে দাবি করে
তিনি বলেন, ‘অতীতের এমন অভিজ্ঞতা আমাদের
রয়েছে। অর্থনৈতিকভাবে ভঙ্গুর এই রাষ্ট্রের দায়িত্ব
নিয়ে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর
রহমান দেশকে গড়ে তুলছিলেন। সব
প্রতিবন্ধকতা কাটিয়ে বাংলাদেশ যাতে ঘুরে দাঁড়াতে
পারে সে জন্য সুনির্দিষ্ট
পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে
বর্তমান সরকার। সামাজিক সুরক্ষার মাধ্যমে অর্থনৈতিক মুক্তি, মর্যাদা ও সম্মানের সঙ্গে
বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে বিভিন্ন কর্মসূচি
হাতে নেওয়া হয়েছে। আমরা বিভাজনের রাজনীতিতে
বিশ্বাস করি না। আমরা
সবাইকে সঙ্গে নিয়ে অংশগ্রহণমূলক, অন্তর্ভুক্তিমূলকভাবে
দেশের উন্নয়নে কাজ করতে চাই।’
রেমিট্যান্সের
উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন,
‘মধ্যপ্রাচ্যে যখন পুঁজি উদ্বৃত্ত
হয়ে পড়েছিল। তখন আমাদের এখানে
প্রচুর মানুষ বেকার হয়েছিল। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর
রহমান চিন্তা করলেন, কিভাবে এই জনশক্তিকে কাজে
লাগানো যায়। তিনি মধ্যপ্রাচ্যে
গেলেন এবং সেসব দেশের
প্রধানদের সঙ্গে আলোচনা করে দেশের মানুষের
জন্য প্রবাসে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করলেন। তার সেই উদ্যোগের
সুফল আমরা আজও পাচ্ছি।
করোনায় যখন সবকিছু বন্ধ
হয়ে গেল, তখন একমাত্র
রেমিট্যান্সই আমাদের অর্থনীতি চাঙ্গা রেখেছিল।’
পুরোনো
ব্যাংক মালিকদের আবার মালিকানায় ফেরার
যে সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে, সেটা ঠিক হচ্ছে
কিনা এমন প্রশ্নে তিনি
বলেন, ‘এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত
নিবে দেশের সর্বচ্চো আদালত। এখানে সরকার কোনো হস্তক্ষেপ করবে
না। আমরা চাই, বাংলাদেশ
ব্যাংক স্বাধীনভাবে কাজ করুক।’
আইএমএফ
এর সংস্কারের তাগিদের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা
তাদের সব শর্ত মানতে
রাজি। কিন্তু তারা আমাদের কোনো
শর্ত মানতে রাজি না। আবার
তারা যে শর্তগুলো দিয়েছে
সেগুলো তারা যেকোনো সময়
পরিবর্তন করতে পারবে। কিন্তু
আমরা কোনো শর্ত পরিবর্তন
করতে পারবো না। এটাতো ঠিক
না। তবে, আন্তর্জাতিক বাধ্যবাধ্যকতার
কারণে কিছু শর্ত আমাদের
মানতে হবে। আমরা সেগুলো
মানবো। কতগুলো মানবো সেটা আমরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছি।’
মোস্তাফিজুর
রহমান বলেন, ‘বাজেটে আগে সবচেয়ে বেশি
বরাদ্দ ছিল এডুকেশন খাতে।
কিন্তু গত তিন
চার বছর ধরে সবচেয়ে
বেশি বরাদ্দ দেওয়া হয় বিদেশি ঋণ
পরিশোধে। এটা ইঙ্গিত দেয়,
আমরা যেহেতু রাজস্ব আদায় কম করতে
পারছি, সেহেতু অর্থনীতিতে বড় একটা চাপ
পড়ছে। আগের সরকার উন্নয়নের
গল্প শুনিয়ে দেশটাকে এই অবস্থায় নিয়ে
গেছে। আমরা চাই, বিএনপি
সরকার এই বিষয়ে একটা
কর্মপরিকল্পনা ঠিক করবে এবং
কাজ শুরু করবে।’
এই অবস্থা থেকে সরকার কিভাবে
কাজ করতে পারে, এমন
বিষয়ে তিনি বলেন, ‘বর্তমানে
দেশের আর্থিক খাত খুব নাজুক
অবস্থায় রয়েছে। সংকট নিরসনে এই
খাতে চাঞ্চল্য আনতে হবে।’
ইআরএফ
সভাপতি দৌলত আকতার মালার
সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম এবং বাংলাদেশ পোশাক
প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির
(বিজিএমইএ) সভাপতি মাহমুদ হাসান খান।

আপনার মতামত লিখুন