জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, বিএনপির শাসনামলে দেশের অর্থনীতিতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা ছিল প্রশ্নাতীত। সে সময় ব্যাংক খাত কিংবা শেয়ারবাজার লুটপাট নিয়ে জনমনে কোনো প্রশ্ন ওঠেনি এবং আর্থিক শৃঙ্খলা বজায় রাখা হয়েছিল অত্যন্ত কঠোরভাবে।
মঙ্গলবার
বিকেলে কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ
সদস্য মো. আবুল হাসনাতের
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা
বলেন।
অর্থমন্ত্রী
তার বক্তব্যে স্পষ্ট করে বলেন, বিএনপির
রাজনীতিতে অর্থনৈতিক কোনো অনিয়মের সাথে
সমঝোতার কোনো সুযোগ নেই।
তিনি
বিগত সময়ের উদাহরণ টেনে বলেন, বর্তমান
প্রেক্ষাপটে যারা ব্যাংক থেকে
বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ করে
বিদেশে পাড়ি জমিয়েছে, তাদের
বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। পাচারকৃত
অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনতে
বিদেশি বিশেষজ্ঞ ফার্ম নিয়োগ দেওয়ার বিষয়টিও তিনি সংসদকে অবহিত
করেন।
অর্থমন্ত্রী
বলেন, যারা ব্যাংক লুটপাট
করে অর্থ বিদেশে পাচার
করেছে, তাদের কারণেই আজ দেশে মূলধন
সংকট বা ক্যাপিটাল সংকট
তৈরি হয়েছে। এই সংকট কাটিয়ে
উঠতে রিক্যাপিটালাইজেশনের মাধ্যমে বিনিয়োগের পরিবেশ ফিরিয়ে আনা একান্ত প্রয়োজন।
দেশের
বর্তমান ব্যাংকিং সেবার উন্নয়ন প্রসঙ্গে আমির খসরু মাহমুদ
চৌধুরী জানান, বর্তমানে দেশে অনলাইন ব্যাংকিংয়ের
জয়জয়কার চলছে এবং ২৪
ঘণ্টা ৪৬টি ব্যাংকের সেবা
নিরবচ্ছিন্নভাবে পাওয়া যাচ্ছে। গ্রাহকদের সুবিধার্থে আন্তঃব্যাংক লেনদেন ফি পরিবর্তনের কোনো
পরিকল্পনা আপাতত সরকারের নেই বলেও তিনি
নিশ্চিত করেন।
তবে
অনলাইন প্রতারণা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ
করে মন্ত্রী বলেন, ইউজার নেম, পাসওয়ার্ড এবং
ওটিপি শেয়ার করার কারণেই মূলত
গ্রাহকরা প্রতারণার শিকার হচ্ছেন। এ ক্ষেত্রে গ্রাহকদের
সচেতনতা বৃদ্ধির কোনো বিকল্প নেই।
বিগত সময়ে ব্যাংক ও
শেয়ারবাজারে যে ব্যাপক লুটপাট
চালানো হয়েছে, তা কাটিয়ে উঠে
অর্থনীতিকে পুনর্গঠন করাই এখন সরকারের
মূল চ্যালেঞ্জ বলে তিনি মন্তব্য
করেন।

মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ এপ্রিল ২০২৬
জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, বিএনপির শাসনামলে দেশের অর্থনীতিতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা ছিল প্রশ্নাতীত। সে সময় ব্যাংক খাত কিংবা শেয়ারবাজার লুটপাট নিয়ে জনমনে কোনো প্রশ্ন ওঠেনি এবং আর্থিক শৃঙ্খলা বজায় রাখা হয়েছিল অত্যন্ত কঠোরভাবে।
মঙ্গলবার
বিকেলে কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ
সদস্য মো. আবুল হাসনাতের
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা
বলেন।
অর্থমন্ত্রী
তার বক্তব্যে স্পষ্ট করে বলেন, বিএনপির
রাজনীতিতে অর্থনৈতিক কোনো অনিয়মের সাথে
সমঝোতার কোনো সুযোগ নেই।
তিনি
বিগত সময়ের উদাহরণ টেনে বলেন, বর্তমান
প্রেক্ষাপটে যারা ব্যাংক থেকে
বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ করে
বিদেশে পাড়ি জমিয়েছে, তাদের
বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। পাচারকৃত
অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনতে
বিদেশি বিশেষজ্ঞ ফার্ম নিয়োগ দেওয়ার বিষয়টিও তিনি সংসদকে অবহিত
করেন।
অর্থমন্ত্রী
বলেন, যারা ব্যাংক লুটপাট
করে অর্থ বিদেশে পাচার
করেছে, তাদের কারণেই আজ দেশে মূলধন
সংকট বা ক্যাপিটাল সংকট
তৈরি হয়েছে। এই সংকট কাটিয়ে
উঠতে রিক্যাপিটালাইজেশনের মাধ্যমে বিনিয়োগের পরিবেশ ফিরিয়ে আনা একান্ত প্রয়োজন।
দেশের
বর্তমান ব্যাংকিং সেবার উন্নয়ন প্রসঙ্গে আমির খসরু মাহমুদ
চৌধুরী জানান, বর্তমানে দেশে অনলাইন ব্যাংকিংয়ের
জয়জয়কার চলছে এবং ২৪
ঘণ্টা ৪৬টি ব্যাংকের সেবা
নিরবচ্ছিন্নভাবে পাওয়া যাচ্ছে। গ্রাহকদের সুবিধার্থে আন্তঃব্যাংক লেনদেন ফি পরিবর্তনের কোনো
পরিকল্পনা আপাতত সরকারের নেই বলেও তিনি
নিশ্চিত করেন।
তবে
অনলাইন প্রতারণা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ
করে মন্ত্রী বলেন, ইউজার নেম, পাসওয়ার্ড এবং
ওটিপি শেয়ার করার কারণেই মূলত
গ্রাহকরা প্রতারণার শিকার হচ্ছেন। এ ক্ষেত্রে গ্রাহকদের
সচেতনতা বৃদ্ধির কোনো বিকল্প নেই।
বিগত সময়ে ব্যাংক ও
শেয়ারবাজারে যে ব্যাপক লুটপাট
চালানো হয়েছে, তা কাটিয়ে উঠে
অর্থনীতিকে পুনর্গঠন করাই এখন সরকারের
মূল চ্যালেঞ্জ বলে তিনি মন্তব্য
করেন।

আপনার মতামত লিখুন