রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের জিমনেশিয়াম সংলগ্ন এলাকায় সংস্কার কাজ চলাকালে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়কার একটি পরিত্যক্ত মর্টারশেল উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সকাল ১০টার দিকে মাটি খননের সময় শ্রমিকরা বস্তুটির সন্ধান পান।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, জিমনেশিয়ামের পাশে মাটি কাটার সময় শ্রমিকদের কোদালের আঘাতে একটি ধাতব বস্তু বেরিয়ে আসে। পরে সেটিকে মর্টারশেল হিসেবে শনাক্ত করা হলে বিষয়টি দ্রুত বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে জানানো হয়।
খবর পেয়ে পুলিশ ও বোমা নিষ্ক্রিয়করণ ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে এলাকাটি ঘিরে ফেলে। পরবর্তীতে দুপুর আড়াইটার দিকে মর্টারশেলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বধ্যভূমি সংলগ্ন পেছনের একটি ফাঁকা মাঠে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে নিয়ন্ত্রিত বিস্ফোরণের মাধ্যমে সেটি নিরাপদভাবে নিষ্ক্রিয় করা হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, উদ্ধার হওয়া মর্টারশেলটি অনেক পুরনো এবং ধারণা করা হচ্ছে এটি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়কার। এর আগেও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্থানে খনন বা সংস্কার কাজের সময় এ ধরনের অবিস্ফোরিত গোলা পাওয়া গেছে।
রাজশাহী মতিহার জোনের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মুহিবুল ইসলাম বলেন, জননিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে সর্বোচ্চ সতর্কতার সঙ্গে মর্টারশেলটি উদ্ধার ও নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে এবং ঘটনাস্থল নিরাপদ ঘোষণা করা হয়েছে।

মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ এপ্রিল ২০২৬
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের জিমনেশিয়াম সংলগ্ন এলাকায় সংস্কার কাজ চলাকালে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়কার একটি পরিত্যক্ত মর্টারশেল উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সকাল ১০টার দিকে মাটি খননের সময় শ্রমিকরা বস্তুটির সন্ধান পান।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, জিমনেশিয়ামের পাশে মাটি কাটার সময় শ্রমিকদের কোদালের আঘাতে একটি ধাতব বস্তু বেরিয়ে আসে। পরে সেটিকে মর্টারশেল হিসেবে শনাক্ত করা হলে বিষয়টি দ্রুত বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে জানানো হয়।
খবর পেয়ে পুলিশ ও বোমা নিষ্ক্রিয়করণ ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে এলাকাটি ঘিরে ফেলে। পরবর্তীতে দুপুর আড়াইটার দিকে মর্টারশেলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বধ্যভূমি সংলগ্ন পেছনের একটি ফাঁকা মাঠে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে নিয়ন্ত্রিত বিস্ফোরণের মাধ্যমে সেটি নিরাপদভাবে নিষ্ক্রিয় করা হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, উদ্ধার হওয়া মর্টারশেলটি অনেক পুরনো এবং ধারণা করা হচ্ছে এটি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়কার। এর আগেও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্থানে খনন বা সংস্কার কাজের সময় এ ধরনের অবিস্ফোরিত গোলা পাওয়া গেছে।
রাজশাহী মতিহার জোনের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মুহিবুল ইসলাম বলেন, জননিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে সর্বোচ্চ সতর্কতার সঙ্গে মর্টারশেলটি উদ্ধার ও নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে এবং ঘটনাস্থল নিরাপদ ঘোষণা করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন