সংবাদ

রম্যগদ্য: তেল নিয়ে তেলেসমাতি


জাঁ-নেসার ওসমান
জাঁ-নেসার ওসমান
প্রকাশ: ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৫০ পিএম

রম্যগদ্য: তেল নিয়ে তেলেসমাতি
জ্বালানি তেলের অপেক্ষায় মোটর বাইকের দীর্ঘ সারি


“হেঁ হেঁ ইরান যতই তেল নিয়া, হুরমুজ প্রেণালী নিয়া তেলেসমাতি করুক, আমাগো নবানর্বাচিত সরকার ইরানের যুদ্ধের ঠ্যালা সামলাইতে সিদ্ধহস্ত। বাংলাদেশে পেট্রলপাম্পে তেলের কোনো কমতি নাই। প্রতিদিন ভারত থ্যেইক্কা হাজার হাজার লিটার তেল আইন্না সাপ্লাইচেন ঠিক রাখছে।”

“বলিস কিরে! বাংলাদেশে পেট্রল, ডিজেল, কেরাসিন তেলের কোনো কমতি নেই?”

“থকবো ক্যেমনে, রাশিয়ার তেল অহন ভায়া ভারত বাংলার মাটিতে।”

“আশ্চার্য্য! তুই কার কাছ থেকে এইসব চাপাবাজী শুনেছিস যে, রাশিয়ার তেল এখন ভায়া ভারত বাংলার মাটিতে?” 

“ঠিক আছে আমি নাইলে চাপা মারতাছি, কিন্তু নবনির্বাচিত সরকারের প্রতিনিধি যখন কয়, দেশে জ্বলানি তেলের অভাব নাই, কারণ হ্যারা কেবল পাবিলেকের কাছে মজুত করা ৫ লাখ ৪ হাজার ২৩৬ লিটার জ্বালানি তেল উদ্ধার করছে। মিয়া বুঝতে পারেন যে সব মজুত করা তেল ধরা পারে নাই, হেই তেলের পরিমান কত লক্ষ লিটার! মিয়া বুঝেন,বাংলাদেশ তেলের ওপর ভাসতাছে।”

“শুনেছি তোদের দেশে নাকি আশির দশকে হরিরামপুরে তেলের রিজার্ভের খোঁজ পেয়েছিলি, তারপর শুনেছি তোদের তেল তুললে অন্যদের তেলও গড়িয়ে তোর দেশের রিজার্ভে যোগ হবে, তাই তখনকার হোমো সরকার তেল তুলতে সাহস করেনি?”

“রাখেন মিয়া, তেল তুলতে সাহস পায় নাই! কন মিয়া তেল তুইল্লা কি বাংলাদেশ মরবনি?”

“তেলের খনি থেকে তেল তুললে বাংলাদেশের ক্ষতি হবে! ঠিক বুঝতে পারলাম না?”

“এই সুজা কতা না বুঝনের কি আছে? বাংলাদেশ ত্যেলের উপর ভাসতাছে। এরপর যদি বাংলাদেশে আরও তেল তুলে তয় অতো ত্যেল রাখবো কোই? বাংলাদেশের তেলের বরকত যে কি হেইডা আপনে জানেন না? ছুট্টবেলায় পড়েন নাই?”

“বাংলাদেশ তেলের উপর ভাসছে। বাংলদেশের তেলের বরকত! তুই এসব কি বলছিস আমার মাথা ঘুরছে। মাথা মুন্ডু তোর কথাতো কিছুই বুঝতে পারছিনা। তেলের বরকত?” “ক্যা মিয়া, ছুটো বেলায় পড়েন নাই, “এক পয়সার ˆতল/ কিসে খরচ হইল/ তোর দাড়ি, মোর পায়/ আরও দিছি ছেলের গায়/ ছেলে মেয়ের বিয়ে গেছে/ সাতরাত গান হয়েছে/ কোন অভাগী ঘরে এলো/ বাকি তেলটা ঢেলে নিলো” বুঝছেন মিয়া এই বাংলার এক পয়সার তেলরও বরকত কত? আর অহনতো জেন-জী’র যুগ। অগাষ্ট মুক্তিযোদ্ধারা ভাতা পাইবো মোটর সাইকেল থাকলে লিটারে লিটারে ত্যেল পাইবো, বাংলা ভাসে ত্যেলের ওপর।”

“আচ্ছা পাম্পে যে হাজার হাজার মোটর সাইকেল, প্রাইভেট কার, মাইলকা মাইল লাইন ধরছে এটা কি শখে?”

“শখ না ভাই, এইডা হোইলো বাঙ্গালিগো খাইসলত। হালারা লাইন ধইরা একবার তেল নিয়া আবার ঘুইরা যায়া লাইনে খাড়ায়। হেইলাই¹া আপনের মনে হয় লাইন আর শেষ হয়না। হোইবো ক্যেমতে, যেই হালায় তেল লোইছে, হ্যেয়তো আবার লাইনের শেষে যায়া খাড়াইছে।”

“ধাৎ তা হয় নাকি? লাইনে সাত-আট ঘন্টা দাঁড়িয়ে ১০ লিটার তেল পেয়ে আবার ৭-৮ ঘন্টার জন্য লাইনে দাঁড়াবে? প্রকৃতির ডাকেও কি সাড়া দেবে না?”

“প্রকৃতির ডাক! হালায় পেট্রল হোইল ওভাই পাবলিকের প্রাণভোমরা। হ্যায় পেট্রল না নিয়া প্রকৃতের উত্তর দিবো? আপনে হাগলনি কোনো!”

“তুই কি বলছিস তেলের জন্য মানুষ নাওয়া খাওয়া ছেড়ে দেবে?”

“আপনে মিয়া আসলেই একটা আস্ত গাড়ল। ঠিক মতো তেল মারতে পারলে, ¯^াধীনতা পদক, একুশে পদক, বাংলা-পদক, আপনে দেখেন নাই আপনের দেশের তথাকথিত বুকে হাঁটা, পা’চাঁটা, মেরুদণ্ডহীন এইসব আঁতেলেকচুয়ালরা দেশকুত্তোমরে উত্তম রূপে ˆতল মর্দন কইরা ১টাকায় গুলশানে বাড়ি,পদ্মবিভূষণ, শত শত কোটি কোটি টাকা খরচ কোইরা, প্রতিটি ব্যাংকের কোনায় কোনায়, প্রতিটি বড় বড় কোম্পানির কোনায় কোনায়, মুসাফির কর্নার। তাই কোই ঠিকমতো ˆতল মর্দন কোরলে দ্বীন ও বেদ্বীন দুই যায়গায় খালি ট্যাকা আর ট্যাকা। ব&াংলাদেশের তেলে বরকত আছে বুঝলেন।”

“সবইতো বুঝলাম যে ব&াংলাদেশের তেলে বরকত আছে। ঠিকমতো দেশিকুত্তোমকে তেল দিতে পারলে দিন-দুনিয়ার বাদশাহ& হয়ে ঘোরা যায়। কিন্তু বিশ্বাসকর সত্যি দেশে মনেহয় তেলের প্রবলেম আছে। যারজন্য গ্রামে গঞ্জে ইলেট্রিসিটির অভাবে লোড শেডিং’এর ঠেলায় গ্রামবাসীর প্রাণ ওষ্ঠাগত। জানিনা কবে বাংলার জনগণ এই নরক যন্ত্রণা তেকে রক্ষা পাবে?”

“আপনেরতো মিয়া ওই গানের মতুন অবস্থা, “হায়রে কপাল মন্দ/ চোখ থাকিতে অন্ধ/ নিশিদিন জ্বইল্লা পুইড়া/ শ্যেষ তোহোইলাম না।”

“আসলেইতো আমরা ইলেট্রিসিটির অভাবে নিশিদিন জ্বইল্লা পুইড়া মরতাছি।”

“ধুর মিয়া আপনেরে আর, নিশিদিন জ্বইল্লা পুইড়া শ্যেষ হোইতে হোইবোনা। আমাগো নবানর্বাচিত সরকার তার প্ল্যান মাফিক অতি শীঘ্রই রুপরূপ পারমানবিক চুল্লি থ্যেইক্কা কারেন্ট ছাড়বো, ব্যাস তখন আর আদানি, পাদানি, মাদানি কাউরেও আর পুছন লাগবোনা। ইরান-আমেরকিা হাজার হাজার বছর যুদ্ধ করুক আমগেপ কুনোই অসুবিধা হোইবো না।”

“সত্যি বলছিস আমাদের নবানর্বাচিত সরকার তার প্ল্যান মাফিক অতি শীঘ্রই রুপরূপ পারমানবিক চুল্লি থেকে কারেন্ট ছাড়বে?” 

“ছাড়বে!! আরে মিয়া, ছাড়বেতো ফিউচার টেনস, প্রেজেন্ট টেনস কন মিয়া, সামনের বাজেট ইয়ারে রুপরূপ পারমানবিক চুল্লি থ্যেইক্কা কারেন্ট পাইলেও পাইতে পারেন। দুইটা রিএক্টর রেডি।”

“ভাই তোকে যে কি বলে ধন্যবাদ দিবো, তার ভাষা খুঁজে পাচ্ছি না। রুপরূপ পারমানবিক চুল্লি থ্যেইক্কা কারেন্ট পেলে সারা বাংলাদেশের জনগন তোর জন্যে জান দিতেও প্রস্তুত থাকবে।” 

“জান দিতে হোইবোনা, আপনে খালি ঠিক মতো ঠিক যায়গায়  ˆতল মর্দন করেন তাইলেই রুপরূপ পারমানবিক চুল্লি থ্যেইক্কা কারেন্ট পাইবেন, কয়া দিলাম ব্যাস।”

“সত্যিই তোর কথাই ঠিক, আসলেই বাংলাদেশের তেলের অনেক বরকত আছে।”

“আমি কি আর এমনি কোইছি, তেল নিয়ে তেলেসমাতি!”

[লেখক: চলচ্চিত্রকার]

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬


রম্যগদ্য: তেল নিয়ে তেলেসমাতি

প্রকাশের তারিখ : ২৩ এপ্রিল ২০২৬

featured Image


“হেঁ হেঁ ইরান যতই তেল নিয়া, হুরমুজ প্রেণালী নিয়া তেলেসমাতি করুক, আমাগো নবানর্বাচিত সরকার ইরানের যুদ্ধের ঠ্যালা সামলাইতে সিদ্ধহস্ত। বাংলাদেশে পেট্রলপাম্পে তেলের কোনো কমতি নাই। প্রতিদিন ভারত থ্যেইক্কা হাজার হাজার লিটার তেল আইন্না সাপ্লাইচেন ঠিক রাখছে।”

“বলিস কিরে! বাংলাদেশে পেট্রল, ডিজেল, কেরাসিন তেলের কোনো কমতি নেই?”

“থকবো ক্যেমনে, রাশিয়ার তেল অহন ভায়া ভারত বাংলার মাটিতে।”

“আশ্চার্য্য! তুই কার কাছ থেকে এইসব চাপাবাজী শুনেছিস যে, রাশিয়ার তেল এখন ভায়া ভারত বাংলার মাটিতে?” 

“ঠিক আছে আমি নাইলে চাপা মারতাছি, কিন্তু নবনির্বাচিত সরকারের প্রতিনিধি যখন কয়, দেশে জ্বলানি তেলের অভাব নাই, কারণ হ্যারা কেবল পাবিলেকের কাছে মজুত করা ৫ লাখ ৪ হাজার ২৩৬ লিটার জ্বালানি তেল উদ্ধার করছে। মিয়া বুঝতে পারেন যে সব মজুত করা তেল ধরা পারে নাই, হেই তেলের পরিমান কত লক্ষ লিটার! মিয়া বুঝেন,বাংলাদেশ তেলের ওপর ভাসতাছে।”

“শুনেছি তোদের দেশে নাকি আশির দশকে হরিরামপুরে তেলের রিজার্ভের খোঁজ পেয়েছিলি, তারপর শুনেছি তোদের তেল তুললে অন্যদের তেলও গড়িয়ে তোর দেশের রিজার্ভে যোগ হবে, তাই তখনকার হোমো সরকার তেল তুলতে সাহস করেনি?”

“রাখেন মিয়া, তেল তুলতে সাহস পায় নাই! কন মিয়া তেল তুইল্লা কি বাংলাদেশ মরবনি?”

“তেলের খনি থেকে তেল তুললে বাংলাদেশের ক্ষতি হবে! ঠিক বুঝতে পারলাম না?”

“এই সুজা কতা না বুঝনের কি আছে? বাংলাদেশ ত্যেলের উপর ভাসতাছে। এরপর যদি বাংলাদেশে আরও তেল তুলে তয় অতো ত্যেল রাখবো কোই? বাংলাদেশের তেলের বরকত যে কি হেইডা আপনে জানেন না? ছুট্টবেলায় পড়েন নাই?”

“বাংলাদেশ তেলের উপর ভাসছে। বাংলদেশের তেলের বরকত! তুই এসব কি বলছিস আমার মাথা ঘুরছে। মাথা মুন্ডু তোর কথাতো কিছুই বুঝতে পারছিনা। তেলের বরকত?” “ক্যা মিয়া, ছুটো বেলায় পড়েন নাই, “এক পয়সার ˆতল/ কিসে খরচ হইল/ তোর দাড়ি, মোর পায়/ আরও দিছি ছেলের গায়/ ছেলে মেয়ের বিয়ে গেছে/ সাতরাত গান হয়েছে/ কোন অভাগী ঘরে এলো/ বাকি তেলটা ঢেলে নিলো” বুঝছেন মিয়া এই বাংলার এক পয়সার তেলরও বরকত কত? আর অহনতো জেন-জী’র যুগ। অগাষ্ট মুক্তিযোদ্ধারা ভাতা পাইবো মোটর সাইকেল থাকলে লিটারে লিটারে ত্যেল পাইবো, বাংলা ভাসে ত্যেলের ওপর।”

“আচ্ছা পাম্পে যে হাজার হাজার মোটর সাইকেল, প্রাইভেট কার, মাইলকা মাইল লাইন ধরছে এটা কি শখে?”

“শখ না ভাই, এইডা হোইলো বাঙ্গালিগো খাইসলত। হালারা লাইন ধইরা একবার তেল নিয়া আবার ঘুইরা যায়া লাইনে খাড়ায়। হেইলাই¹া আপনের মনে হয় লাইন আর শেষ হয়না। হোইবো ক্যেমতে, যেই হালায় তেল লোইছে, হ্যেয়তো আবার লাইনের শেষে যায়া খাড়াইছে।”

“ধাৎ তা হয় নাকি? লাইনে সাত-আট ঘন্টা দাঁড়িয়ে ১০ লিটার তেল পেয়ে আবার ৭-৮ ঘন্টার জন্য লাইনে দাঁড়াবে? প্রকৃতির ডাকেও কি সাড়া দেবে না?”

“প্রকৃতির ডাক! হালায় পেট্রল হোইল ওভাই পাবলিকের প্রাণভোমরা। হ্যায় পেট্রল না নিয়া প্রকৃতের উত্তর দিবো? আপনে হাগলনি কোনো!”

“তুই কি বলছিস তেলের জন্য মানুষ নাওয়া খাওয়া ছেড়ে দেবে?”

“আপনে মিয়া আসলেই একটা আস্ত গাড়ল। ঠিক মতো তেল মারতে পারলে, ¯^াধীনতা পদক, একুশে পদক, বাংলা-পদক, আপনে দেখেন নাই আপনের দেশের তথাকথিত বুকে হাঁটা, পা’চাঁটা, মেরুদণ্ডহীন এইসব আঁতেলেকচুয়ালরা দেশকুত্তোমরে উত্তম রূপে ˆতল মর্দন কইরা ১টাকায় গুলশানে বাড়ি,পদ্মবিভূষণ, শত শত কোটি কোটি টাকা খরচ কোইরা, প্রতিটি ব্যাংকের কোনায় কোনায়, প্রতিটি বড় বড় কোম্পানির কোনায় কোনায়, মুসাফির কর্নার। তাই কোই ঠিকমতো ˆতল মর্দন কোরলে দ্বীন ও বেদ্বীন দুই যায়গায় খালি ট্যাকা আর ট্যাকা। ব&াংলাদেশের তেলে বরকত আছে বুঝলেন।”

“সবইতো বুঝলাম যে ব&াংলাদেশের তেলে বরকত আছে। ঠিকমতো দেশিকুত্তোমকে তেল দিতে পারলে দিন-দুনিয়ার বাদশাহ& হয়ে ঘোরা যায়। কিন্তু বিশ্বাসকর সত্যি দেশে মনেহয় তেলের প্রবলেম আছে। যারজন্য গ্রামে গঞ্জে ইলেট্রিসিটির অভাবে লোড শেডিং’এর ঠেলায় গ্রামবাসীর প্রাণ ওষ্ঠাগত। জানিনা কবে বাংলার জনগণ এই নরক যন্ত্রণা তেকে রক্ষা পাবে?”

“আপনেরতো মিয়া ওই গানের মতুন অবস্থা, “হায়রে কপাল মন্দ/ চোখ থাকিতে অন্ধ/ নিশিদিন জ্বইল্লা পুইড়া/ শ্যেষ তোহোইলাম না।”

“আসলেইতো আমরা ইলেট্রিসিটির অভাবে নিশিদিন জ্বইল্লা পুইড়া মরতাছি।”

“ধুর মিয়া আপনেরে আর, নিশিদিন জ্বইল্লা পুইড়া শ্যেষ হোইতে হোইবোনা। আমাগো নবানর্বাচিত সরকার তার প্ল্যান মাফিক অতি শীঘ্রই রুপরূপ পারমানবিক চুল্লি থ্যেইক্কা কারেন্ট ছাড়বো, ব্যাস তখন আর আদানি, পাদানি, মাদানি কাউরেও আর পুছন লাগবোনা। ইরান-আমেরকিা হাজার হাজার বছর যুদ্ধ করুক আমগেপ কুনোই অসুবিধা হোইবো না।”

“সত্যি বলছিস আমাদের নবানর্বাচিত সরকার তার প্ল্যান মাফিক অতি শীঘ্রই রুপরূপ পারমানবিক চুল্লি থেকে কারেন্ট ছাড়বে?” 

“ছাড়বে!! আরে মিয়া, ছাড়বেতো ফিউচার টেনস, প্রেজেন্ট টেনস কন মিয়া, সামনের বাজেট ইয়ারে রুপরূপ পারমানবিক চুল্লি থ্যেইক্কা কারেন্ট পাইলেও পাইতে পারেন। দুইটা রিএক্টর রেডি।”

“ভাই তোকে যে কি বলে ধন্যবাদ দিবো, তার ভাষা খুঁজে পাচ্ছি না। রুপরূপ পারমানবিক চুল্লি থ্যেইক্কা কারেন্ট পেলে সারা বাংলাদেশের জনগন তোর জন্যে জান দিতেও প্রস্তুত থাকবে।” 

“জান দিতে হোইবোনা, আপনে খালি ঠিক মতো ঠিক যায়গায়  ˆতল মর্দন করেন তাইলেই রুপরূপ পারমানবিক চুল্লি থ্যেইক্কা কারেন্ট পাইবেন, কয়া দিলাম ব্যাস।”

“সত্যিই তোর কথাই ঠিক, আসলেই বাংলাদেশের তেলের অনেক বরকত আছে।”

“আমি কি আর এমনি কোইছি, তেল নিয়ে তেলেসমাতি!”

[লেখক: চলচ্চিত্রকার]


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত