সংবাদ

হানিফসহ চার পলাতক নেতার সর্বোচ্চ শাস্তি চায় প্রসিকিউশন


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ৭ জুন ২০২৬, ০৯:৪৮ পিএম

হানিফসহ চার পলাতক নেতার সর্বোচ্চ শাস্তি চায় প্রসিকিউশন

জুলাই আন্দোলনের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধ নৃশংস হত্যাকাণ্ডের মামলায় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফসহ চার আসামির সর্বোচ্চ সাজা তথা মৃত্যুদণ্ড দাবি করেছে রাষ্ট্রপক্ষ।

রবিবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল- রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আদালত কক্ষেই এই আবেগঘন আইনি আবেদন জানানো হয়।

বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনালে এই ঐতিহাসিক মামলার শুনানি চলছে। মামলার অন্য তিন পলাতক আসামি হলেন: কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সদর উদ্দিন খান, কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আসগর আলী এবং কুষ্টিয়া পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান।

শুনানিতে চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম জুলাই আন্দোলনের প্রেক্ষাপট তৎকালীন ক্ষমতাশীলদের নির্মম ভূমিকা তুলে ধরে বলেন, “কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন বৈধ ছিল। কিন্তু সেটা সরকার মানতে চাইল না। সরকার অ্যাকশনে গেল।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, শিক্ষার্থীদের নৃশংসভাবে হত্যার পর যৌক্তিক কারণেই বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ওই আন্দোলনে সমর্থন দেয় এবং পরবর্তীতে এটি সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ে।

এর পরের ভয়াবহ পরিস্থিতি বর্ণনা করে তিনি বলেন, “পরে এটি সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ে। সরকার উন্মাদ হয়ে যায় এবং অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড করতে থাকে।

পলাতক আসামিদের অনুপস্থিতিতেই যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের শেষ পর্যায়ে প্রসিকিউটর মো. মিজানুল ইসলাম ট্রাইব্যুনালের কাছে আইনানুগভাবে এই আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি প্রার্থনা করেন।

প্রসিকিউশনের তথ্য অনুযায়ী, জুলাই আন্দোলনের সময় কুষ্টিয়া শহরে ছয়জন তাজা প্রাণকে হত্যাসহ মোট তিনটি সুনির্দিষ্ট বর্বরোচিত অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে এই চার নেতার বিরুদ্ধে।

তদন্ত সংস্থার প্রতিবেদনে স্পষ্ট বলা হয়েছে, তারা কেবল ছাত্র-জনতার ওপর বর্বরোচিত হামলার নির্দেশদাতাই ছিলেন না, বরং সরাসরি সেই হামলায় অংশ নিয়েছিলেন। বর্তমানে রাজনৈতিক দল হিসেবে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকার বিষয়টিও আদালতের নথিতে উঠে আসে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

রোববার, ০৭ জুন ২০২৬


হানিফসহ চার পলাতক নেতার সর্বোচ্চ শাস্তি চায় প্রসিকিউশন

প্রকাশের তারিখ : ০৭ জুন ২০২৬

featured Image

জুলাই আন্দোলনের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধ নৃশংস হত্যাকাণ্ডের মামলায় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফসহ চার আসামির সর্বোচ্চ সাজা তথা মৃত্যুদণ্ড দাবি করেছে রাষ্ট্রপক্ষ।

রবিবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল- রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আদালত কক্ষেই এই আবেগঘন আইনি আবেদন জানানো হয়।

বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনালে এই ঐতিহাসিক মামলার শুনানি চলছে। মামলার অন্য তিন পলাতক আসামি হলেন: কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সদর উদ্দিন খান, কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আসগর আলী এবং কুষ্টিয়া পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান।

শুনানিতে চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম জুলাই আন্দোলনের প্রেক্ষাপট তৎকালীন ক্ষমতাশীলদের নির্মম ভূমিকা তুলে ধরে বলেন, “কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন বৈধ ছিল। কিন্তু সেটা সরকার মানতে চাইল না। সরকার অ্যাকশনে গেল।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, শিক্ষার্থীদের নৃশংসভাবে হত্যার পর যৌক্তিক কারণেই বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ওই আন্দোলনে সমর্থন দেয় এবং পরবর্তীতে এটি সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ে।

এর পরের ভয়াবহ পরিস্থিতি বর্ণনা করে তিনি বলেন, “পরে এটি সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ে। সরকার উন্মাদ হয়ে যায় এবং অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড করতে থাকে।

পলাতক আসামিদের অনুপস্থিতিতেই যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের শেষ পর্যায়ে প্রসিকিউটর মো. মিজানুল ইসলাম ট্রাইব্যুনালের কাছে আইনানুগভাবে এই আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি প্রার্থনা করেন।

প্রসিকিউশনের তথ্য অনুযায়ী, জুলাই আন্দোলনের সময় কুষ্টিয়া শহরে ছয়জন তাজা প্রাণকে হত্যাসহ মোট তিনটি সুনির্দিষ্ট বর্বরোচিত অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে এই চার নেতার বিরুদ্ধে।

তদন্ত সংস্থার প্রতিবেদনে স্পষ্ট বলা হয়েছে, তারা কেবল ছাত্র-জনতার ওপর বর্বরোচিত হামলার নির্দেশদাতাই ছিলেন না, বরং সরাসরি সেই হামলায় অংশ নিয়েছিলেন। বর্তমানে রাজনৈতিক দল হিসেবে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকার বিষয়টিও আদালতের নথিতে উঠে আসে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত