সংবাদ

যে ৮ খাবার ফ্রিজ না থাকলেও ঠান্ডা রাখবে


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৪০ পিএম

যে ৮ খাবার ফ্রিজ না থাকলেও ঠান্ডা রাখবে
শরীর ঠান্ডা রাখে যেসব খাবার।

প্রচণ্ড দাবদাহে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত যেন আগুন ঝরছে আকাশ থেকে। ঘামে ভিজছে শরীর। বারবার পানি পিপাসা জাগছে। ক্লান্তি পেয়ে বসছে দ্রুত। এই সময় শরীরকে ভেতর থেকে ঠান্ডা রাখার জন্য প্রয়োজন সঠিক খাবার। জানুন প্রাকৃতিকভাবে শরীরের তাপ কমায় যেসব খাবার-

পানির ভাণ্ডার শসা : শসা প্রায় ৯৫ শতাংশ পানি। এটি শরীরকে আর্দ্র রাখতে দারুণ কার্যকরী। গরমের সময় শসা শরীরের অতিরিক্ত তাপ দ্রুত শুষে নিতে সাহায্য করে। সালাদ, রায়তা বা শুধু টুকরো করে কেটেও খেতে পারেন। চাইলে পাতিলেবু আর সামান্য লবণ মিশিয়েও খেতে পারেন।

প্রাকৃতিক হাইড্রেশনের সেরা উৎস তরমুজ : গরমের সময় তরমুজের জুড়ি নেই। এতে প্রচুর পানি ও প্রয়োজনীয় ইলেকট্রোলাইট থাকে। রোদে পোড়া ক্লান্তি দূর করে, শরীরকে ভেতর থেকে শীতল রাখে। সকালের নাস্তায় তরমুজের রস বা টুকরো করে খেতে পারেন। তবে রাতে না খাওয়াই ভালো, কারণ এতে শর্করার পরিমাণ কিছুটা বেশি।

প্রাকৃতিক স্যালাইন ডাবের পানি : ডাবের পানি শরীরের পানির ভারসাম্য রক্ষা করে। পটাশিয়াম ও মিনারেলে ভরপুর এই পানীয় রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক রেখে শরীরের তাপমাত্রা কমাতে সাহায্য করে। সারা দিনে অন্তত একবার ডাবের পানি খাওয়ার চেষ্টা করুন। বিশেষ করে বাইরে থেকে এসে ডাবের পানি শরীরকে দ্রুত স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনে।

হজমশক্তির মেশিন টক দই : দইয়ে থাকা প্রোবায়োটিক হজম প্রক্রিয়া উন্নত করে। গরমের সময় হজমের সমস্যা থেকেও শরীরে তাপ উৎপন্ন হয়। টক দই সেই তাপ প্রশমিত করে। খেতে পারেন ঘোল, লাচ্ছি বা পনিরের মতো করে। চাইলে বেলের শরবতের সঙ্গেও মিশিয়ে খেতে পারেন।

নিমেষে স্বস্তি লেবুর শরবত : এক গ্লাস ঠান্ডা লেবুর শরবত নিমিষেই শরীরের তাপমাত্রা কমিয়ে দেয়। সঙ্গে ভিটামিন সি বাড়ায় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা। গরমে বাইরে থেকে ফিরে লেবুর শরবত খেতে পারেন। তবে অতিরিক্ত চিনি না দিয়ে গুড় বা মধু ব্যবহার করতে পারেন।

পানিজাতীয় সবজি : লাউ, পটল, ঝিঙে, চিচিঙ্গাতে প্রচুর পানি ও ফাইবার থাকে। সহজপাচ্য হওয়ায় হজমের সময় শরীরে তাপ উৎপন্ন হয় না বরং তা কমিয়ে রাখে। গরমের সময় লাউয়ের স্যুপ, পটলের ঘণ্ট বা চিচিঙ্গা ভাজি খেতে পারেন। এগুলো শরীর ঠান্ডা রাখার পাশাপাশি পেটও পরিষ্কার রাখে।

প্রাকৃতিক কুলিং এজেন্ট পুদিনা পাতা : পুদিনায় মেনথল থাকে, যা শরীরকে শীতল অনুভূতি দেয়। পানি বা লেবুর শরবতে পুদিনা পাতা মিশিয়ে খেতে পারেন। পুদিনার চাটনি বা রায়তাও দারুণ কাজ করে। গরমে ঘরের তৈরি পুদিনা চা খেলেও স্বস্তি পাবেন।

শরীর ঠান্ডা রাখার খাবার

রক্তশুদ্ধির ডালিম ও আনার : ডালিম ও আনার শরীর ঠান্ডা রাখার পাশাপাশি রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা ঠিক রাখে। এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের ক্ষতিকর টক্সিন দূর করে, যা শরীরের গরম ভাব কমায়। দুপুরের খাবারের পর ডালিমের দানা বা আনার টুকরো খেতে পারেন। চাইলে জুস করেও খেতে পারেন, তবে আঁশের জন্য দানা খাওয়াই ভালো।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

রোববার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬


যে ৮ খাবার ফ্রিজ না থাকলেও ঠান্ডা রাখবে

প্রকাশের তারিখ : ২২ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

প্রচণ্ড দাবদাহে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত যেন আগুন ঝরছে আকাশ থেকে। ঘামে ভিজছে শরীর। বারবার পানি পিপাসা জাগছে। ক্লান্তি পেয়ে বসছে দ্রুত। এই সময় শরীরকে ভেতর থেকে ঠান্ডা রাখার জন্য প্রয়োজন সঠিক খাবার। জানুন প্রাকৃতিকভাবে শরীরের তাপ কমায় যেসব খাবার-

পানির ভাণ্ডার শসা : শসা প্রায় ৯৫ শতাংশ পানি। এটি শরীরকে আর্দ্র রাখতে দারুণ কার্যকরী। গরমের সময় শসা শরীরের অতিরিক্ত তাপ দ্রুত শুষে নিতে সাহায্য করে। সালাদ, রায়তা বা শুধু টুকরো করে কেটেও খেতে পারেন। চাইলে পাতিলেবু আর সামান্য লবণ মিশিয়েও খেতে পারেন।

প্রাকৃতিক হাইড্রেশনের সেরা উৎস তরমুজ : গরমের সময় তরমুজের জুড়ি নেই। এতে প্রচুর পানি ও প্রয়োজনীয় ইলেকট্রোলাইট থাকে। রোদে পোড়া ক্লান্তি দূর করে, শরীরকে ভেতর থেকে শীতল রাখে। সকালের নাস্তায় তরমুজের রস বা টুকরো করে খেতে পারেন। তবে রাতে না খাওয়াই ভালো, কারণ এতে শর্করার পরিমাণ কিছুটা বেশি।

প্রাকৃতিক স্যালাইন ডাবের পানি : ডাবের পানি শরীরের পানির ভারসাম্য রক্ষা করে। পটাশিয়াম ও মিনারেলে ভরপুর এই পানীয় রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক রেখে শরীরের তাপমাত্রা কমাতে সাহায্য করে। সারা দিনে অন্তত একবার ডাবের পানি খাওয়ার চেষ্টা করুন। বিশেষ করে বাইরে থেকে এসে ডাবের পানি শরীরকে দ্রুত স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনে।

হজমশক্তির মেশিন টক দই : দইয়ে থাকা প্রোবায়োটিক হজম প্রক্রিয়া উন্নত করে। গরমের সময় হজমের সমস্যা থেকেও শরীরে তাপ উৎপন্ন হয়। টক দই সেই তাপ প্রশমিত করে। খেতে পারেন ঘোল, লাচ্ছি বা পনিরের মতো করে। চাইলে বেলের শরবতের সঙ্গেও মিশিয়ে খেতে পারেন।

নিমেষে স্বস্তি লেবুর শরবত : এক গ্লাস ঠান্ডা লেবুর শরবত নিমিষেই শরীরের তাপমাত্রা কমিয়ে দেয়। সঙ্গে ভিটামিন সি বাড়ায় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা। গরমে বাইরে থেকে ফিরে লেবুর শরবত খেতে পারেন। তবে অতিরিক্ত চিনি না দিয়ে গুড় বা মধু ব্যবহার করতে পারেন।

পানিজাতীয় সবজি : লাউ, পটল, ঝিঙে, চিচিঙ্গাতে প্রচুর পানি ও ফাইবার থাকে। সহজপাচ্য হওয়ায় হজমের সময় শরীরে তাপ উৎপন্ন হয় না বরং তা কমিয়ে রাখে। গরমের সময় লাউয়ের স্যুপ, পটলের ঘণ্ট বা চিচিঙ্গা ভাজি খেতে পারেন। এগুলো শরীর ঠান্ডা রাখার পাশাপাশি পেটও পরিষ্কার রাখে।

প্রাকৃতিক কুলিং এজেন্ট পুদিনা পাতা : পুদিনায় মেনথল থাকে, যা শরীরকে শীতল অনুভূতি দেয়। পানি বা লেবুর শরবতে পুদিনা পাতা মিশিয়ে খেতে পারেন। পুদিনার চাটনি বা রায়তাও দারুণ কাজ করে। গরমে ঘরের তৈরি পুদিনা চা খেলেও স্বস্তি পাবেন।

শরীর ঠান্ডা রাখার খাবার

রক্তশুদ্ধির ডালিম ও আনার : ডালিম ও আনার শরীর ঠান্ডা রাখার পাশাপাশি রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা ঠিক রাখে। এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের ক্ষতিকর টক্সিন দূর করে, যা শরীরের গরম ভাব কমায়। দুপুরের খাবারের পর ডালিমের দানা বা আনার টুকরো খেতে পারেন। চাইলে জুস করেও খেতে পারেন, তবে আঁশের জন্য দানা খাওয়াই ভালো।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত